-কাল বিকেলে
তোমার ঘাড়ে চিবুক রেখে প্রকান্ড
বাঘ কি খুঁজছিল
দেখতে পেলে ?
-জানি জানি,
খুঁজছিল তার সুখের নদীর উৎস
এবং পারাপারের
শেষ পারানি ।
-সমস্ত রাত
নিজের বুকের পাথর খুঁড়ে বইয়েছে
কাল ক্ষতিকারক
জলপ্রপাত ।
-লক্ষী সোনা,
আমি তোমার আমি তোমার রৌদ্রছায়ায় সর্বক্ষণই
সঙ্গে হাঁঠি
সমুদ্রতীর কষ্ট দিলেই বিছোই বালির
শীতল পাটি
বুকের কাছে নেই তবুও তোমার
বুকেই বসতবাটি
ভুল করো না ।
Related Articles
জ্বর
স্মৃতিতে সর্বাঙ্গ জ্বলে একশ পাঁচ ডিগ্রী ঘোর জ্বর। টালমাটাল ঝড় ঘুষি মারে হাড়ে মাসে ব্রক্ষ্মতালু রক্তকণিকায় যেন তাকে ছিড়েখুড়ে অন্য কিছু বানাবে এখুনি। হঠাৎ হরিণ হয়ে হয়তো সে ছুটে যাবে বহুদূর বাঘ-ডোরা বনে তুমুল আগুন জ্বেলে পলাশ যেখানে যজ্ঞ করে। নিজের বিবিধ টুকরো জুড়ে জাড়ে হয়তো বা হলুদ শালিক অর্জুন গাছের সাদা থামে যেতে যেতে […]
নীরা ও জীরো আওয়ার
এখন অসুখ নেই, এখন অসুখ থেকে সেরে উঠে পরবর্তী অসুখের জন্য বসে থাকা। এখন মাথার কাছে জানলা নেই, বুক ভরা দুই জানলা, শুধু শুকনো চোখ দেয়ালে বিশ্রাম করে, কপালে জলপট্টির মতো ঠাণ্ডা হাত দূরে সরে গেছে, আজ এই বিষম সকালবেলা আমার উত্থান নেই, আমি শুয়ে থাকি, সাড়ে দশটা বেজে যায়। প্রবন্ধ ও রম্যরচনা, অনুবাদ, পাঁচ […]
শ্বাস-শিক্ষা
হ্যাঁ, ঠিক এইভাবে শ্বাস নিন। আস্তে। বুক ভরে। হ্যাঁ, এক থেকে পাঁচ গুনে গুনে। শ্বাস নিন। ভাবুন জগতে যত বৃক্ষ যত সমুদ্র বাতাস সৌরকর তার সম্মিলিত শক্তি আমার ভিতরে এসে যাক। এক থেকে পাঁচ গুনে গুনে বুক খালি করে সব শ্বাস ছেড়ে দিন এইবার। বলুন, সমস্ত দূর্বলতা চলে যাক। যাক হ্যাঁ নিন, এভাবে শ্বাস, হ্যাঁ […]

