কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে
গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও
কতবার যে আমি সে কথা বলিনি
সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য
দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম
আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ
‘এই ওঠো,
আমি, আ…মি…।‘
আর অমি এ-কী শুনলাম
এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে
কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে
কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য,
আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য,
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।
Related Articles
সঙ্গতি
(আমিয় চক্রবর্তী, শ্রদ্ধাস্পদেষু) বন্য শূকর খুঁজে পাবে প্রিয় কাদা মাঝরাঙা পাবে আন্বেষনের মাছ, কালো রাতগুলো বৃষ্টিতে হবে শাদা ঘন জঙ্গলে ময়ুর দেখাবে নাচ প্রেমিক মিলবে প্রেমিকার সাথে ঠিক-ই কিন্তু শান্তি পাবে না, পাবে না, পাবে না… একাকী পথিক ফিরে যাবে তার ঘরে শূন্য হাঁড়ির গহ্বরে আবিরত শাদা ভাত ঠিক উঠবেই ফুটে তারাপুঞ্জের মতো, পুরোনো গানের […]
প্রজাপতি প্রজন্মের নারী তুই চিত্রাঙ্গদা দেব
রবীন্দ্রনাথ, এটা কিন্তু ভালো হচ্ছে না চিত্রাঙ্গদা বলছিল আপনি প্রতিদিন ওকে রুকে নিচ্ছেন আপনাকে সাবান মাখাবার জন্য বুড়ো হয়েছেন বলে আপনি নাকি একা বাথরুমে যেতে ভয় পান আর হাতও পৌঁছোয়নাকো দেহের সর্বত্র চুলে শ্যাম্পু-ট্যাম্পু করা পোশাক খুললে আসঙ্গ-উন্মুখ নীল প্রজাপতি ওড়ে ওরই শরীর থেকে আর তারা আপনার লেখা গান গায় এটা আপনি কী করছেন […]
তুমি অথবা তোমার ছায়া
এখন আমি ধরতে পারি আকাশ, হাত বাড়ালেই চাঁদ ছোঁয়া যায়, মেঘের বাড়ির উঠোনজুড়ে বিছিয়ে রাখা শীতল পাটি উল্টে দিয়ে ভিজতে পারি, তাম্রলিপি পড়তে পারি চশমা ছাড়াই, ফুঁ দিয়ে ঢেউ তুলতে পারি নীল সাগরে, হাত দিলে সব কুঁড়িগুলো ফুল হয়ে যায় বাগানজুড়ে, এখন আমি পড়তে পারি তোমার দু’চোখ। তুমি আমার শপথনামায় সই করেছো, ভয় কি আমার? […]

