অন্ধকারের মাঝে আমায় ধরেছ দুই হাতে।
কখন্ তুমি এলে, হে নাথ, মৃদু চরণপাতে?।
ভেবেছিলেম, জীবনস্বামী, তোমায় বুঝি হারাই আমি–
আমায় তুমি হারাবে না বুঝেছি আজ রাতে ॥
যে নিথীথে আপন হাতে নিবিয়ে দিলেম আলো
তারি মাঝে তুমি তোমার ধ্রুবতারা জ্বালো।
তোমার পথে চলা যখন
ঘুচে গেল, দেখি তখন
আপনি তুমি আমার পথে লুকিয়ে চল সাথে ॥
রাগ: অজ্ঞাত
তাল: অজ্ঞাত
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ):১৩১৭
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ১৯১০
Related Articles
প্রভাতী
ভোর হলো দোর খোলো খুকুমণি ওঠ রে! ঐ ডাকে যুঁই-শাখে ফুল-খুকি ছোটরে! রবি মামা দেয় হামা গায়ে রাঙা জামা ঐ, দারোয়ান গায় গান শোন ঐ, রামা হৈ!’ ত্যাজি নীড় করে ভিড় ওড়ে পাখি আকাশে এন্তার গান তার ভাসে ভোর বাতাসে। চুলবুল বুলবুল শিস্ দেয় পুষ্পে, এইবার এইবার খুকুমণি উঠবে! খুলি হাল তুলি পাল ঐ তরী […]
কবিতা বিলাস
পাতার পর পাতা উলটে যাই হিজিবিজি কালো পিঁপড়ের জঙ্গল। মস্তিষ্কের চারপাশে গভীর পরিখা, অনধিকার প্রবেশ নিষেধ। অথৈ জলে নাকানিচোবানি হারিয়ে যাওয়া শব্দের সন্ধানে। কাঁঠাল পাতার আঁঠার অন্বেষণ জুড়ে নিতে চাই আধ পোড়া কবিতার ছাই। করনসুধায় টালমাটাল ব্যাকরণ অশিক্ষিতের কবিতা বিলাস এ ছেদবিন্দু।
মনে পড়ে
শুধু ঝড় বাদলের দিনে নয় অন্য সময়েও তার কথা মনে পড়ে। সে হয়তো এখনো একাকী কিংবা তাকে ঘিরে আছে স্বজন সংসার। সে হয়তো ভালো আছে, ভালোই রয়েছে। তবু ঝড় বাদলের দিনে, শুধু ঝড় বাদলের দিনে নয় অন্য সময়েও; তার কথা মনে পড়ে। বৃষ্টি ও মেঘের মধ্যে, চাঁদ ও জ্যোৎস্নার মধ্যে ভোরবেলা অমল আলোয় তাকে যখন […]

