সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ?
সে কথা বলিনি৷
বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন
উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ?
আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে
আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ?
শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে
দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান
আর দ্যাখো,
ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে
সব প্রতিরোধ ভেঙে গেলে
কোনো সূচনা, প্রবাহ থাকবে না?
বলেছিলাম, বজ্র-ভরা দিনগুলো আবার ফিরে আসুক, স্রোতের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই
Related Articles
প্রজাপতি ঢুকেছে ভিতরে
সেই কবে বাল্যকালে বৃষ্টি হয়েছিল সেই কবে বৃষ্টিজলে ভিজেছিল লাজুক কদম সেই কবে কদমের ডালে এক পাখি বসেছিল সেই পাখি বলেছিলপৃথিবীর ভিতরে আরেক গর্ভকেশরের মতো গোপনীর পৃথিবী রয়েছে সেই পৃথিবীর খোঁজে চাঁদ সদাগর ঝড়ে-জলে ডুবে যাবে জেনেও নিজের নৌবহর সমুদ্রে ভাসিয়েছিল, ঘর পোড়া আগুনের মতো সাদা ফেনা সেই ফেনা পুষেছিল বড় বড় রাঘব বোয়াল সেই […]
তোষণ
মানবতার শিশু আজ কেঁদে কেটে মরে নিভৃতে কাঁদে বিচারের বাণী আফ্রিকা থেকে এশিয়া পর্যন্ত শকুনী দৃষ্টি দেয় বিশ্বকর্মারা মুখে তাদের ভালোবাসার ফুলঝুরি অন্তরে বিষ। তাদের কথা মত তুর্কি নাচন নাচে আর কুম্ভকর্ণের মত ঘুমিয়ে থাকে আমাদের কর্তারা সামনে হাটু গেড়ে বসে থাকে নিষ্কর্মা পীর-পুরোহিত। (কবিতাটি ‘শব্দনীড় এবং প্রথমআলো ব্লগে প্রকাশিত)
নারীর অস্ত্র
বিশ্বাসকে হতে দাও আমার ঢাল আনন্দকে আমার তুখোড় যুদ্ধাশ্ব ভয়ঙ্কর অই দানবটির নিদারুণ ক্রোধের প্রচণ্ড গৃধ্নুতা ও লোভের হাত হতে আমাকে মুক্ত হতে দাও অন্ধকারের দুর্গ থেকে আমার যৌবনের তরবারি দিয়ে এ-ফোঁড় ও-ফোঁড় সদা সত্যের সামর্থ্য, তেজ আর শক্তিশালী পরাক্রমে।

