তুমি এবার আমায় লহো হে নাথ,লহো।
এবার তুমি ফিরো না হে–
হৃদয় কেড়ে নিয়ে রহো।
যে দিন গেছে তোমা বিনা
তারে আর ফিরে চাহি না,
যাক সে ধুলাতে।
এখন তোমার আলোয় জীবন মেলে
যেন জাগি অহরহ।
কী আবেশে কিসের কথায়
ফিরেছি হে যথায় তথায়
পথে প্রান্তরে,
এবার বুকের কাছে ও মুখ রেখে
তোমার আপন বাণী কহো।
কত কলুষ কত ফাঁকি
এখনো যে আছে বাকি
মনের গোপনে,
আমায় তার লাগি আর ফিরায়ো না,
তারে
আগুন দিয়ে দহো।
Related Articles
সবার মাঝারে তোমারে স্বীকার করিব হে
সবার মাঝারে তোমারে স্বীকার করিব হে। সবার মাঝারে তোমারে হৃদয়ে বরিব হে ॥ শুধু আপনার মনে নয়, আপন ঘরের কোণে নয়, শুধু আপনার রচনার মাঝে নহে– তোমার মহিমা যেথা উজ্জ্বল রহে সেই সবা-মাঝে তোমারে স্বীকার করিব হে। দ্যুলোকে ভূলোকে তোমারে হৃদয়ে বরিব হে ॥ সকলই তেয়াগি তোমারে স্বীকার করিব হে। সকলই গ্রহণ করিয়া তোমারে বরিব হে। […]
ও যে মানে না মানা
ও যে মানে না মানা। আঁখি ফিরাইলে বলে, ‘না, না, না।’ যত বলি ‘নাই রাতি– মলিন হয়েছে বাতি’ মুখপানে চেয়ে বলে, ‘না, না, না।’ বিধুর বিকল হয়ে খেপা পবনে ফাগুন করিছে হাহা ফুলের বনে। আমি যত বলি ‘তবে এবার যে যেতে হবে’ দুয়ারে দাঁড়ায়ে বলে, ‘না, না, না।’ রাগ: ভৈরবী তাল: দাদরা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1316 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1909 স্বরলিপিকার: সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় […]
তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে
তোমার অসীমে প্রাণ মন লয়ে যত দূরে আমি ধাই– কোথাও দুঃখ, কোথাও মৃত্যু, কোথা বিচ্ছেদ নাই॥ মৃত্যু সে ধরে মৃত্যুর রূপ, দুঃখ হয় হে দুঃখের কূপ, তোমা হতে যবে হইয়ে বিমুখ আপনার পানে চাই॥ হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে যাহা-কিছু সব আছে আছে আছে– নাই নাই ভয়, সে শুধু আমারই, নিশিদিন কাঁদি তাই। অন্তরগ্লানি সংসারভার […]

