জন্মান্ধ বললে ভুল হবে৷ ইদানীং আমার চোখ
ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে
বাতাস কি মুখরিত, আর্তনাদে?
সঞ্জয়, যুদ্ধের গতি কোন দিকে?
পাণ্ডবরা কী রচনা করেছে বূ্হ্য? অর্জুণ কী এখনো
কুরুক্ষেত্রে?
কোন্ মন্ত্রবলে প্রতিপক্ষ দুর্জয়, সঞ্জয়?
বলো, তবে কী শূন্য হাতে কেবলি বিলাপ, আমার? গর্ভগৃহে
পালিয়ে জীবন? না-কি
অন্ধতাই জীবন, করুণাঘন মৃত্যু?
Related Articles
কথোপকথন-৩৬
তুমিই আমার ধ্বংস হবে তা জানলে এমন করে কি ভাসাতাম ডিঙ্গি নৌকা? ভাসাতাম? তুমি চলে যাবে সমুদ্রে আগে বলনি তাহলে কি গায়ে মাখাতাম ঝড়-ঝঞ্ঝা? মাখাতাম? নুড়িতে-পাথরে নুপুর বাজিয়ে ছোট জলরেখা ছিলে দুই হাত দিয়ে ধরেছি। ধরা দিয়েছ। এখন দুকুল ভরেছে প্রবাহে প্লাবনে উচু মাস্তুলে জাহাজ এসেছে ডাকতে। ওকে সাড়া দাও।।
পুনশ্চ সোনার তরী
আকাশ আড়াল করা মেঘ, আষাঢ়ের জলভারে নত। সদ্য ফোঁটা পদ্ম সরোভর-, নদী-নালা,খাল-বিল যতদূর চোখ যায়, একাকার সমুদ্রের মতো । সুমিষ্টসুবর্ণফলে পূর্ণ জন্মভুমি; এ এক মধুর ঋতু! নামটাও ভারী সুন্দর,বর্ষা। আম-জাম-কাঁঠালের পর্সা। জন্মসুত্রে এ ঋতু আমার। ভরা নদী ক্ষুরধারা,খরপরশা।
ঢিল
দেখলুম তোকে মধ্যবয়সিনী মাটি থেকে পাথর-টুকরো তুলে বোরখা থেকে মুখ বের করে তুই ছোঁড়ার জন্য একটু হেলেছিলি কপালে রেখায় জমা ঘৃণা চিবুকে কাঁপছে তোর ক্রোধ জীবনে প্রথমবার পথে নেমেছিস যে-ইঁট ছুঁড়বি তুই তার তো কারণ অনেক উদ্দেশ্য বিশাল ওই একটি ঢিল ছুঁড়ে ভাঙছিস তোর চারিদকে তোলা রাষ্ট্রের পুরুষালি সমাজ ও ধর্ম ইত্যাদির প্রাকার পরিখা ঘেরাটোপে […]

