বুঝি তোমার চাউনি বুঝি
থাকবে না আর গলিঘুঁজি
থাকবে না আর ছাউনি আমার কোথাও
ও প্রমোটার ও প্রমোটার
তোমার হাতে সব ক্ষমতার
দিচ্ছি চাবি, ওঠাও আমায় ওঠাও |
তুমিই চিরনমস্য, তাই
তোমার পায়ে রত্ন জোটাই
তোমার পায়েই বিলিয়ে দিই শরীর—
যাঁর যা খুশি বলুন তিনি
করবে তুমি কল্লোলিনী
ভরসা কেবল কলসি এবং দড়ির |
আমার বলে রইলো শুধু
বুকের ভেতর মস্ত ধু ধু
দিয়েছি সব যেটুকু ছিল দেবার
ঘর ছেড়ে আজ বাইরে আসি
আমরা কজন অন্তেবাসী
শবসাধনার রাত কাটাব এবার |
Related Articles
মেশোমশায় পর্ব
যুধিষ্ঠির আববে পাণ্ডবের বাচ্চা যুধিষ্ঠির বহুতল বাড়ি থেকে নেবে আয় গলির মোড়েতে নিয়ায় ল্যাংবোট কৃষ্ণ ভীম বা নকুল কে কে আছে পেটো হকিস্টিক ক্ষুর সোডার বোতল ছুরি সাইকেল চেন বলেদে দ্রৌপদীকে আলসে থেকে ঝুঁকে দেখেনিক আমার সঙ্গে আজ কেউ নেই কিছু নেই ধৃষ্টদ্যুম্ন দুর্যোধন নেই তোদেরই অঙ্গুলিহেলনে কেটে তর্জনীও দিয়েছি শৈশবে দাঁড়াচ্ছি পা-ফাঁক করে দন্তস্ফূট […]
কথোপকথন-১৩
‘-তোমার মধ্যে অনন্তকাল বসবাসের ইচ্ছে তোমার মধ্যেই জমিজমা ঘরবাড়ি, আপাতত একতলা হাসছো কেন? বলো হাসছো কেন? -একতলা আমার একবিন্দু পছন্দ নয়। সকাল সন্ধে চাঁদের সঙ্গে গপ্পো গুজব হবে তেমন উঁচু না হলে আবার বাড়ি নাকি? -আচ্ছা তাই হবে। চাঁদের গা ছুঁয়ে বাড়ি, রহস্য উপন্যাসের মত ঘোরানো প্যাঁচানো সিঁড়ি…’
পৈতৃক আঙন
গোধূলিগগনে মেঘে ঢেকেছিল তারা, যুদ্ধ ছাড়াই ধ্বংসাবশেষে বাস তোমাকে দেখলে মনে হয় আজীবন বাস্তুহারা, শূন্যতার ভিতরে হিংসতার সন্ত্রাস প্রণয়বশে কিছুই দেবে না জন্মের দেশ, কেটে যায় বেলা, সূর্যাস্তে আকাশকুসুমচয়ন বহমান রক্ত যখন নিঃশেষ ভস্মের ভিতরে মাতৃভূমি, পৈতৃক আঙন জার্মানিপ্রবাসী

