স্নান করে উঠে কতক্ষণ
ঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা
মন্দিরের পিছনে পুরনো
বটগাছ। ঝুরি।
ফাটধরা রোয়াকে কুকুর।
অনেক বছর আগে রথের বিকেলে
নৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি যে-দস্যি ছেলেটা
এতক্ষণে, জল থেকে
সে ওঠে, দৌড় মারে, ঝুরি ধরে খুব দোল খায়
সারা গা শ্যাওলায় ভরা, একটা চোখ মাছে খেয়ে গেছে
কেউ তাকে দেখতে পায় না, মন্দিরের মহাদেবও ঢুলছে গাঁজা খেয়ে
সেই ফাঁকে, এরকম দুপুরবেলায়–
সে এসে মায়ের সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা ক’রে যায়।
Related Articles
স্নান
সংকোচে জানাই আজ: একবার মুগ্ধ হতে চাই। তাকিয়েছি দূর থেকে। এতদিন প্রকাশ্যে বলিনি। এতদিন সাহস ছিল না কোনো ঝর্ণাজলে লুণ্ঠিত হবার – আজ দেখি অবগাহনের কাল পেরিয়ে চলেছি দিনে দিনে … জানি, পুরুষের কাছে দস্যুতাই প্রত্যাশা করেছো। তোমাকে ফুলের দেশে নিয়ে যাবে ব’লে যে-প্রেমিক ফেলে রেখে গেছে পথে, জানি, তার মিথ্যে বাগদান হাড়ের মালার মতো […]
উচ্চারণগুলি শোকের
লক্ষি বউটিকে আমি আজ আর কোথাও দেখিনা, হাটি হাটি শিশুটিকে কোথাও দেখিনা, কতগুলি রাজহাঁস দেখি নরম শরীর ভরা রাজহাঁস দেখি, কতগুলি মুখস্থ মানুষ দেখি, বউটিকে কোথাও দেখিনা শিশুটিকে কোথাও দেখিনা ! তবে কি বউটি রাজহাঁস ? তবে কি শিশুটি আজ সবুজ মাঠের সূর্য, সবুজ আকাশ ? অনেক রক্ত যুদ্ধ গেলো, অনেক রক্ত গেলো, শিমুল তুলোর […]
তুমি আজও তুমি
সে কী বিস্ময়! সেই বসন্ত! কী করে ভুলি? অমাবস্যার রাত নাকি সেটা দীর্ঘ চুলই পরণকথার কোনো রূপসীর! আজকাল কারও দেখি না তো চুল দীর্ঘ এতটা— বিস্ময় সে কী! আর সেই চুলে তারার ফোঁটা— কত লক্ষ তা? এক লক্ষই হবে— দাবানল লাগা বনের শিখায় ওড়ে এক কোটি অগ্নিকণা— আমি ভুলব না সে উন্মাদনা! বিস্ময়ে হই এমন […]

