তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
কথোপকথন-৬
কালকে এলে না, আজ চলে গেল দিন এখন মেঘলা, বৃষ্টি অনতি দূরে ! ভয়াল বৃষ্টি, কলকাতা ডুবে যাবে । এখনো কি তুমি খুঁজছো নেলপলিশ ? শাড়ি পরা ছিল ? তাহলে এলে না কেন ? জুতো ছেঁড়া ছিল ? জুতো ছেঁড়া ছিল নাকো ? কাজল ছিল না ? কি হবে কাজল পরে তোমার চোখের হরিণকে আমি […]
সৎপাত্র
শুনতে পেলাম পোস্তা গিয়ে— তোমার নাকি মেয়ের বিয়ে ? গঙ্গারামকে পাত্র পেলে ? জানতে চাও সে কেমন ছেলে ? মন্দ নয় সে পাত্র ভালো রঙ যদিও বেজায় কালো ; তার উপরে মুখের গঠন অনেকটা ঠিক পেঁচার মতন ; বিদ্যে বুদ্ধি ? বলছি মশাই— ধন্যি ছেলের অধ্যবসায় ! উনিশটিবার ম্যাট্রিকে সে ঘায়েল হয়ে থামল শেষে । […]
আজ উৎসব
তুমিই এনেছ ঝঞ্ঝার বেগ তুমিই এনেছ ঝড় তোমার চলনে বলনে কাঁপছে ধরণীটা থরথর খোঁপাভাঙা কেশে মিশে গেছে এসে মহাপ্রলয়ের রব কারা খলখল হাসিতে উজ্জ্বল মানে না কো পরাভব বলে উৎসব আজ উৎসব আজ আমাদের দিন আমাদের হাতে নতুন প্রভাতে আনন্দ সীমাহীন আমরা ছড়াব আলোর রশ্মি প্রভাত বেলার গান আমাদের গান নব আহ্বান জাগুক হাজারো প্রাণ […]

