আপন আলোয় আমি নেমে আসি তোমার দক্ষিণে
যেমন সূর্যাস্ত এসে ঘিরে নেয় মন্দির, বটতলা
গ্রামান্তে মন্থর দিন নতজানু নদীর কিনারে
এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা।
যদি বলো ব্যক্তিগত, তবে তাই; এরই তো বীজের মধ্যে দশ দিক ঘুরে আসা
নিজেরই ধরনে আমি তাপ রেখে সবার দুহাতে
‘ভালো আছো? বন্ধু, ভালো আছো?’
অনেকেই ভালো নেই, ফিরে চলে আসি সংগোপনে।
নির্জন মন্দির খোলা, পায়ে উড়ে পড়ে শীর্ণ পাতা
আমার অস্ফুট আভা অন্ধকার তোমার অন্দরে
সমস্ত আকাশ আজ তাপ রেখে গেছে ওই দেহে
এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা।
Related Articles
একটি সংলাপ
মেয়ে: তুমি কি চাও আমার ভালবাসা ? ছেলে: হ্যাঁ, চাই ! মেয়ে: গায়ে কিন্তু তার কাদা মাখা ! ছেলে: যেমন তেমনিভাবেই চাই । মেয়ে: আমার আখেরে কী হবে বলা হোক । ছেলে: বেশ! মেয়ে: আর আমি জিগ্যেস করতে চাই । ছেলে: করো । মেয়ে: ধরো’ আমি কড়া নাড়লাম । ছেলে: আমি হাত ধরে ভেতরে নিয়ে […]
রাডার
৪৯. রাডার একটা কিছু করুন। এভাবে আর কদিন চলে দিন ফুরালে হাসবে লোকে দুঃসময়ে আপনি কিছু বলুন একটা কিছু করুন। চতুর্দিকে ভালোবাসার দারুণ আকাল খেলছে সবাই বেসুর-বেতাল কালো-কঠিন-মর্মান্তিক নষ্ট খেলা, আত্মঘাতী অবহেলো নগর ও গ্রাম গেরস্থালি বনভূমি পাখপাখালি সব পোড়াবে, সময় বড়ো দ্রুত যাচ্ছে ভাল্লাগে না ভাবটা ছেড়ে সত্যি এবার উঠুন একটা কিছু করুন। দিন […]
রাশিয়ার চিঠি-১০
D. “Bremen” বিজ্ঞানশিক্ষায় পুঁথির পড়ার সঙ্গে চোখের দেখার যোগ থাকা চাই, নইলে সে শিক্ষার বারো-আনা ফাঁকি হয়। শুধু বিজ্ঞান কেন, অধিকাংশ শিক্ষাতেই এ কথা খাটে। রাশিয়াতে বিবিধ বিষয়ের ম্যুজিয়মের যোগে সেই শিক্ষার সহায়তা করা হয়েছে। এই ম্যুজিয়ম শুধু বড়ো বড়ো শহরে নয়, প্রদেশে প্রদেশে, সামান্য পল্লীগ্রামের লোকেরও আয়ত্তগোচরে। চোখে দেখে শেখার আর-একটা প্রণালী হচ্ছে ভ্রমণ। […]

