আমার নাইবা হল পারে যাওয়া।
যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥
নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি।
আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥
হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে।
আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া।
কম কিছু মোর থাকে হেথা পুরিয়ে নেব প্রাণ দিয়ে তা।
আমার সেইখানেতেই কল্পলতা যেখানে মোর দাবি-দাওয়া ॥
Related Articles
বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা
বহে নিরন্তর অনন্ত আনন্দধারা ॥ বাজে অসীম নভোমাঝে অনাদি রব, জাগে অগণ্য রবিচন্দ্রতারা ॥ একক অখণ্ড ব্রহ্মাণ্ডরাজ্যে পরম-এক সেই রাজরাজেন্দ্র রাজে। বিস্মিত নিমেষহত বিশ্ব চরণে বিনত, লক্ষশত ভক্তচিত বাক্যহারা ॥ Bohe nirontor anondhodhara
হাসি কেন নাই ও নয়নে
হাসি কেন নাই ও নয়নে! ভ্রমিতেছ মলিন-আননে। দেখো, সখী, আঁখি তুলি ফুলগুলি ফুটেছে কাননে॥ তোমারে মলিন দেখি ফুলেরা কাঁদিছে সখী শুধাইছে বনলতা কত কথা আকুল বচনে॥ এসো সখী, এসো হেথা, একটি কহো গো কথা– বলো, সখী, কার লাগি পাইয়াছ মনোব্যথা। বলো, সখী, মন তোর আছে ভোর কাহার স্বপনে॥ রাগ: মিশ্র কাফি তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1288 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1881 hasi-kano-naye-o-naone
তাই তোমার আনন্দ আমার ‘পর
তাই তোমার আনন্দ আমার ‘পর তুমি তাই এসেছ নীচে। আমায় নইলে ত্রিভুবনেশ্বর, তোমার প্রেম হত যে মিছে। আমায় নিয়ে মেলেছ এই মেলা, আমার হিয়ায় চলছে রসের খেলা, মোর জীবনে বিচিত্ররূপ ধরে তোমার ইচ্ছা তরঙ্গিছে। তাই তো তুমি রাজার রাজা হয়ে তবু আমার হৃদয় লাগি ফিরছ কত মনোহরণ-বেশে প্রভু নিত্য আছ জাগি। তাই তো, প্রভু, হেথায় […]

