ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও
প্রথমে পোঁড়াও ওই পা দুটি
যা ছলৎ শক্তি হীন ।
তারপর যে হাতে আজ প্রেম পরিচ্ছন্নতা কিছু নেই
এখন বাহুর ফাদে ফুলের বর
এখন কাঁধের পরে দায়িত্বহীনতা
ওদের পুঁড়িয়ে
এসো , এসো হৃদয়ের কাছে
দাঁড়াও লহমা।
তারপর ,ধংস করো
সত্য মিথ্যা রঙ্গে
শীতে স্তব্ধ জ্ঞান পীট ।
রক্ষা করো, রক্ষা করো দুটি চোখ
হয়ত তাদের এখনো দেখার কিছু কিছু বাকী আছে ।
অশ্রুপাত শেষ হলে , নষ্ট করো আঁখি ।
কুঁড়িয়ো না ফুলো মালা
স্তবক সুগন্ধে আলু থালু প্রিয়কর স্পর্শ
ওর গায়ে লেগে আছে
গঙ্গা জ্বলে ভেসে যেতে দিও ওকে মুক্ত ,স্বেচ্ছাচারী
ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও ।
কবিতাটি শুনুন এখানে
Related Articles
পাহাড়, নদী ও সূর্যের গল্প
যে নদী পাহাড়ের বুকে বরফ হয়ে জমে থাকে, সে জানে না সমুদ্রের কী রূপ, যতদিন না পাহাড় তাকে ঝরণাধারায় ঝরিয়ে নদীর মত বইয়ে দেয়। অথচ সমুদ্র অবগাহনে সেই নদীই ভুলে যায় পাহাড়ের ঠিকানা! নদীর এ শঠতা সহ্য করতে পারে না সূর্য ! তাই সে নদীকে মেঘের ভেলায় ভাসিয়ে আবার বৃষ্টি রূপে পাহাড়ের বুকে ফিরিয়ে দেয়! […]
বর্ষার দিনে
এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়! এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে তপনহীন ঘন তমসায়। সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারি ধার। দুজনে মুখোমুখি গভীর দুখে দুখি, আকাশে জল ঝরে অনিবার। জগতে কেহ যেন নাহি আর। সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি […]
দ্রোহ
এ নৌকো ময়ূরপঙ্খী তীর্থযাত্রী ব্যাঁটরা থেকে যাবে হরিদ্বার এই গাধা যেদিকে দুচোখ যায় যায় যাযাবর ঘাট বা আঘাটা যেখানে যেমন বোঝে ঘুরতে চাই গর্দভের পিঠে মাথায় কাগুজে টুপি মুখে চুনকালি পিছনে ভিড়ের হল্লা

