| প্রতিদিন আমি হে জীবনস্বামী, দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে।
করি জোড়কর, হে ভুবনেশ্বর, দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার অপার আকাশের তলে বিজনে বিরলে হে– নম্র হৃদয়ে নয়নের জলে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার বিচিত্র এ ভবসংসারে কর্মপারাবারপারে হে, নিখিলজগৎজনের মাঝারে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার এ ভবে মোর কাজ যবে সমাপন হবে হে, ওগো রাজরাজ, একাকী নীরবে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। |
রাগ: কাফি তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1307 রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1901 স্বরলিপিকার: এ. এ. বাকে, কাঙ্গালীচরণ সেন, ভীমরাও শাস্ত্রী |
Related Articles
দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে নূতন আভরণে
দে তোরা আমায় নূতন ক’রে দে নূতন আভরণে॥ হেমন্তের অভিসম্পাতে রিক্ত অকিঞ্চন কাননভূমি, বসন্তে হোক দৈন্যবিমোচন নব লাবণ্যধনে। শূন্য শাখা লজ্জা ভুলে যাক পল্লব-আবরণে॥ বাজুক প্রেমের মায়ামন্ত্রে পুলকিত প্রাণের বীণাযন্ত্রে চিরসুন্দরের অভিবন্দনা। আনন্দচঞ্চল নৃত্য অঙ্গে অঙ্গে বহে যাক হিল্লোলে হিল্লোলে, যৌবন পাক সম্মান বাঞ্ছিতসম্মিলনে॥ dey tora amay nuton kore (rabindra sangeet) by jayati chakroborty
আমার যাবার বেলায় পিছু ডাকে
আমার যাবার বেলায় পিছু ডাকে ভোরের আলো মেঘের ফাঁকে ফাঁকে॥ বাদলপ্রাতের উদাস পাখি ওঠে ডাকি। বনের গোপন শাখে শাখে, পিছু ডাকে॥ ভরা নদী ছায়ার তলে ছুটে চলে– খোঁজে কাকে, পিছু ডাকে। আমার প্রাণের ভিতর সে কে থেকে থেকে বিদায়প্রাতের উতলাকে পিছু ডাকে॥ Amar jabar belay pichu dhake
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের
হা হতভাগিনী, একি অভ্যর্থনা মহতের, এল দেবতা তোর জগতের, গেল চলি, গেল তোরে গেল ছলি— অর্জুন! তুমি অর্জুন! বেলা যায় বহিয়া, দাও কহিয়া কোন্ বনে যাব শিকারে। কাজল মেঘে সজল বায়ে হরিণ ছুটে বেণুবনচ্ছায়ে॥ Ha hotobhagini kotha

