মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের
সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর
ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর
চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার।
আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে
নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো,
আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ
দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ;
তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে?
যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি
বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি
হয়ে উঠেছি যে, আজ থেকে সংক্রান্তি।
সেদিন বাসবে? যেদিন বিপত্তারণে
সময় ফুরোবে দশপ্রহরণধারণের?”
Related Articles
সত্যবদ্ধ অভিমান
এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ আমি কি এ হাতে কোনো পাপ করতে পারি ? শেষ বিকেলের সেই ঝুল বারান্দায় তার মুখে পড়েছিল দুর্দান্ত সাহসী এক আলো যেন এক টেলিগ্রাম, মুহূর্তে উন্মুক্ত করে নীরার সুষমা চোখে ও ভুরুতে মেশা হাসি, নাকি অভ্রবিন্দু ? তখন সে যুবতীকে খুকি বলে ডাকতে ইচ্ছে হয়– আমি ডান হাত তুলি, পুরুষ […]
লালসেলাম হায়
মুখের গহ্বরে এক জান্তব গোঙানি-ডাক চলাফেরা করে জেলহাজতের ভিড়ে ত্রিকালজ্ঞ ভিড় দেখে চমকে উঠি এরা কারা হাতকড়া পরে ঠাঠা হাসে সারাদিন বাইরে যারা রয়ে গেল ঝুঁকিয়ে দাঁতাল মাথা তারাই বা কারা জল্লাদের ছেড়ে-দেয়া নিঃশ্বাস বুক ভরে টানে চাই না এসব ধন্দ মশারি খাটিয়ে বিছানায় সাপ নারীর বদলে নৌকোর গোলুই থেকে ছুরি হাতে জ্যোৎস্নায় […]
একসময় ইচ্ছে জাগে, এভাবেই
একসময় ইচ্ছে জাগে, মেষপালকের বেশে ঘুরিফিরি; অরণ্যের অন্ধকার আদিম সর্দার সেজে মহুয়ার মাটির বোতল ভেঙ্গে উপজাতি রমণীর বল্কল বসন খুলে জ্যোৎস্নায় হাঁটু গেড়ে বসি- আর তারস্বরে বলে উঠি নারী, আমি মহুয়া বনের এই সুন্দর সন্ধ্যায় পাপী, তোমার নিকটে নত, আজ কোথাও লুকানো কোনো কোমলতা নেই, তাই তোমার চোখের নীচে তোমার ভ্রুর নীচে তোমার তৃষ্ণার নীচে […]

