নদীর ওপরে, নদীবক্ষে বেশ ক’টি সুখী দিন
কেটেছিলো মৃদুমন্দ ঢেউয়ের দোলায়,
নদীতীর প্রকৃতই সুখী গৃহকোণ ব’লে মনে হয়েছিলো;
নদীর সময় কম থমকে দাঁড়াবার_
তবু নদী স্থির হ’য়ে কিছুটা থমকে সময় দিয়েছিলো,
এতটা প্রশ্রয় আমি আশাও করিনি;
আমার সৌভাগ্য এই স্বেচ্ছায় নদীই বক্ষে তার
দিয়েছিলো ঠাই _ আতিথ্য, আদর, সুখ।
নদী বলেছিলো : “ভুলে যেয়ো,
আমার তো তাড়া আছে, যাই…”
অবশ্য আমার কোনো তাড়া নেই _ আমি দীর্ঘসূত্রী,
‘আজ থাক্ কাল হবে’ _ ব’লে আমি ফেলে রাখি কাজ,
শেষঅব্দি কোনো কাজই সম্পন্ন করি না_
প’ড়ে থাকে কাজ _ কাজের ওপরে ধুলোবালি জমে,
প্রভূত শ্যাওলা জমে বিষম জরুরি কাজে_
এইভাবে অপরাহ্নে গড়ায় আমার দিনগুলি;
কর্মময় সকাল-দুপুর
কেউ না আমার _ আমি অপরাহ্নময়!
Related Articles
গোলাপ ফোটাবো
ওষ্ঠ বাড়িয়ে দাও গোলাপ ফোটাবো, বঙ্কিম গ্রীবা মেলো ঝরনা ছোটাবো। যুগল পাহাড়ে পাবো অমৃতের স্বাদ, জ্ব’লে যাবে দুই ঠোঁটে একজোড়া চাঁদ। সুন্দরীর নৌকো ঢুকাবো বঙ্গোপসাগরে, অতলে ডুববো উত্তাল আশ্বিনের ঝড়ে। শিউলির বোঁটা থেকে চুষে নেবো রস, এখনো আমার প্রিয় আঠারো বয়স। তোমার পুষ্পের কলি মধুমদগন্ধময়, সেখানে বিন্দু বিন্দু জমে আমার হৃদয়।
তোমার জন্যই
এই যে শুনছো, তোমাকে বলছি হ্যাঁ তুমিই। তোমার জন্যই অবিরাম ঘোরে তিন ভাগ জল আর বাকি এক ভাগ ভুমি। তোমার আশায় বাবুই বাসায় ছানাগুলো সব কিচকিচ করে দিনমান তোমার জন্যই ভিঞ্চি বাবু মোনালিসার আঁচল ছেড়ে এঁকেছে উড়োযান। তোমার কায়া নীল রাত্রি, লালচাঁদ টিপ, সাগরে সফেন ঢেউ। তোমার জন্যই পথ দেখাতে বনানীর এই গহন প্রান্তে সাঁঝবাতি […]
স্বপ্নভ্রমণ
এই হাত ধরো, আমরা নক্ষত্রপথে হেঁটে বেড়াই, মেঘমহলে বিচরণ করি পৃথিবীর বৃহত্তম জলরাশির ওপর দিয়ে হেঁটে যাই, এই হাত ধরো মুহূর্তে স্বপ্নভ্রমণে বেরিয়ে পড়ি। একটু উষ্ণতা দাও ঝমঝম বৃষ্টি হয়ে ঝরি, একবার সঞ্চায়িত করো স্পর্শের বিদ্যুৎপ্রবাহ আমি মূলসুদ্ধ কেঁপে উঠি, অর্ধেক এখানে রাখি অর্ধেক আকাশে উড়াই; এই হাত ধরো আমি হই জাদুমন্ত্র, আমি হই ম্যাজিক […]

