একজন দীর্ঘ লোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে —
দিগন্তের দিকে মুখ, পিছনে প্রসিদ্ধ বটচ্ছায়া
কে জানে কোথায় যাবে— কোথা থেকে এসেছে দৈবাৎ-ই
এসেছে বলেই গেলো, না এলে যেতো না দূরে আজ।
সমস্ত মানুষ, শুধু আসে বলে, যেতে চায় ফিরে।
মানুষের মধ্যে আলো, মানুষেরই ভূমধ্য তিমিরে
লুকোতে চেয়েছে বলে আরো দীপ্যমান হয়ে ওঠে —
আশা দেয়, ভাষা দেয়, অধিকন্তু, স্বপ্ন দেয় ঘোর।
যে যায় সে দীর্ঘ যায়, থাকা মানে সীমাবদ্ধ থাকা।
একটা উদাত্ত মাঠে, শিকড়ে কি বসেছে মানুষ-ই?
তখন নিশ্চিতই একা, তার থাকা—তার বর্তমানে,
স্বপ্নহীন, ঘুমহীন— ধূলা ধূম তাকে নাহি টানে।
একজন দীর্ঘলোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে —
এভাবেই যেতে হয়, যেতে পারে মানুষ, মহিষ!
Related Articles
স্বপ্ন, একুশে ভাদ্র
কোন্ দিকে? কোন্ দিকে? আমি চিৎকার করলাম অমনি ভিড়ের ভিতরে একটা মোহর এসে ছিট্কে পড়লো। তৎক্ষণাৎ নৈঋত বাদ দিয়ে সাতদিকে সাতটা রাস্তা খুলে গেল জ্যোৎস্নায় বড় চিত্তহারী সেই পথগুলি এবং জ্যোৎস্নায় ভিড়ের প্রতিটি টুকরো শত শত হুইস্ল বাজিলে ছুটে গেল ব্যক্তিগত পথে পথে। কোন্ দিকে? কোন্ দিকে? আমি তীব্র ধাবমান কয়েকটি কলার চেপে হেঁকে উঠি, […]
সহজ
কেমন সহজ আমি ফোটালাম একলক্ষ ফুল হঠাৎ দিলাম জ্বেলে কয়েকটা সুর্য চাঁদ তারা আবার খেয়াল হলে এক ফুঁয়ে নেভালাম সেই জ্যোৎস্না (মনে পড়ে কোন্ জ্যোৎস্না?) নেভালাম সেই রোদ (তাও মনে পড়ে?) নিন্দুকে নানান কথা আমাকে দেখিয়ে বলবে, বিশ্বাস করো না। হয়তো বলবে শিশু কংবা নির্বোধ অথবা ম্যাজিকওয়ালা- ছেঁড়া তাঁবু ফাটা বজনা, নানান সেলাই করা কালো […]
কথোপকথন-১৫
তরমুজের বাইরেরটা সবুজ ভিতরটা লাল । আচ্ছা বলতো ,কেন মনে পড়লো কথাটা ? পারলে না ? তোমার সবুজ শাড়িটার দিকে তাকিয়ে ।

