…অনামিকা কই? কাজল কোনদিকে গেল?
সায়ন কোথায়?
পিছনে তাকিয়ে দেখি সঙ্গে কেউ নেই
প্রান্তরের মধ্যে এক যূপকাষ্ঠ—অর্ধেক প্রোথিত—
ধারে কাছে কোনও ধড় নেই
মুণ্ডুরা উধাও |
ধুলোয় শোওয়ানো আছে খাঁড়া |
চেনে চেনে লাগে বড় |
ইতি পূর্বে দেখা হয়েছে কি?
সত্তর – একাত্তর – বাহাত্তর সালে
এঁদের দেখেছি বটে |
তারপর কি কোখাও দেখিনি?
হ্যাঁ মনে পড়েছে |
লালাবাজারে এই খাঁড়া ঝোলানো রয়েছে |
যূপকাষ্ঠ আছে মহাকরণের বুদ্ধিঘরে |
Related Articles
ভালোবেসে
এই আমি এক্ষুণি এলাম আর এক্ষুণি সময় হলো তোমার যাবার? কিছুটা না হয় দেরী করে যেতে অপেক্ষাটি ছুঁতে- কিছুটা না হয় সেচ করে যেতে বীজটিকে পুঁতে! তা নয়! উঠেই গেলে সম্পন্ন সমুদ্র বুকে বিকেলটি ঠেলে প্রান্তরে পা ফেলে। তারপর এলো সন্ধ্যা,নক্ষত্র তখন তার আগুনের অক্ষরে অক্ষরে সারারাত ধরে লিখে গেলো কার নাম আকাশের পটে? সে […]
নুন ও নিমকহারামি
তুই তো আমার ঘাম জিভ দিয়ে ছুঁয়ে বলেছিলি অবন্তিকা, ‘আহ কি নোনতা অন্তরতমের প্রাণ– পুরুষালি ঘ্রাণ’ ; সেইদিন, লক-আপ থেকে আদালতে হাতে হাতকড়া আর কোমরে দড়ির ফাঁসে বাঁধা, হেঁটেছি ডাকাত-খুনিদের সাথে, রাজপথে সার্কাসপ্রেমীদের ভিড়– বিশ্বাসঘাতক যারা, আমার বিরুদ্ধে আদালতে রাজসাক্ষী হয়েছিল, তারা কাঠগড়া থেকে নেমে বলেছিল, নুন তো পায়নি, মিষ্টি ছিল আমার ঘামেতে : তাই […]
কোনো কাব্যরসিক বন্ধুর প্রতি
আমাকে বোলো না বন্ধু আর শুদ্ধ কবিতা লিখতে। বয়ঃসন্ধি-সমাগতা খুঁতখুঁতে কোনো কুমারীর ভয় ভাঙানো অথবা বদরাগী বিষণ্ন বৃদ্ধের নিরামিষ রিরংসা মেটাতে আজ আর সাধ নেই। সাধ নেই সময়ের ঘোলা জলে সাদা পাল তুলে ভেসে যেতে সেই দেশে যে দেশকে রাঙাপুর বলে, মড়ি ছেড়ে ওঠা কোনো শকুনের মতো পাখা মেলে উড়ে যাব অলকায় দুপুরের কাঁচা সোনা […]

