আপন আলোয় আমি নেমে আসি তোমার দক্ষিণে
যেমন সূর্যাস্ত এসে ঘিরে নেয় মন্দির, বটতলা
গ্রামান্তে মন্থর দিন নতজানু নদীর কিনারে
এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা।
যদি বলো ব্যক্তিগত, তবে তাই; এরই তো বীজের মধ্যে দশ দিক ঘুরে আসা
নিজেরই ধরনে আমি তাপ রেখে সবার দুহাতে
‘ভালো আছো? বন্ধু, ভালো আছো?’
অনেকেই ভালো নেই, ফিরে চলে আসি সংগোপনে।
নির্জন মন্দির খোলা, পায়ে উড়ে পড়ে শীর্ণ পাতা
আমার অস্ফুট আভা অন্ধকার তোমার অন্দরে
সমস্ত আকাশ আজ তাপ রেখে গেছে ওই দেহে
এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা।
Related Articles
ছায়ার জন্য
গাছের ছায়ায় বসে বহুদিন, কাটিয়েছি কোনোদিন ধন্যবাদ দিইনি বৃক্ষকে এখন একটা কোনো প্রতিনিধি বৃক্ষ চাই যাঁর কাছে সব কৃতজ্ঞতা সমীপেষু করা যায়। ভেবেছি অরণ্যে যাব-সমগ্র সমাজ থেকে প্রতিভূ বৃক্ষকে খুঁজে নিতে সেখানে সমস্তক্ষণ ছায়া সেখানে ছায়ার জন্য কৃতজ্ঞতা নেই সেখানে রক্তিম আলো নির্জনতা ভেদ করে খুঁজে নেয় পথ মুহূর্তে আড়াল থেকে ছুঠে আসে কপিশ হিংস্রতা […]
হে সময়, অশ্বারোহী হও
বিরক্ত নদীর মতো ভুরু কুঁচকে বসে আছে আমাদের কাল। যাচ্ছি যাব, যাচ্ছি যাব এই গড়িমসি করে চূড়ো ভাঙা চাকা ভাঙা রথ যে রকম ঘাড় গুজে ধুলোয় কাতর, সে রকমই শুয়ে বসে আছে। খেয়াঘাটে পারাপার ভুলে-যাওয়া, নৌকার মতন, সময় এখন। মনে হয় সময়ের পায়ে ফুটে গেছে দীর্ঘ পেরেক বা মনসার কাঁটা ছিড়ে গেছে স্ম্যান্ডেলের স্ট্র্যাপ কিংবা […]
কথোপকথন-৬
কালকে এলে না, আজ চলে গেল দিন এখন মেঘলা, বৃষ্টি অনতি দূরে ! ভয়াল বৃষ্টি, কলকাতা ডুবে যাবে । এখনো কি তুমি খুঁজছো নেলপলিশ ? শাড়ি পরা ছিল ? তাহলে এলে না কেন ? জুতো ছেঁড়া ছিল ? জুতো ছেঁড়া ছিল নাকো ? কাজল ছিল না ? কি হবে কাজল পরে তোমার চোখের হরিণকে আমি […]

