…অনামিকা কই? কাজল কোনদিকে গেল?
সায়ন কোথায়?
পিছনে তাকিয়ে দেখি সঙ্গে কেউ নেই
প্রান্তরের মধ্যে এক যূপকাষ্ঠ—অর্ধেক প্রোথিত—
ধারে কাছে কোনও ধড় নেই
মুণ্ডুরা উধাও |
ধুলোয় শোওয়ানো আছে খাঁড়া |
চেনে চেনে লাগে বড় |
ইতি পূর্বে দেখা হয়েছে কি?
সত্তর – একাত্তর – বাহাত্তর সালে
এঁদের দেখেছি বটে |
তারপর কি কোখাও দেখিনি?
হ্যাঁ মনে পড়েছে |
লালাবাজারে এই খাঁড়া ঝোলানো রয়েছে |
যূপকাষ্ঠ আছে মহাকরণের বুদ্ধিঘরে |
জয় গোস্বামী
জয় গোস্বামী (নভেম্বর ১০, ১৯৫৪) একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি এবং সাহিত্যিক ।
জীবনী:
জয় গোস্বামীর জন্ম কলকাতা শহরে। ছোটবেলায় তাঁর পরিবার রানাঘাটে চলে আসে। তখন থেকেই তাঁর স্থায়ী নিবাস সেখানে। তাঁর পিতা রাজনীতি করতেন, তাঁর হাতেই জয় গোস্বামীর কবিতা লেখার হাতে খড়ি। ছয় বছর বয়সে তাঁর পিতার মৃত্যু হয়। তাঁর মা শিক্ষকতা করে তাঁকে লালন পালন করেন।
জয় গোস্বামীর প্রথাগত লেখা পড়ার পরিসমাপ্তি ঘটে একাদশ শ্রেণীতে থাকার সময়। সাময়িকী ও সাহিত্য পত্রিকায় তিনি কবিতা লিখতেন। এভাবে অনেক দিন কাটার পর দেশ পত্রিকায় তাঁর কবিতা ছাপা হয়। এর পরপরই তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। কিছুদিন পরে তাঁর প্রথম কাব্য সংকলন ক্রিসমাস ও শীতের সনেটগুচ্ছ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৯ সালে তিনি ঘুমিয়েছ, ঝাউপাতা কাব্যগ্রন্থের জন্য আনন্দ পুরস্কার লাভ করেন। ২০০০ সালের আগস্ট মাসে তিনি পাগলী তোমার সঙ্গে কাব্য সংকলনের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।
Related Articles
দিনরাত
দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি। দেখা তো হয়েছে ক্রূর যমের সহিত, তাকে বলা গেছে, আমি একাকীই যাবো। গঙ্গার তরঙ্গভঙ্গে নিভে যাবে আলো, আমি যাবো, সঙ্গে নিয়ে যাবো না কারুকে একা যাবো দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি!
মৃত্যুকে
অনুবাদ : মলয় রায়চৌধুরী জানি তুমি আসবেই। তাহলে এ প্রতীক্ষা কেন ? তোমার জন্য আমি পথ চেয়ে, ফুরিয়ে গিয়েছে সব কাজ। আমার আলো তো কবে নিভে গেছে । দরজা রেখেছি খুলে তোমার নামের এক সরল বিস্ময় আসবে সে আশায়। অতএব যে আদল নিতে চাও নাও : ছুঁড়ে মারো তোমার বিষাক্ত বোমা আমার বাসা লক্ষ করে […]


