বাবুরাম সাপুড়ে,
কোথা যাস্ বাপুরে?
আয় বাবা দেখে যা,
দুটো সাপ রেখে যা—
যে সাপের চোখ্ নেই,
শিং নেই, নোখ্ নেই,
ছোটে না কি হাঁটে না,
কাউকে যে কাটে না,
করে নাকো ফোঁস্ ফাঁস্,
মারে নাকো ঢুঁশ্ঢাঁশ,
নেই কোনো উৎপাত,
খায় শুধু দুধ ভাত,
সেই সাপ জ্যান্ত
গোটা দুই আন্ত!
তেড়ে মেরে ডাণ্ডা
ক’রে দিই ঠাণ্ডা৷
Related Articles
কবি-রাণী
তুমি আমায় ভালোবাসো তাই তো আমি কবি। আমার এ রূপ-সে যে তোমায় ভালোবাসার ছবি।। আপন জেনে হাত বাড়ালো- আকাশ বাতাস প্রভাত-আলো, বিদায়-বেলার সন্ধ্যা-তারা পুবের অরুণ রবি,- তুমি ভালোবাস ব’লে ভালোবাসে সবি? আমার আমি লুকিয়েছিল তোমার ভালোবাসায়, তুমিই আমার মাঝে আসি’ অসিতে মোর বাজাও বাঁশি, আমার পূজার যা আয়োজন তোমার প্রাণের হবি। আমার বাণী জয়মাল্য, রাণি! […]
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি
কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি, কালো তারে বলে গাঁয়ের লোক। মেঘলাদিনে দেখেছিলেম মাঠে কালো মেয়ের কালো হরিণ-চোখ। ঘোমটা মাথায় ছিলনা তার মোটে, মুক্তবেণী পিঠের ‘পরে লোটে। কালো? তা সে যতই কালো হোক, দেখেছি তার কালো হরিণ-চোখ। ঘন মেঘে আঁধার হল দেখে ডাকতেছিল শ্যামল দুটি গাই, শ্যামা মেয়ে ব্যস্ত ব্যাকুল পদে কুটির হতে ত্রস্ত এল তাই। আকাশ-পানে […]
মাটির হাতে
এ কোন্ যন্ত্রণা দিবসে, আর এ কোন্ যন্ত্রণা রাতে; আকাশী স্বপ্ন সে ছুঁয়েছে তার মাটিতে গড়া দুই হাতে। বোঝেনি, রাত্রির ঝোড়ো হাওয়ায় যখন চলে মাতামাতি, জ্বলতে নেই কোনো আকাঙ্ক্ষায় জ্বালাতে নেই মোমবাতি। ভেবেছে, সবখানে খোলা দুয়ার দ্যাখেনি দেয়ালের লেখা; এবং বোঝেনি যে বারান্দার ধারেই তার সীমারেখা। তবু সে গিয়েছিল বারান্দায়, কাঁপেনি তবু তার বুক; তবু […]

