এ নৌকো ময়ূরপঙ্খী
তীর্থযাত্রী
ব্যাঁটরা থেকে যাবে হরিদ্বার
এই গাধা যেদিকে দুচোখ যায় যায়
যাযাবর
ঘাট বা আঘাটা যেখানে যেমন বোঝে
ঘুরতে চাই গর্দভের পিঠে
মাথায় কাগুজে টুপি মুখে চুনকালি
পিছনে ভিড়ের হল্লা
Related Articles
কবিতা মুর্তিমতী
শুয়ে আছে বিছানায়, সামনে উম্মুক্ত নীল খাতা উপুড় শরীর সেই রমণীর, খাটের বাইরে পা দু’খানি পিঠে তার ভিজে চুল, এবং সমুদ্রে দু’টি ঢেউ ছায়াময় ঘরে যেন কিসের সুদন্ধ, – জানায় রৌদ্র যেন জলকণা, দূরে নীল নক্ষত্রের দেশ। কী লেখে সে, কবিতা? না কবিতা রচনা করে তাকে? সে বড় অসি’র, তার চোখে বড় বেশী অশ্রু আছে […]
কথোপকথন-১৮
হ্যালো, হ্যালো কখন আসছ তুমি ? কোথায় মেঘ ? কোথাও মেঘ নেই । হ্যালো,হ্যালো,বৃষতি যদি নামে ? ভিজবে,হ্যালো ভিজবো,অনায়াসে গাছপালারা যেমন করে ভেজে ভিজলে তৃণ রাজার ছেলে হয় হ্যালো,হ্যালো বলছি ভিজবো জলে ভেজা মাঠির গন্ধ হবে তুমি আমি তাতে ছড়াবো ডালপালা। শুনতে পাচ্ছো ? হ্যালো হ্যালো হ্যালো বেরিয়ে পড়,আকাশে রামধনু উঠবে,হ্যালো উঠবে এবার রোদ রোদের […]
দ্বারভাঙা জেলার রমণী
হাওড়া ব্রীজের রেলিং ধরে একটু ঝুঁকে দাঁড়িয়েছিল দ্বারভাঙা জেলা থেকে আসা টাট্কা রমনী ব্রীজের অনেক নিচে জল, সেখানে কোনো ছায়া পড়ে না কিন্তু বিশাল এক ভগবতী কুয়াশা কলকাতার উপদ্রুত অঞ্চল থেকে গড়িয়ে এসে সভ্যতার ভূমধ্য অরিন্দে এসে দাঁড়ালো সমস্ত আকাশ থেকে খসে পড়লো ইতিহাসের পাপমোচানবারী বিষণ্ণতা ক্রমে সব দৃশ্য, পথ ও মানুষ মুছে যায়, কেন্দ্রবিন্দুতে […]
