আইল ঋতুরাজ সজনি, জ্যোৎস্নাময় মধুর রজনি,
বিপিনে কলতান মুরলী উঠিল বাজি।
মৃদুমন্দসুগন্ধপবনশিহরিত তব কুঞ্জভবন,
কুহু কুহু কুহু ললিততানমুখরিত বনরাজি।
পরো সখী পরো নীলাম্বর, পরো সখী ফুলমালা;
চলো সখী চলো কুঞ্জে চলো, বিরহবিধুরা বালা।
করিগে চলো কুসুমচয়ন, রচি গে চলো পুষ্পশয়ন,
ফিরিবে তব নাথ সজনি, হৃদয়ে তব আজি।
Related Articles
তোমারি ইচ্ছা হউক পূর্ণ
তোমারি ইচ্ছা হউক পূর্ণ করুণাময় স্বামী। তোমারি প্রেম স্মরণে রাখি, চরণে রাখি আশা– দাও দুঃখ, দাও তাপ, সকলই সহিব আমি ॥ তব প্রেম-আঁখি সতত জাগে, জেনেও না জানি। ওই মঙ্গলরূপ ভুলি, তাই শোকসাগরে নামি ॥ আনন্দময় তোমার বিশ্ব শোভাসুখপূর্ণ, আমি আপন দোষে দুঃখ পাই বাসনা-অনুগামী ॥ মোহবন্ধ ছিন্ন করো কঠিন আঘাতে, অশ্রুসলিলধৌত হৃদয়ে থাকো দিবসযামী। […]
আমার পরান যাহা চায়
আমার পরান যাহা চায়, তুমি তাই, তুমি তাই গো। তোমা ছাড়া আর এ জগতে মোর, কেহ নাই কিছু নাই গো। তুমি সুখ যদি নাহি পাও, যাও, সুখের সন্ধানে যাও, আমি তোমারে পেয়েছি হৃদয়মাঝে, আর কিছু নাহি চাই গো। আমি তোমার বিরহে রহিব বিলীন, তোমাতে করিব বাস, দীর্ঘ দিবস, দীর্ঘ রজনী, দীর্ঘ বরষ মাস। যদি আর […]
সখী প্রতিদিন হায় এসে ফিরে যায় কে
সখী, প্রতিদিন হায় এসে ফিরে যায় কে। তারে আমার মাথার একটি কুসুম দে॥ যদি শুধায় কে দিল কোন্ ফুলকাননে, মোর শপথ, আমার নামটি বলিস নে॥ সখী, সে আসি ধুলায় বসে যে তরুর তলে সেথা আসন-বিছায়ে রাখিস বকুলদলে। সে যে করুণা জাগায় সকরুণ নয়নে– যেন কী বলিতে চায়, না বলিয়া যায় সে॥ sakhi-pratidin-haye-eshe-phire-jai

