ধারা বয়ে যায়
ঝর ঝর ঝরে বাদলের ধারা
অবিরাম বৃষ্টিতে কাঁপছে সৃষ্টি
শরীর আমার ঘন ঘন শিহরীত
কখনোবা জলের আঙুল
কে যেন ছোঁয়ালো পিঠে।
আমি বলে উঠি_
কে তুমি অদেখা, কুয়াশায় লেখা
বাড়াও একটি হাত।
চারদিকে কালো, সন্ধ্যা ঘনালো
মনে হয় বুঝি রাত।
ফোঁটায় ফোঁটায় জল তরঙ্গ
পাতায় পাতায় ঝরে_
শুধু মনে হয়, ধারা বয়ে যায়
জল পড়ে পাতা নড়ে।
এতো প্রকৃতির সিক্ত হওয়ার
আসক্তি চিরদিন।
জলের ভেতর জল মিশে যায়
কে যেন বাজায় বীণ।
সিক্ত তারের ঝংকারে বাজে
রক্তের রিন রিন।
Related Articles
যাতায়াত
৪৪. যাতায়াত কেউ জানে না আমার কেন এমন হলো। কেন আমার দিন কাটে না রাত কাটে না রাত কাটে তো ভোর দেখি না কেন আমার হাতের মাঝে হাত থাকে না কেউ জানেনা। নষ্ট রাখীর কষ্ট নিয়ে অতোটা পথ একলা এলাম পেছন থেকে কেউ বলেনি করুণ পথিক দুপুর রোদে গাছের নিচে একটু বসে জিরিয়ে নিও, কেই […]
বুকের মধ্যে বাহান্নটা আলমারি
বুকের মধ্যে বাহান্নটা মেহগনি কাঠের আলমারি। আমার যা কিছু প্রিয় জিনিস, সব সেইখানে। সেই সব হাসি, যা আকাশময় সোনালী ডানার ওড়াওড়ি সেই সব চোখ, যার নীল জলে কেবল ডুবে মরবার ঢেউ সেই সব স্পর্ম, যা সুইচ টিপলে আলোর জ্বলে ওঠার মতো সব ঐ আলমারির ভিতরে। যে সব মেঘ গভীর রাতের দিকে যেতে যেতে ঝরে পড়েছে […]
ভাঙাভাঙি
সে এসে সমস্ত ভেঙে দিয়ে গেল বিকেল বেলায়। ইটের পাঁজার মতো থরে থরে সাজানো সুখের সাঁচীসত’প ভেঙে দিয়ে গেল। বুকের নিভৃত কোণে স্থাপত্যের এবং সি’তির কোনারক ভেঙে দিয়ে গেল। চুরমার শব্দে পাখি উড়ে গেল বৃক্ষলতা ছেড়ে নদী মুখ লুকোলো বালিতে। এত ভাঙাভাঙি এত টুকরো টুকরো কাঁচ, রক্তকণা কুঁচি কুঁচি ছেঁড়া পাপড়ি, পেরেক, আলপিন আমি একা […]


