সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ?
সে কথা বলিনি৷
বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন
উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ?
আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে
আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ?
শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে
দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান
আর দ্যাখো,
ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে
সব প্রতিরোধ ভেঙে গেলে
কোনো সূচনা, প্রবাহ থাকবে না?
বলেছিলাম, বজ্র-ভরা দিনগুলো আবার ফিরে আসুক, স্রোতের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই
Related Articles
কথোপকথন-১০
16 Kothopokothon 3 -কাল বাড়ি ফিরে কী করলে ? – কাঁদলাম । তুমি ? -লিখলাম । – কবিতা ? কই দেখাও । লিখেই কুঁচিকুঁচি । -কেন ? – আমার আনন্দের ভিতরে অনর্গল কথা বলছিল আর্তনাদ আর্তনাদের ভিতরে গুনগুন গলা ভাঁজছিল অদ্ভুত এক শান্তি আর শান্তির ভিতরে সমুদ্রের সাঁই সাঁই ঝড় । যে-সব অক্ষর লিখলেই লাল […]
ধন্যবাদ মেঘমালা
কোন নক্ষত্র ভেজা রাতে, তোমার কাজল রাঙ্গা চোখ বেয়ে যেন আরো আধাঁর নামে। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যায় চেনা ঝি ঝির ডাকে, আধ-খোলা জানাল দিয়ে আসা জ্যোৎস্নার কয়েকবিন্দু আলোয়, আর কাঁচের চুড়ির রুনুঝুনু শব্দে। তুমি অর্ধ জাগ্রত, কিছুটা অপ্রস্তুত শাড়ি বাঁ পাশে সরে যাওয়া টিপ আর বুকের ভাঁজে তিল। হঠাৎ বৃষ্টি নামে, তোমার বৃষ্টির জলে ভেজা […]
মামার বাড়ি
আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা, ফুল তুলিতে যাই ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। মামার বাড়ি পদ্মপুকুর গলায় গলায় জল, এপার হতে ওপার গিয়ে নাচে ঢেউয়ের দল। দিনে সেথায় ঘুমিয়ে থাকে লাল শালুকের ফুল, রাতের বেলা চাঁদের সনে হেসে না পায় কূল। আম-কাঁঠালের বনের ধারে মামা-বাড়ির ঘর, আকাশ হতে জোছনা-কুসুম ঝরে মাথার পর। রাতের বেলা […]

