| প্রতিদিন আমি হে জীবনস্বামী, দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে।
করি জোড়কর, হে ভুবনেশ্বর, দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার অপার আকাশের তলে বিজনে বিরলে হে– নম্র হৃদয়ে নয়নের জলে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার বিচিত্র এ ভবসংসারে কর্মপারাবারপারে হে, নিখিলজগৎজনের মাঝারে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার এ ভবে মোর কাজ যবে সমাপন হবে হে, ওগো রাজরাজ, একাকী নীরবে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। |
রাগ: কাফি তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1307 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1901 স্বরলিপিকার: এ. এ. বাকে, কাঙ্গালীচরণ সেন, ভীমরাও শাস্ত্রী |
Related Articles
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়
কেহ কারো মন বোঝে না, কাছে এসে সরে যায়। সোহাগের হাসিটি কেন চোখের জলে মরে যায়|| বাতাস যখন কেঁদে গেল প্রাণ খুলে ফুল ফুটিল না, সাঁঝের বেলা একাকিনী কেন রে ফুল ঝরে যায়|| মুখের পানে চেয়ে দেখো, আঁখিতে মিলাও আঁখি____ মধুর প্রাণের কথা প্রাণেতে রেখো না ঢাকি। এ রজনী রহিবে না, আর কথা হইবে না____ […]
যদি এ আমার হৃদয়দুয়ার
যদি এ আমার হৃদয়দুয়ার বন্ধ রহে গো কভু দ্বার ভেঙে তুমি এসো মোর প্রাণে, ফিরিয়া যেয়ো না প্রভু ॥ যদি কোনো দিন এ বীণার তারে তব প্রিয়নাম নাহি ঝঙ্কারে দয়া ক’রে তবু রহিয়ো দাঁড়ায়ে, ফিরিয়া যেয়ো না প্রভু ॥ যদি কোনো দিন তোমার আহ্বানে সুপ্তি আমার চেতনা না মানে বজ্রবেদনে জাগায়ো আমারে, ফিরিয়া যেয়ো না […]
আমার নাইবা হল পারে যাওয়া
আমার নাইবা হল পারে যাওয়া। যে হাওয়াতে চলত তরী অঙ্গেতে সেই লাগাই হাওয়া ॥ নেই যদি বা জমল পাড়ি ঘাট আছে তো বসতে পারি। আমার আশার তরী ডুবল যদি দেখব তোদের তরী-বাওয়া ॥ হাতের কাছে কোলের কাছে যা আছে সেই অনেক আছে। আমার সারা দিনের এই কি রে কাজ– ওপার-পানে কেঁদে চাওয়া। কম কিছু মোর […]

