কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি
তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই।
ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে।
অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে
এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার
কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এর পচন নেই।
বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না।
রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে।
আমি জানি, মৃতদেহটা আমার।
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন।
আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরে গিয়ে
পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে
টেনে বার করব আমি।
Related Articles
প্রত্যাশা
কারুকে দিয়েছ অকাতরে সব ঢেলে সেও অন্তত কিছু দেবে ভেবেছিলে। অথচ ফক্কা, শূন্যতা নিয়ে একা পড়ে থাকো আর দ্রুত সে পালায় দূরে ভালবেসে কিছু প্রত্যাশা করা ভুল। আলোকিত ঘর হারিয়ে ধরেছ অন্ধকারের খুঁটি যারা যায় তারা হেসে চলে যায়, পেছনে দেখে না ফিরে। তলা ঝেড়ে দিলে, যদিও জোটেনি কানাকড়ি কিছু হাতে তুমি অভুক্ত, অথচ তোমার […]
সমুদ্রকাল
অভিঘাত ভেদ করে কাঠ ও কিউবিকল পলিমার। জভিঘাত ঢেউ জাহাজের খোল ইম্প্যাক্ট জোন। টানা গুঞ্জন সচল ইঞ্জিন রুম। অপার সাগরে মিউজিক সিস্টেম রবীন্দ্রসঙ্গীতঃ ‘কে সে যায় ফিরে ফিরে ব্যাকুল নয়ন নীরে’ অভিঘাত মরণশীল হার্ট বিট। পেট, নোঙ্গর-বন্ধ অধুনা বন্দরে খোল তবুও ঘুরছে ফিরছে ছড়াচ্ছে নোম্যাড মেঘের পুলিশ ওরা খুঁজছে কৃষ্ণগহ্বর দেশ ও কালে […]
একটি বেকার প্রেমিক
চোরাবাজারে দিনের পর দিন ঘুরি | সকালে কলতলায় ক্লান্ত গণিকারা কোলাহল করে, খিদিরপুর ডকে রাত্রে জাহাজের শব্দ শুনি ; মাঝে মাঝে ক্লান্ত ভাবে কী যেন ভাবি— হে প্রেমের দেবতা, ঘুম যে আসে না, সিগারেট টানি ; আর শহরের রাস্তায় কখনো প্রাণপণে দেখি ফিরিঙ্গি মেয়ের উদ্ধত নরম বুক | আর মদির মধ্য রাত্রে মাঝে মাঝে বলি […]


