কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে
গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও
কতবার যে আমি সে কথা বলিনি
সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য
দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম
আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ
‘এই ওঠো,
আমি, আ…মি…।‘
আর অমি এ-কী শুনলাম
এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে
কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে
কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য,
আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য,
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।
Related Articles
সবুজ দেবকন্যা
ওঃ তু্ই-ই তাহলে সেই সুন্দরী দেবকন্যা তুলুজ লত্রেক র্যাঁবো ভেরলেন বদল্যার ভ্যান গঘ মদিগলিয়ানি আরো কে কে পড়েছি কৈশোরে, কোমর আঁকড়ে তোর চলে যেত আলো নেশা আলো আরো মিঠে ঝলমলে বিভ্রমের মাংস মেজাজি রঙে বড় বেশি সাজুগুজু-করা মেয়েদের নাচে স্পন্দনের ছাঁদ ভেঙে আলতো তুলে নিত মোচড়ানো সংবেদন কাগজে ক্যানভাসে অ্যামস্টারডাম শহরের ভিড়েঠাসা খালপাড়ে হাঁ […]
টিভিতে লেনিনের মূর্তি অপসারনের দৃশ্য দেখে
এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান, না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা, কাকে ছুঁড়ে ফেলে। এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই, মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে এমনকি ফেলে না চোখের জল যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা; বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ বড়ো অবিম্বাসী বলে […]
নিশির ডাক
নিশির ডাক শুনে মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল, এখন আবার খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায় একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার ঘরে ফিরে আসছে। ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের ভাষাহীন চাউনি দেখেই বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল, তা ওরা পায়নি। মাথা নিচু করে ওরা […]

