বুঝি তোমার চাউনি বুঝি
থাকবে না আর গলিঘুঁজি
থাকবে না আর ছাউনি আমার কোথাও
ও প্রমোটার ও প্রমোটার
তোমার হাতে সব ক্ষমতার
দিচ্ছি চাবি, ওঠাও আমায় ওঠাও |
তুমিই চিরনমস্য, তাই
তোমার পায়ে রত্ন জোটাই
তোমার পায়েই বিলিয়ে দিই শরীর—
যাঁর যা খুশি বলুন তিনি
করবে তুমি কল্লোলিনী
ভরসা কেবল কলসি এবং দড়ির |
আমার বলে রইলো শুধু
বুকের ভেতর মস্ত ধু ধু
দিয়েছি সব যেটুকু ছিল দেবার
ঘর ছেড়ে আজ বাইরে আসি
আমরা কজন অন্তেবাসী
শবসাধনার রাত কাটাব এবার |
Related Articles
সীমাদের বাড়ি
আমাকে বসিয়ে রেখে যে যে পথে পারছে লুকিয়ে দেখছে, আমি লোকটি কেন অলীক আশায় বসে আছি পথে৷ অথচ, সে যে, লুকিয়ে আছে, তিনি যে লুকিয়ে আছেন আমার আশায়, আমি যে আছি, তাহার মধ্যহৃদে, তিনি একথা জেনেও না জানার ভান করে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছেন, আমি সীমাকে কখনো কোনোদিন তাদের শালগাড়িয়ার নীল বাড়িটিতে যাবো, কি, না৷ ইতিপূর্বে […]
অস্পষ্ট স্টেশন
আমি সারা জীবন একটা স্টেশনের জন্য ধাবমান গাড়ির জানালায় বসে থাকি। বাইরে কত গ্রাম আর চাষা জমির চলচ্চিত্র। কুয়াশার ভেতর মানুষের অস্পষ্ট নড়াচড়া। ভোরের মসজিদ থেকে বেরিয়ে আসা কর্মনিপুণ কিষানের মেহেদিরাঙা দাড়ির মতো ভেজা বাতাস। আর সদ্য দুইয়ে নেওয়া গাভীর বাঁটের মতো হাল্কা মেজাজের বাংলাদেশ। আমি সব পেরিয়ে যাচ্ছি। প্রতিটি স্টেশন আমার চেনা। আখ মাড়াইয়ের […]
অথচ
তোমাকে দেখে অবাক হয়ে যাই বারবার। এত আক্রমণ পরস্পরবিরোধী এত শোকমিছিলের মধ্যেও কী অনায়াসে বুনে যাচ্ছ লাল পশমের শৃঙ্খলা। উদ্ভিদের চেয়ে নীরব, ছাপানো মহাভারতের চেয়ে উদাসীন। অথচ পিছনের দেয়ালেই রক্তছাপ অথচ বুকের শাড়ি সরালেই অনাবৃষ্টির চৌচির।

