আইল ঋতুরাজ সজনি, জ্যোৎস্নাময় মধুর রজনি,
বিপিনে কলতান মুরলী উঠিল বাজি।
মৃদুমন্দসুগন্ধপবনশিহরিত তব কুঞ্জভবন,
কুহু কুহু কুহু ললিততানমুখরিত বনরাজি।
পরো সখী পরো নীলাম্বর, পরো সখী ফুলমালা;
চলো সখী চলো কুঞ্জে চলো, বিরহবিধুরা বালা।
করিগে চলো কুসুমচয়ন, রচি গে চলো পুষ্পশয়ন,
ফিরিবে তব নাথ সজনি, হৃদয়ে তব আজি।
Related Articles
বর্ষার দিনে
এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘনঘোর বরিষায়! এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে তপনহীন ঘন তমসায়। সে কথা শুনিবে না কেহ আর, নিভৃত নির্জন চারি ধার। দুজনে মুখোমুখি গভীর দুখে দুখি, আকাশে জল ঝরে অনিবার। জগতে কেহ যেন নাহি আর। সমাজ সংসার মিছে সব, মিছে এ জীবনের কলরব। কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি […]
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা
তোমারেই করিয়াছি জীবনের ধ্রুবতারা, এ সমুদ্রে আর কভু হব নাকো পথহারা। যেথা আমি যাই নাকো তুমি প্রকাশিত থাকো, আকুল নয়নজলে ঢালো গো কিরণধারা ॥ তব মুখ সদা মনে জাগিতেছে সংগোপনে, তিলেক অন্তর হলে না হেরি কূল-কিনারা। কখনো বিপথে যদি ভ্রমিতে চাহে এ হৃদি অমনি ও মুখ হেরি শরমে সে হয় সারা।
তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি
তুমি যে আমারে চাও আমি সে জানি। কেন যে মোরে কাঁদাও আমি সে জানি ॥ এ আলোকে এ আঁধারে কেন তুমি আপনারে ছায়াখানি দিয়ে ছাও আমি সে জানি ॥ সারাদিন নানা কাজে কেন তুমি নানা সাজে কত সুরে ডাক দাও আমি সে জানি। সারা হলে দে’য়া-নে’য়া দিনান্তের শেষ খেয়া কোন্ দিক-পানে বাও […]

