নদীর জলে আগুন ছিল
আগুন ছিল বৃষ্টিতে
আগুন ছিল বীরাঙ্গনার
উদাস করা দৃষ্টিতে।
আগুন ছিল গানের সুরে
আগুন ছিল কাব্যে,
মরার চোখে আগুন ছিল
এ কথা কে ভাববে ?
কুকুর-বেড়াল থাবা হাঁকায়
ফোঁসে সাপের ফণা
শিং কৈ মাছ রুখে দাঁড়ায়
জ্বলে বালির কণা।
আগুন ছিল মুক্তিসেনার
স্বপ্ন-ঢলের বন্যায়-
প্রতিবাদের প্রবল ঝড়ে
কাঁপছিল সব অন্যায়।
এখন এসব স্বপ্নকথা
দূরের শোনা গল্প,
তখন সত্যি মানুষ ছিলাম
এখন আছি অল্প।
Related Articles
জীবনানন্দের সাথে জোছনায়
জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ, সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন, নিড়ানি দাও, সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে। আমি বললাম, চাবিটা দিন এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে, হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই, পকেট থেকে রুমাল বের করে তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন বনলতার প্রেম। […]
ভুলে যাব না
চায়ের দোকান। তুমুল তর্কে চিড় খাচ্ছে টেবিল। হঠাৎ আওয়াজ। মাটিতে পা; হাত আকাশে। মিছিল। দৃষ্টি বদল। হাতে বেঁধেছ হাত। করেছ ঋণী। ভুলে যাইনি। ভুলে যাব না জীবনে কোনদিনই।। পাড় ভাঙছে। ছইয়ের ভেতর আলো দুলছে। হাওয়া। সকাল বেলায় ডাঙায় পৌঁছে বন্দরে চা খাওয়া। গলা মিলিয়ে গেয়েছি গান__ ‘মা’ আমার বন্দিনী’। ভুলে যাইনি। ভুলে যাব না জীবনে […]
ছায়ার জন্য
গাছের ছায়ায় বসে বহুদিন, কাটিয়েছি কোনোদিন ধন্যবাদ দিইনি বৃক্ষকে এখন একটা কোনো প্রতিনিধি বৃক্ষ চাই যাঁর কাছে সব কৃতজ্ঞতা সমীপেষু করা যায়। ভেবেছি অরণ্যে যাব-সমগ্র সমাজ থেকে প্রতিভূ বৃক্ষকে খুঁজে নিতে সেখানে সমস্তক্ষণ ছায়া সেখানে ছায়ার জন্য কৃতজ্ঞতা নেই সেখানে রক্তিম আলো নির্জনতা ভেদ করে খুঁজে নেয় পথ মুহূর্তে আড়াল থেকে ছুঠে আসে কপিশ হিংস্রতা […]

