-কাল বিকেলে
তোমার ঘাড়ে চিবুক রেখে প্রকান্ড
বাঘ কি খুঁজছিল
দেখতে পেলে ?
-জানি জানি,
খুঁজছিল তার সুখের নদীর উৎস
এবং পারাপারের
শেষ পারানি ।
-সমস্ত রাত
নিজের বুকের পাথর খুঁড়ে বইয়েছে
কাল ক্ষতিকারক
জলপ্রপাত ।
-লক্ষী সোনা,
আমি তোমার আমি তোমার রৌদ্রছায়ায় সর্বক্ষণই
সঙ্গে হাঁঠি
সমুদ্রতীর কষ্ট দিলেই বিছোই বালির
শীতল পাটি
বুকের কাছে নেই তবুও তোমার
বুকেই বসতবাটি
ভুল করো না ।
Related Articles
বিলাপ
যদি যেতো এইসব উপখ্যান ঐখানেই ছেড়ে আসা হতো যেখানে তার সৃষ্টি! সৃষ্টি, কখনও থামেনা পথ বানায়, তাড়িয়ে বেড়ায় পরিণতি চায়, কখনও হারায় না পরিণতি, শুদ্ধ কি অশুদ্ধ কি আসে যায় প্রত্যুষের ধূপকাঠি, বেলা শেষে আগ্নেয়গিরি অনুভূমিক! নদী বৃষ্টির এই দেশ, এই মন দহনে, ক্ষরণে ও ধারণে আজ ক্রন্দসী অরণ্য.. মানিতা মিতু ঢাকা, মে […]
সরোদ বাজাতে জানলে
আমার এমন কিছু দুঃখ আছে যার নাম তিলক কামোদ এমন কিছু স্মৃতি যা সিন্ধুভৈরবী জয়জয়ন্তীর মতো বহু ক্ষত রয়ে গেছে ভিতর দেয়ালে কিছু কিচু অভিমান ইমনকল্যাণ। সরোদ বাজাতে জানলে বড় ভালো হতো। পুরুষ কিভাবে কাঁদে সেই শুধু জানে। কার্পেটে সাজানো প্রিয় অন্তঃপুরে ঢুকে গেছে জল। মুহুর্মুহু নৌকাডুবি, ভেসে যায় বিরুদ্ধ নোঙর। পৃথিবীর যাবতীয় প্রেমিকের সপ্তডিঙা […]
কখনো চোখের জল
কখনো চোখের জল ফেলতে নেই ভাতের থালায় তাহলে সে-জল গিয়ে শ্রীভগবানের হাতে পড়ে হাতে ফোস্কা পড়ে যায়, তিনিও তো খেতে বসেছেন তাঁর সেদিন খাওয়া হয় না। তিন দিন হাতে ব্যথা থাকে। শ্রমভাগ্যে যা এসেছে দুমুঠো চারমুঠো তাতে খুশি থাকতে হয় খুশি যদি না-ও থাকি তবুও ভাতের সামনে বসে অন্তত ভাতের সামনে বসে আর অভিযোগ করতে […]

