তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥
তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে
আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?।
অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা।
অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা।
আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে–
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥
তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে
আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?।
অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা।
অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা।
আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে–
তার বিদায় বেলার মালাখানি আমার গলে রে দোলে দোলে বুকের কাছে পলে পলে রে।। গন্ধ তাহার ক্ষণে ক্ষণে জাগে ফাগুন সমীরণে গুঞ্জরিত কুঞ্জতলে রে।। দিনের শেষে যেতে যেতে পথের ‘পরে ছায়াখানি মিলিয়ে দিল বনান্তরে। সেই ছায়া এই আমার মনে, সেই ছায়া ওই কাঁপে বনে কাঁপে সুনীল দিগঞ্চলে রে।। Tar Bidaybelar Malakhani
নীল- অঞ্জনঘন পুঞ্জছায়ায় সম্বৃত অম্বর হে গম্ভীর! বনলক্ষ্মীর কম্পিত কায়, চঞ্চল অন্তর– ঝঙ্কৃত তার ঝিল্লির মঞ্জীর হে গম্ভীর॥ বর্ষণগীত হল মুখরিত মেঘমন্দ্রিত ছন্দে, কদম্ববন গভীর মগন আনন্দঘন গন্ধে– নন্দিত তব উৎসবমন্দির হে গম্ভীর॥ দহনশয়নে তপ্ত ধরণী পড়েছিল পিপাসার্তা, পাঠালে তাহারে ইন্দ্রলোকের অমৃতবারির বার্তা। মাটির কঠিন বাধা হল ক্ষীণ, দিকে দিকে হল দীর্ণ– নব অঙ্কুর-জয়পতাকায় ধরাতল […]
যা হারিয়ে যায় তা আগলে বসে রইব কত আর? আর পারি নে রাত জাগতে হে নাথ, ভাবতে অনিবার। আছি রাত্রিদিবস ধরে দুয়ার আমার বন্ধ করে, আসতে যে চায় সন্দেহে তায় তাড়াই বারে বার। তাই তো কারো হয় না আসা আমার একা ঘরে। আনন্দময় ভুবন তোমার বাইরে খেলা করে। তুমিও বুঝি পথ নাহি পাও, এসে এসে […]
