ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও
প্রথমে পোঁড়াও ওই পা দুটি
যা ছলৎ শক্তি হীন ।
তারপর যে হাতে আজ প্রেম পরিচ্ছন্নতা কিছু নেই
এখন বাহুর ফাদে ফুলের বর
এখন কাঁধের পরে দায়িত্বহীনতা
ওদের পুঁড়িয়ে
এসো , এসো হৃদয়ের কাছে
দাঁড়াও লহমা।
তারপর ,ধংস করো
সত্য মিথ্যা রঙ্গে
শীতে স্তব্ধ জ্ঞান পীট ।
রক্ষা করো, রক্ষা করো দুটি চোখ
হয়ত তাদের এখনো দেখার কিছু কিছু বাকী আছে ।
অশ্রুপাত শেষ হলে , নষ্ট করো আঁখি ।
কুঁড়িয়ো না ফুলো মালা
স্তবক সুগন্ধে আলু থালু প্রিয়কর স্পর্শ
ওর গায়ে লেগে আছে
গঙ্গা জ্বলে ভেসে যেতে দিও ওকে মুক্ত ,স্বেচ্ছাচারী
ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও ।
কবিতাটি শুনুন এখানে
Related Articles
বইতে পারো আর?
মনে পড়ে? সেইসব চেতাবনি? উন্মুখর দিন? যা-কিছু ঘটেছে তার কিছুই নতুন নয়, সবেরই সংকেত ছিল চেনা তুমি শুধু দেখেও দেখোনি কিংবা জেনেও জানোনি রেখাগুলি। কতবার কানে কানে জপেছি বলো তো শোনো একবার দেখো চক্রবাল একবার মুখোমুখি হও জলাধারে দর্পের মহিমা নিয়ে তুমি সরে গেছ শুধু দূরে শুনেও শোনোনি কোনো কথা। আমাকে যে তুচ্ছ করো এ […]
নতুন সংসার
জীবনের বোঝা কাঁধে প্রতিদিন পথ চলি আমি; জীবনটা দামি নয়, মনে হয় বোঝাটাই জীবনের চেয়ে ঢের দামি! কেউ কেউ প্রশ্ন করে, কত এই বোঝার ওজন? নিরুত্তর পথ চলি, পথে পথে সঙ্গী অগণন। নগর পেরিয়ে যাই, পেয়ে যাই শালতমালের পর বুড়ো বটমূল, সূর্যাস্তের পরপারে সুদূরে মিলিয়ে যাই কাশ-শাদা চুল। নিজেকে দেখতে গিয়ে ছুঁয়ে দেখি আপন সুরত, […]
উলঙ্গ রাজা
সবাই দেখছে যে, রাজা উলঙ্গ, তবুও সবাই হাততালি দিচ্ছে। সবাই চেঁচিয়ে বলছে; শাবাশ, শাবাশ! কারও মনে সংস্কার, কারও ভয়; কেউ-বা নিজের বুদ্ধি অন্য মানুষের কাছে বন্ধক দিয়েছে; কেউ-বা পরান্নভোজী, কেউ কৃপাপ্রার্থী, উমেদার, প্রবঞ্চক; কেউ ভাবছে, রাজবস্ত্র সত্যিই অতীব সূক্ষ্ম , চোখে পড়ছে না যদিও, তবু আছে, অন্তত থাকাটা কিছু অসম্ভব নয়। গল্পটা সবাই জানে। কিন্তু […]

