আমার নাইবা হল পারে যাওয়া।
যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥
নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি।
আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥
হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে।
আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া।
কম কিছু মোর থাকে হেথা পুরিয়ে নেব প্রাণ দিয়ে তা।
আমার সেইখানেতেই কল্পলতা যেখানে মোর দাবি-দাওয়া ॥
Related Articles
যে ছিল আমার স্বপনচারিণী
যে ছিল আমার স্বপনচারিণী তারে বুঝিতে পারি নি। দিন চলে গেছে খুঁজিতে খুঁজিতে॥ শুভক্ষণে কাছে ডাকিলে, লজ্জা আমার ঢাকিলে গো, তোমারে সহজে পেরেছি বুঝিতে॥ কে মোরে ফিরাবে অনাদরে, কে মোরে ডাকিবে কাছে, কাহার প্রেমের বেদনায় আমার মূল্য আছে, এ নিরন্তর সংশয়ে হায় পারি নে যুঝিতে– আমি তোমারেই শুধু পেরেছি বুঝিতে॥ রাগ: ভৈরবী-কীর্তন তাল: দাদরা রচনাকাল […]
ঐ কে আমায় ফিরে ডাকে
ঐ কে আমায় ফিরে ডাকে। ফিরে যে এসেছে তারে কে মনে রাখে। আমি চলে এনু বলে কার বাজে ব্যথা। কাহার মনের কথা মনেই থাকে। আমি শুধু বুঝি সখী, সরল ভাষা, সরল হৃদয় আর সরল ভালোবাসা। তোমাদের কত আছে, কত মন প্রাণ, আমার হৃদয় নিয়ে ফেলো না বিপাকে। OIi ke amay fire Dake
আমার পরান লয়ে
আমার পরান লয়ে কী খেলা খেলাবে ওগো পরানপ্রিয় কোথা হতে ভেসে কূলে লেগেছে চরণমূলে তুলে দেখিয়ো ॥ এ নহে গো তৃণদল, ভেসে আসা ফুলফল– এ যে ব্যথাভরা মন মনে রাখিয়ো ॥ কেন আসে কেন যায় কেহ না জানে। কে আসে কাহার পাশে কিসের টানে। রাখ যদি ভালোবেসে চিরপ্রাণ পাইবে সে, ফেলে যদি যাও তবে বাঁচিবে […]

