ধারা বয়ে যায়
ঝর ঝর ঝরে বাদলের ধারা
অবিরাম বৃষ্টিতে কাঁপছে সৃষ্টি
শরীর আমার ঘন ঘন শিহরীত
কখনোবা জলের আঙুল
কে যেন ছোঁয়ালো পিঠে।
আমি বলে উঠি_
কে তুমি অদেখা, কুয়াশায় লেখা
বাড়াও একটি হাত।
চারদিকে কালো, সন্ধ্যা ঘনালো
মনে হয় বুঝি রাত।
ফোঁটায় ফোঁটায় জল তরঙ্গ
পাতায় পাতায় ঝরে_
শুধু মনে হয়, ধারা বয়ে যায়
জল পড়ে পাতা নড়ে।
এতো প্রকৃতির সিক্ত হওয়ার
আসক্তি চিরদিন।
জলের ভেতর জল মিশে যায়
কে যেন বাজায় বীণ।
সিক্ত তারের ঝংকারে বাজে
রক্তের রিন রিন।
Related Articles
স্বাধীনতা তুমি
স্বাধীনতা তুমি রবিঠাকুরের অজর কবিতা, অবিনাশী গান। স্বাধীনতা তুমি কাজী নজরুল ঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো মহান পুরুষ, সৃষ্টিসুখের উল্লাসে কাঁপা- স্বাধীনতা তুমি শহীদ মিনারে অমর একুশে ফেব্রুয়ারির উজ্জ্বল সভা স্বাধীনতা তুমি পতাকা-শোভিত শ্লোগান-মুখর ঝাঁঝালো মিছিল। স্বাধীনতা তুমি ফসলের মাঠে কৃষকের হাসি। স্বাধীনতা তুমি রোদেলা দুপুরে মধ্যপুকুরে গ্রাম্য মেয়ের অবাধ সাঁতার। স্বাধীনতা তুমি মজুর যুবার রোদে […]
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতট
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতট অন্যটিতে আরম্ভের ডানা ছড়ানো ঈগল ছোঁ মেরে ওঠে আবার, তার নখে সরীসৃপ পায়ের গোছে শিকল একটি শুভ আরম্ভের মাঙ্গলিক ঘট ঘটের নীচে সাপের চোখ, মণি বুড়ো আঙুল কেটে দেওয়ার পরেও বাকি থাকে কলম, তর্জনী মাটির কান, মাটির নীচে রক্ত চলাচল– ভূর্গভের হৃদয় নড়ে–ওষ্ঠ? নড়ে তা-ও! দুঃখ তার কণ্ঠা ক্ষুর দিয়ে ফাঁক করেছে–খাও
বিবাহের আগে শেষ দেখা
একসময় মনে হত কোনওদিন তোমাকে পাব না একসময় মনে হত ইচ্ছে করলেই পাওয়া যায় আজকে শেষবার আমি তোমাকে পেলাম কালকের পর থেকে আমাকে নেবে না আর তুমি দুপুর ফুরিয়ে এল। এইবার ফিরে আসবে বাড়ির সবাই। আর একবার, আর একবার, এসো__ প্রথম দিনের মতো আবার পুড়িয়ে করো ছাই!



