আমার নাইবা হল পারে যাওয়া।
যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥
নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি।
আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥
হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে।
আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া।
কম কিছু মোর থাকে হেথা পুরিয়ে নেব প্রাণ দিয়ে তা।
আমার সেইখানেতেই কল্পলতা যেখানে মোর দাবি-দাওয়া ॥
Related Articles
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে। এ জীবন পুণ্য করো দহন-দানে ॥ আমার এই দেহখানি তুলে ধরো, তোমার ওই দেবালয়ের প্রদীপ করো– নিশিদিন আলোক-শিখা জ্বলুক গানে ॥ আঁধারের গায়ে গায়ে পরশ তব সারা রাত ফোটাক তারা নব নব। নয়নের দৃষ্টি হতে ঘুচবে কালো, যেখানে পড়বে সেথায় দেখবে আলো– ব্যথা মোর উঠবে জ্বলে ঊর্ধ্ব পানে ॥ 06. Aguner […]
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে
চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে। অন্তরে আজ দেখব, যখন আলোক নাহি রে।। ধরায় যখন দাও না ধরা হৃদয় তখন তোমায় ভরা, এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহি রে।। তোমায় নিয়ে খেলেছিলেম খেলার ঘরেতে। খেলার পুতুল ভেঙে গেছে প্রলয় ঝড়েতে। থাক তবে সেই কেবল খেলা, হোক-না এখন প্রাণের মেলা তারের বীণা ভাঙল, হৃদয়-বীণার গাহি রে।।
মাধবী হঠাৎ কোথা হতে এল ফাগুন দিনের স্রোতে
মাধবী হঠাৎ কোথা হতে এল ফাগুন-দিনের স্রোতে। এসে হেসেই বলে, “যা ই যা ই যাই।’ পাতারা ঘিরে দলে দলে তারে কানে কানে বলে, “না না না।’ নাচে তা ই তা ই তাই॥ আকাশের তারা বলে তারে, “তুমি এসো গগন-পারে, তোমায় চা ই চা ই চাই।’ পাতারা ঘিরে দলে দলে তারে কানে কানে বলে, “না না না।’ […]

