আইল ঋতুরাজ সজনি, জ্যোৎস্নাময় মধুর রজনি,
বিপিনে কলতান মুরলী উঠিল বাজি।
মৃদুমন্দসুগন্ধপবনশিহরিত তব কুঞ্জভবন,
কুহু কুহু কুহু ললিততানমুখরিত বনরাজি।
পরো সখী পরো নীলাম্বর, পরো সখী ফুলমালা;
চলো সখী চলো কুঞ্জে চলো, বিরহবিধুরা বালা।
করিগে চলো কুসুমচয়ন, রচি গে চলো পুষ্পশয়ন,
ফিরিবে তব নাথ সজনি, হৃদয়ে তব আজি।
Related Articles
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে
মধুর মধুর ধ্বনি বাজে হৃদয়কমলবনমাঝে॥ নিভৃতবাসিনী বীণাপাণি অমৃতমুরতিমতী বাণী হিরণকিরণ ছবিখানি– পরানের কোথা সে বিরাজে॥ মধুঋতু জাগে দিবানিশি পিককুহরিত দিশি দিশি। মানসমধুপ পদতলে মুরছি পড়িছে পরিমলে। এসো দেবী, এসো এ আলোকে, একবার তোরে হেরি চোখে– গোপনে থেকো না মনোলোকে ছায়াময় মায়াময় সাজে॥ Madhuro Madhuro dwani baje
সংসার যবে মন কেড়ে লয়
সংসার যবে মন কেড়ে লয়, জাগে না যখন প্রাণ, তখনো, হে নাথ, প্রণমি তোমায় গাহি ব’সে তব গান ।। অন্তরযামী, ক্ষমো সে আমার শূন্য মনের বৃথা উপহার- পুষ্পবিহীন পূজা-আয়োজন, ভক্তিবিহীন তান ।। ডাকি তব নাম শুষ্ক কন্ঠে, আশা করি প্রাণপণে- নিবিড় প্রেমের সরস বরষা যদি নেমে আসে মনে । সহসা একদা আপনা হইতে ভরি দিবে […]
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে
দুজনে দেখা হল মধুযামিনী রে– কেন কথা কহিল না, চলিয়া গেল ধীরে॥ নিকুঞ্জে দখিনাবায় করিছে হায়-হায়, লতাপাতা দুলে দুলে ডাকিছে ফিরে ফিরে॥ দুজনের আঁখিবারি গোপনে গেল বয়ে, দুজনের প্রাণের কথা প্রাণেতে গেল রয়ে। আর তো হল না দেখা, জগতে দোঁহে একা– চিরদিন ছাড়াছাড়ি যমুনাতীরে॥

