কতবার যে আমি তোমোকে স্পর্শ করতে গিয়ে
গুটিয়ে নিয়েছি হাত-সে কথা ঈশ্বর জানেন।
তোমাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়েও
কতবার যে আমি সে কথা বলিনি
সে কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
তোমার হাতের মৃদু কড়ানাড়ার শব্দ শুনে জেগে উঠবার জন্য
দরোজার সঙ্গে চুম্বকের মতো আমি গেঁথে রেখেছিলাম
আমার কর্ণযুগল; তুমি এসে আমাকে ডেকে বলবেঃ
‘এই ওঠো,
আমি, আ…মি…।‘
আর অমি এ-কী শুনলাম
এমত উল্লাসে নিজেকে নিক্ষেপ করবো তোমার উদ্দেশ্যে
কতবার যে এরকম একটি দৃশ্যের কথা আমি মনে মনে
কল্পনা করেছি, সে-কথা আমার ঈশ্বর জানেন।
আমার চুল পেকেছে তোমার জন্য,
আমার গায়ে জ্বর এসেছে তোমার জন্য,
আমার ঈশ্বর জানেন- আমার মৃত্যু হবে তোমার জন্য।
তারপর অনেকদিন পর একদিন তুমিও জানবে,
আমি জন্মেছিলাম তোমার জন্য। শুধু তোমার জন্য।
Related Articles
কাজী নজরুল ইসলাম এর শেষ ভাষন
বন্ধুগণ, আপনারা যে সওগাত আজ হাতে তুলে দিলেন, আমি তা মাথায় তুলে নিলুম। আমার সকল তনু-মন-প্রান আজ বীণার মত বেজে উঠেছে। তাতে শুধু একটি মাত্র সুর ধ্বনিত হয়ে উঠেছে- “আমি ধন্য হলুম”, “আমি ধন্য হলুম”। আমায় অভিনন্দিত আপনারা সেই দিনই করেছেন, যেদিন আমার লেখা আপনাদের ভাল লেগেছে। বিংশ শতাব্দীর অসম্ভবের সম্ভাবনার যুগে আমি জন্ম গ্রহণ […]
কথোপকথন-১৪
-দেখ, অনন্তকাল ঝিঁ ঝিঁ পোকার মতো আমরা কথা বলছি অথচ কোন কথাই শেষ হলো না এখনও। একটা লাল গোলাপের কান্নার গল্পো শোনাবে বলেছিলে কবে বলবে ? -চলো উঠি । বড্ডো গরম এখানে । -দেখ,অনন্তকাল শুকনো বাশপাতার মতো আমরা ঘুরছি অথচ কেউ কাউকে ছুঁতে পারলুম না এখনো । একটা কালো হরিণকে কোজাগরী উপহার দেওয়ার কথা ছিল […]
পালের নাও
পালের নাও, পালের নাও, পান খেয়ে যাও – ঘরে আছে ছোট বোনটি তারে নিয়ে যাও। কপিল-সারি গাইয়ের দুধ যেয়ো পান করে’ কৌটা ভরি সিঁদুর দেব কপালটি ভরে’! গুয়ার গায়ে ফুল চন্দন দেব ঘসে’ ঘসে’, মামা-বাড়ীর বলব কথা শুনো বসে বসে! কে যাওরে পাল ভরে’ কোন্ দেশে ঘর পাছা নায়ে বসে আছে কোন্ সওদাগর? কোন্ দেশে […]

