শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার
জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা
ভূবন পেরিয়ে আসা, শুধু কবিতার জন্য
অপলক মুখশ্রীর শান্তি একঝলক;
শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী, শুধু
কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘে গাঙ্গেয় প্রপাত
শুধু কবিতার জন্য, আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়।
মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা, মুধু কবিতার
জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি।
Related Articles
তুই?
সোঁদা ঘামের গন্ধ জড়িয়ে ছিল আষ্ঠেপৃষ্ঠে, তুই ছিলি! বাইরে তখন বালক বাতাস উড়িয়ে দিচ্ছে ধুলো। বন্ধ চোখে এগিয়ে দিয়েছিলি ভেজা ঠোঁট, এলোমেলো চুল করে, আবার গোছানো, আদু কন্ঠে ‘এমনটাই থেকো’ তুই ছিলি! আজো আমি একই আছি। তুই?
যেভাবে সে এলো
৪৭. যেভাবে সে এলো অসম্ভব ক্ষুধা ও তৃষ্ণা ছিলো, সামনে যা পেলো খেলো, যেন মন্বন্তরে কেটে যাওয়া রজতজয়ন্তী শেষে এসেছে সে, সবকিছু উপাদেয় মুখে। গাভিন ক্ষেতের সব ঘ্রাণ টেনে নিলো, করুণ কার্নিশ ঘেঁষে বেড়ে ওঠা লকলকে লতাটিও খেলো, দুধাল গাভীটি খেলো খেলো সব জলের কলস। শানে বাধা ঘাট খেলো সবুজের বনভূমি খেলো উদাস আকাশ খেলো […]
সাবধান
আমি সেই মানুষ, আমাকে চেয়ে দ্যাখো আমি ফিরে এসেছি আমার কপালে রক্ত; বাষ্প-জমা গলায় বাস-ওল্টানো ভাঙা রাস্তা দিয়ে ফিরে এলাম- আমি মাছহীন ভাতের থালার সামনে বসেছি আমি দাঁড়িয়েছি চালের দোকানের লাইনে আমার চুলে ভেজাল তেলের গন্ধ আমার নিশ্বাস-। রাস্তায় একটা বাচ্চা ছেলে বমি করলো আমি ওর মৃত্যুর জন্য দায়ী- পিছনের দরজায় বস্তাভর্তি টাকা ঘুষ নিচ্ছিল […]

