সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ?
সে কথা বলিনি৷
বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন
উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ?
আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে
আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ?
শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে
দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান
আর দ্যাখো,
ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে
সব প্রতিরোধ ভেঙে গেলে
কোনো সূচনা, প্রবাহ থাকবে না?
বলেছিলাম, বজ্র-ভরা দিনগুলো আবার ফিরে আসুক, স্রোতের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই
Related Articles
জীবন একটি নদীর নাম
জীবন একটি নদীর নাম, পিতামাতার ঐ উঁচু থেকে নেমে-আসা এক পাগলা ঝোরা— ক্রমশ নিম্নাভিমুখী; পাথুরে শৈশব ভেঙে কৈশোরের নুড়িগুলি বুকে নিয়ে বয়ে চলা পরিণামহীন এক জলধারা— গাঙ্গেয় ব-দ্বীপে বেলে-এঁটেল-দোআঁশ মাটি ভেঙে-ভেঙে সামনে চলা এক ক্ষুদ্র স্রোতস্বিনী; এই বয়ে চলা পথে বিভিন্ন বৃক্ষের সঙ্গে চলে দ্বিরালাপ; একবার এক বৃদ্ধ অশ্বথের সঙ্গে হয় তার অল্পক্ষণ স্থায়ী আদাব-সালাম […]
কবিতার কসম খেলাম
১৬. কবিতার কসম খেলাম আমি আর আহত হবো না, কোনো কিছুতেই আমি শুধু আর আহত হবো না। যে নদী জলের ভারে হারাতো প্লাবনে এখন শ্রাবণে সেই জলের নদীর বুকে জলাভাবে হাহাকার দেখে আমি আহত হবো না। সবুজ সবুজ মাঠ চিরে চিরে কৃষকের রাখালের পায়ে গড়া দু’পায়া পথের বুকে আজ সেই সরল সুন্দর সব মানুষের চিতা […]
তমসার তীরে নগ্ন শরীরে
চিত্ত উতলা দশদিকে মেলা সহস্র চোখ আমাকে এবার ফিরিয়ে নেবার জন্য এসেছে? আর দুটো দিন করুণ রঙিন পথ ঘুরে দেখা হবে না আমার? পুরোনো জামার ছিঁড়েছে বোতাম? তমসার তীরে নগ্ন শরীরে দাঁড়ালাম আমি পাশে নেই আর মায়া-সংসার আকাশে অশনি নদীটি এখন বড় নির্জন জলে শীত ছোঁওয়া কে জানে কোথায় ন্যায়-অন্যায় সহসা লুকালো এক অঞ্জলি জল […]

