এরকম এই দিনে চেতনায় ও খরার প্রদাহ
নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থী যেন বিরক্ত, বিব্রত,
এরকম দুঃসময়ে এলো বৃষ্টির শব্দের মতো
সুখকর এই পত্র, প্রাগের প্রাচীর থেকে উড়ে।
কূপিত বিব্রতকর এই রোদে খামটি খুলিনি
আমি তো অপেক্ষা জানি, এই খররৌদ্রে কখনো নাকি
প্রিয় বান্ধবীর চিঠি খোলা চলে।
অতএব রেখে দেই যত্ন করে ড্রয়ারে
রাতে অকস্মাৎ বৃষ্টি নেমে এলো
যেন দীর্ঘ দিন পর হারিয়ে যাওয়া আমার সন্তান
ঘরে ফিরে এলো।
বাইরে এখন বৃষ্টি
বৃষ্টির সি্নগ্ধতা বহুদিন পর যেন
আমার হৃদয়ে প্রীত মধ্যযুগ ভরিয়ে দিয়ে গেল।
মনে হচ্ছে আমার মতো সুখী কেউ নেই আর
পৃথিবীর কোনো প্রান্তে এই রাতে।
Related Articles
জলহাওয়ার লেখা
স্নেহসবুজ দিন তোমার কাছে ঋণ বৃষ্টিভেজা ভোর মুখ দেখেছি তোর মুখের পাশে আলো ও মেয়ে তুই ভালো আলোর পাশে আকাশ আমার দিকে তাকা– তাকাই যদি চোখ একটি দীঘি হোক যে-দীঘি জ্যোৎস্নায় হরিণ হয়ে যায় হরিণদের কথা জানুক নীরবতা– নীরব কোথায় থাকে জলের বাঁকে বাঁকে জলের দোষ? — নাতো! হাওয়ায় হাত পাতো! হাওয়ার খেলা? সেকি! মাটির […]
মহা নিমগাছ
ঈশানে নৈঋতে দুই হাত ছড়িয়ে দিয়ে মাটির উপর মুখ রেখে সে এখন শুয়ে আছে শেষ রাতের খোলা প্রান্তরে আর কেউ নেই শুধু তার পিঠের দিকে তাকিয়ে আছে লক্ষ লক্ষ তারা হাতের ডানায় লেগে আছে ঘাসের সবুজ, বুকে ভেজা মাটি এইটুকু ছাতা যেন কোনো কোমলতা ছিল না কোথাও কোনোখানে তারপর আকাশ আর পৃথিবীর ঢাকনা খুলে বেরিয়ে […]
জীবনের হিসাব
বিদ্যেবোঝাই বাবুমশাই চড়ি সখের বোটে মাঝিরে কন , “বলতে পারিস্ সূর্যি কেন ওঠে? চাঁদটা কেন বাড়ে কমে? জোয়ার কেন আসে?” বৃদ্ধ মাঝি অবাক হয়ে ফ্যাল্ফেলিয়ে হাসে। বাবু বলেন, “সারা জনম মরলিরে তুই খাটি, জ্ঞান বিনা তোর জীবনটা যে চারি আনাই মাটি!” খানিক বাদে কহেন বাবু,”বলত দেখি ভেবে নদীর ধারা কেম্নে আসে পাহাড় হতে নেবে? বল্ত […]

