তোমাদের হাত থেকে টাকা নিই,
বোধ নিই, বিবেক-খচিত এক পিকদানি নিই।
গলা শিরদাঁড়া তাতে ধরে রাখি।
আর শোনো, বিষণ্ণতা ছুঁয়ে থাকি রোজ।
শুধু, যে কদিন জ্বর হয়, মাধুকরী অসমাপ্ত থাকে,
পেটের ভিতরে কেউ কথা বলে।
প্রাথমিক কষ্টটুকু সহ্য হয়ে গেলে ভেদবুদ্ধি মাথা চাড়া দেয়।
বোঝা যায়, আরো বহুদিন তোমাদের উপদংশে চুমু খেতে হবে।
রাত ১২.৫৫ মিনিট
১/৪/৮৫
Related Articles
তোর বহির্মুখ, মুখপুড়ি
তোর বহির্মুখী দেহ, আদরক্লান্ত ঘামে, মুখপুড়ি মেছোমেয়ে আলুথালু মরশুমে, বেড়ে ও ফিকিরহীন, অপপ্রচারে, বুঝলি জাহাজ ভাসাতে চাইছে পিম্পদের ঘোড়েল জোয়ারে ! হাউ সিলি ! নো ? কী বলিস, ডারলিং, সুইটি পাই ? তোর নাব্য নগ্নতা গ্লসি কাগজের চারু মলাটে হেলান দিয়ে পুজো সংখ্যার মোটা বেহেডদের পাশে শুয়ে করছেটা কী ? বল তুই ? তোর কোনো […]
গোধূলির গান
জানি না ক্লান্তির আর্তি ছাড়া অন্য কোনো ধ্বনি ছিল কি না সন্ধ্যার নদীর স্বরে কে যেন মন্ত্রের মতো উচ্চারণ করে কবেকার ভুলে যাওয়া নাম। দেবতার মতো তবু মন্ত্র ছড়ায় প্রাচীন দেবদারুগাছ! একবার ফিরে যাই, ফিরে আসি বধ্যভূমিতে আবার আমার বিপন্ন সংগীত মাড়িয়ে মাড়িয়ে হন্তারকেরা নিরাপদে হেঁটে যায়। এবং হঠাৎ একটি অচেনা পাখি দ্যুলোক-ভূলোকজুড়ে বারবার রটিয়ে […]
মেঘের পরে মেঘ জমেছে
মেঘের পরে মেঘ জমেছে, আঁধার করে আসে- আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। কাজের দিনে নানা কাজে থাকি নানা লোকের মাঝে, আজ আমি যে বসে আছি তোমারই আশ্বাসে। আমায় কেন বসিয়ে রাখ একা দ্বারের পাশে। তুমি যদি না দেখা দাও কর আমায় হেলা, কেমন করে কাটে আমার এমন বাদল-বেলা। দূরের পানে মেলে আঁখি কেবল […]

