কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি আমার সামনে দাড়ালেই আমি
তোমার ভিতরে একটা বুনো ঝোপ দেখতে পাই।
ওই ঝোপে একটা মৃতদেহ ঢাকা দেওয়া আছে।
অনেকদিন ধ’রে আছে। কিন্তু আশ্চর্য যে
এই মৃতদেহ জল, বাতাস, রৌদ্র ও সকলপ্রকার
কীট-বীজাণুকে প্রতিরোধ করতে পারে। এর পচন নেই।
বন্য প্রাণীরাও এর কাছে ঘেঁষে না।
রাতে আলো বেরোয় এর গা থেকে।
আমি জানি, মৃতদেহটা আমার।
কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে, এই জারিজুরি এবার ফাঁস হওয়া প্রয়োজন।
আর তা হবেও, যেদিন চার পায়ে গুঁড়ি মেরে গিয়ে
পা কামড়ে ধ’রে, ওটাকে, ঝোপ থেকে
টেনে বার করব আমি।
Related Articles
বাতাসি
“বাতাসি ! বাতাসি !”—লোকটা ভয়ংকর চেঁচাতে চেঁচাতে গুমটির পিছন দিকে ছুটে গেল । ধাবিত ট্রেনের থেকে এই দৃশ্য চকিতে দেখলুম । কে বাতাসি ? জোয়ান লোকটা অত ভয়ংকরভাবে তাকে ডাকে কেন ? কেন হাওয়ার ভিতরে বাবরি-চুল উড়িয়ে পাগলের মতো “বাতাসি ! বাতাসি !” ব’লে ছুটে যায় ? টুকরো টুকরো কথাগুলি ইদানিং যেন বড় বেশি— গোঁয়ার […]
নোট বই
এই দেখো পেনসিল নোটবুক এ হাতে, এই দেখো ভরা সব কিলবিল লেখাতে। ভালো কথা শুনি যেই চটপট লিখি তায়— ফড়িঙের কটা ঠ্যাং, আরশোলা কি কি খায়; আঙুলেতে আঠা দিলে কেন লাগে চটচট কাতুকুতু দিলে গরু কেন করে ছট্ফট। দেখে শিখে পড়ে শুনে বসে মাথা ঘামিয়ে নিজে নিজে আগাগোড়া লিখে গেছি আমি এ। কান করে কট […]
কবি
ওহে দেখতো দেখতো লোকটা চলে যাওয়ার সময় কি রেখে গেল? ভারী লুকনো স্বভাবের ছিল মানুষটা। ঘাড় গুজে, হাঁটু ভেঙে, চোখ জ্বালিয়ে বন-বাদাড়, নুড়ি পাথর, আগুন অন্ধকার, ঘেঁটে ঘেঁটে কী সব কুড়িয়ে বেড়াত দিনরাত। দেখতো কী রেখে গেল যাওয়ার সময়? সিন্ধুকটা খোল। ভিতরে কি? আজ্ঞে পান্ডুলিপি। ভল্টটা ভাঙো। ভিতরে কি? আজ্ঞে পান্ডুলিপি।

