কে তুমি খুঁজিছ জগদীশ ভাই আকাশ পাতাল জুড়ে’
কে তুমি ফিরিছ বনে-জঙ্গলে, কে তুমি পাহাড়-চূড়ে?
হায় ঋষি দরবেশ,
বুকের মানিকে বুকে ধ’রে তুমি খোঁজ তারে দেশ-দেশ।
সৃষ্টি রয়েছে তোমা পানে চেয়ে তুমি আছ চোখ বুঁজে,
স্রষ্টারে খোঁজো-আপনারে তুমি আপনি ফিরিছ খুঁজে!
ইচ্ছা-অন্ধ! আঁখি খোলো, দেশ দর্পণে নিজ-কায়া,
দেখিবে, তোমারি সব অবয়বে প’ড়েছে তাঁহার ছায়া।
শিহরি’ উঠো না, শাস্ত্রবিদের ক’রো না ক’ বীর, ভয়-
তাহারা খোদার খোদ্ ‘ প্রাইভেট সেক্রেটারী’ ত নয়!
সকলের মাঝে প্রকাশ তাঁহার, সকলের মাঝে তিনি!
আমারে দেখিয়া আমার অদেখা জন্মদাতারে চিনি!
রত্ন লইয়া বেচা-কেনা করে বণিক সিন্ধু-কুলে-
রত্নাকরের খবর তা ব’লে পুছো না ওদের ভুলে’।
উহারা রত্ন-বেনে,
রত্ন চিনিয়া মনে করে ওরা রত্নাকরেও চেনে!
ডুবে নাই তা’রা অতল গভীর রত্ন-সিন্ধুতলে,
শাস্ত্র না ঘেঁটে ডুব দাও, সখা, সত্য-সিন্ধু-জলে।
Related Articles
কেরানিও দৌড়ে ছিল
১৭. জীবন কী? মৃত্যুই বা কী? জীবন তো বেঁচে থাকা। অবিরাম বেঁচে থাকার চেষ্টা। আর মৃত্যু? কারো জন্যে চিতার আগুন, কারো জন্যে মাটির ঘর। আহা, তখন তাহারা আপনাকে লইয়া যাইবে। কবরে শোয়াইয়া রাখিবে। তারপর তাহারা আপনাকে মাটির অন্ধকার ঘরে রাখিয়া চলিয়া যাইবে। চলি্লশ কদম দূরে তাহারা চলিয়া গেলেই কবরে আসিবে ফেরেশতা। পুছ করিবে_ বোল তেরা […]
কথোপকথন-৭
তোমার চিঠি আজ বিকেলের চারটে নাগাদ পেলাম। দেরী হলেও জবাব দিলে সপ্তকোটি সেলাম। আমার জন্যে কান্নাকাটি? মনকে পাথর বানাও। চারুলতা আসছে আবার। দেখবে কিনা জানাও। কখন কোথায় দেখা হচ্ছে লেখোনি এক ফোঁটাও। পিঠে পরীর ডানা দিলে এবার হাওয়ায় ছোটাও। আসবে কি সেই রেস্টুরেন্টে সিতাংসু যার মালিক? রুপোলী ধান খুঁটবে বলে ছটফটাচ্ছে শালিক।
বশীকরণ মন্ত্র
যা বৃষ্টি তুই যা, আরে দুর্ভিক্ষকে খা, আরে মেয়ের ঊরু বুকের শুরু, বিড়াল ধ’রে খা। নিতম্বে যে নতুন রাষ্ট্র রাজদ্রোহীর হা ওদের কাছে নগ্ন হয়ে আর তো পারি না, যা বৃষ্টি তুই যা।


