কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে
গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও
কতবার যে আমি সে কথা বলিনি
সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য
দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম
আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ
‘এই ওঠো,
আমি, আ…মি…।‘
আর অমি এ-কী শুনলাম
এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে
কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে
কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য,
আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য,
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।
Related Articles
আমি চলে যাচ্ছি
জয় করবার মতো একটি মনও যখন আর অবশিষ্ট নেই, তখন আমার আর বসে থেকে কী প্রয়োজন? আমি যাই। তোমরা পানপাত্র হাতে হোয়াং হো রেস্তোঁরার নির্জনতায় মৃদু আলোর নিচে বসে মৃদুলের গান শোনো, আমি যাই। মহাদেব-নীলা-অসীম-অঞ্জনা-কবীর-বদরুন আমি যাই, ইয়াহিয়া, আমি চললাম। এই-যে নাসরিন, আমি আসি। যদি কোনোদিন এই রাত্রি ভোর হয়, যদি কখনো আবার সূর্য ওঠে […]
কালের কলস
অনিচ্ছায় কতকাল মেলে রাখি দৃশ্যপায়ী তৃষ্ণার লোচন ক্লান্ত হয়ে আসে সব, নিসর্গও ঝরে যায় বহুদূর অতল আঁধারে আর কী থাকলো তবে হে নীলিমা, হে অবগুণ্ঠন আমার কাফন আমি চাদরের মতো পরে কতদিন আন্দোলিত হবো কতকাল কতযুগ ধরে দেখবো, দেখার ভারে বৃষের স্কন্ধের মতো নুয়ে আসে রাত্রির আকাশ? কে ধারালো বর্শা হেনে অসংখ্য ক্ষতের সৃষ্টি করে […]
বলছিলাম কী
বলছিলাম- না, থাক্ গে| যা হচ্ছে হোক, কে খণ্ডাবে লেখা থাকলে ভাগ্যে| পাকানো জট, হারানো খেই, চতুর্দিকের দৃষ্যপট এখনও সে-ই– শক্ত করে আঁকড়ে-ধরা চেয়ারের সেই হাতল| বিষম ভয়, কখন হয় ক্ষমতার হাতবদল| বলছিলাম– না, থাক্ গে! কী আসে যায় হাতে নাতে প্রমাণ এবং সাক্ষ্যে| মোড়লেরা ব্যস্ত বেজায় যে যার কোলে ঝোল টানতে| সারটা দেশ হাপিত্যেশে, […]

