ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও
প্রথমে পোঁড়াও ওই পা দুটি
যা ছলৎ শক্তি হীন ।
তারপর যে হাতে আজ প্রেম পরিচ্ছন্নতা কিছু নেই
এখন বাহুর ফাদে ফুলের বর
এখন কাঁধের পরে দায়িত্বহীনতা
ওদের পুঁড়িয়ে
এসো , এসো হৃদয়ের কাছে
দাঁড়াও লহমা।
তারপর ,ধংস করো
সত্য মিথ্যা রঙ্গে
শীতে স্তব্ধ জ্ঞান পীট ।
রক্ষা করো, রক্ষা করো দুটি চোখ
হয়ত তাদের এখনো দেখার কিছু কিছু বাকী আছে ।
অশ্রুপাত শেষ হলে , নষ্ট করো আঁখি ।
কুঁড়িয়ো না ফুলো মালা
স্তবক সুগন্ধে আলু থালু প্রিয়কর স্পর্শ
ওর গায়ে লেগে আছে
গঙ্গা জ্বলে ভেসে যেতে দিও ওকে মুক্ত ,স্বেচ্ছাচারী
ও চির প্রনম্য অগ্নি আমাকে পোড়াও ।
কবিতাটি শুনুন এখানে
Related Articles
মানুষের সঙ্গে কোনো বিরোধ নেই
না, মানুষের সঙ্গে আমার আর কোনো বিরোধ নেই এখন পাওনাদার দুর্ঘটনায় পড়লে তাকে নিয়ে যেতে পারি হাসপাতাল প্রাক্তন প্রেমিকার স্বামীর কাছ থেকে অনায়াসে চাইতে পারি চার্মিনার দাড়ি গজানোর মতো অনায়াসে এ-জীবনে আমি রামকৃষ্ণের কালীপ্রেমে আমি দেখি সার্বভৌম যৌনশক্তি বাবলিদের স্বামীপ্রেমে দেখি সার্বজনীন যৌনসুখ একটি চটি হারিয়ে গেলে আমি কি না, মানুষের সঙ্গে আমার বিরোধ নেই […]
আমি ভাবি
যখন তুমি ট্যাক্সিতে উঠে চলে যাও আমি দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে তোমার চলে যাওয়া দেখি দূরত্ব বাড়িয়ে তুমি চলে যাও আমি হাত বাড়িয়ে দূরত্ব কমাতে কমাতে তোমার দিকে যাই তবু দূরত্ব কমে না ভালোবাসা কি দূরত্ব, ভালোবাসা কি চলে যাওয়া আমার চোখে দূরত্ব কমে না কুয়াশায় ভরে যায় চারদিক পৃথিবীর সব কান্না শিশির হয়ে জমতে থাকে […]
মাতৃভূমির জন্য
আমার বয়স তখন কতোই বা ! চার কিংবা পাঁচ। অথচ আমার স্মৃতিকে আজও অন্ধকার করে দেয় সেই সময়ের এক রাশ কালো ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে পাকিয়ে যে ধোঁয়া- আকাশে মিলিয়ে যাচ্ছিল, আমাদের বাড়ির শেষপ্রান্তে বুড়ো বটগাছটার নিচে দাঁড়িয়ে সবাই ভিড় করে সেই ধোঁয়া দেখছিল, আমিও মায়ের কোলে চড়ে সেই ধোঁয়া দেখছিলাম, সবাই আতঙ্কে ‘রায়ট লাগছে, রায়ট […]

