আপন আলোয় আমি নেমে আসি তোমার দক্ষিণে
যেমন সূর্যাস্ত এসে ঘিরে নেয় মন্দির, বটতলা
গ্রামান্তে মন্থর দিন নতজানু নদীর কিনারে
এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা।
যদি বলো ব্যক্তিগত, তবে তাই; এরই তো বীজের মধ্যে দশ দিক ঘুরে আসা
নিজেরই ধরনে আমি তাপ রেখে সবার দুহাতে
‘ভালো আছো? বন্ধু, ভালো আছো?’
অনেকেই ভালো নেই, ফিরে চলে আসি সংগোপনে।
নির্জন মন্দির খোলা, পায়ে উড়ে পড়ে শীর্ণ পাতা
আমার অস্ফুট আভা অন্ধকার তোমার অন্দরে
সমস্ত আকাশ আজ তাপ রেখে গেছে ওই দেহে
এই প্রেম, আমাদের ভালোবাসা।
Related Articles
সে কোথায় যাবে
পৌষের পূর্ণিমা রাত ডেকে বললো, যা- সে কোথায় যাবে? নিঝুম মাঠের মধ্যে সে এখন রাজা একা-একা দুন্দুভি বাজাবে? ছিল বটে রৌদ্রালোকে তারও রাজ্যপাট সোনালি কৈশোরে আজ উল্লুকের পাল হয়েছে স্বরাট চৌরাস্তার মোড়ে দাঁতে দাঁত ঘষাঘষি, চোখের টঙ্কার এরকম ভাষা সে শেখেনি, তাই এই রূপকথায় তার জন্ম কীর্তিনাশা! গায়ে সে মেখেছে ধুলো, গূঢ় ছদ্মবেশে বোবা ভ্রাম্যমাণ […]
কী যেন নেই, এলোমেলো সব…
জানো ? আজ রাতটা ভীষণ কাঙাল ভীষণ জেদি, সহস্র আক্ষেপ জমে আছে মখমলের আকাশে । কিসের যেন যন্ত্রণা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত বোঝা যায় না, অগোছালো ভীষণ ! কী যেন নেই ! কী যেন নেই ! বুকের ভেতরে যে অন্ধ কুঠিরে সময়ের বসবাস সেটা আজ জীবন্ত শ্মশানের মত, শুধুই হাহাকার, বিলাপ, চিৎকারের কারুকার্য মাখা নকল সুখ […]
অনিন্দিতার জন্যে আরো একটি
আমি হবো একটি প্রজাপতি, মাঠে মাঠে ঘুরব খানিক, ক্ষণিকের করব আরতি, সূর্যাস্তের করব বন্দনা। তারপর হারাব আনমনা। আমি হবো একটি মাছরাঙা, গাছে গাছে উড়ব খানিক, দেখব পুকুর আর ডাঙা আনন্দিত দুপুর-রোদ্দুরে। তারপর উড়ে যাব দূরে। কত প্রজাপতি, পাখি এলো। আমাদের ব্যাপ্ত পৃথিবীতে। কিছুক্ষণ থেকে-চলে গেল। কে তাদের, বলো, মনে রাখে? তোমরাও পাবে না আমাকে।।

