এসো, সময়ে-অসময়ে যখন তখন এসে পড়ো।
এসো, বলো, মা কেন বাড়ি নেই আজ। এসো, সাবধান
করো আমায়,
বলো, এক্ষুনি বেরোলেই কেন বৃষ্টির মুখে পড়ব।
যদিও তোমার আমি কেউ নই,
যদিও তোমার বিবাহদিন স্থির হয়ে গেছে,
যদিও তোমার ব্যর্থ প্রেমিক হবার যোগ্যতাও
আমার কখনো ছিলো না, তবু বরাবরের মতো
পরের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের পাড়ার জন্যে,
সই-সখীদের জন্যে, কিংবা ফিরিয়ে দেওয়া
ছেলেটির জন্যে মন খারাপ করলে, আমার এই জড়ো করা
হাতে
দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলে দ্যাখো হালকা লাগে কি না।
আমি বলছি, আজকের দিনে এতে কেউ কিছু মনে করবে
না!
Related Articles
উল্টো ঘুড়ি
এতো সহজেই ভালোবেসে ফেলি কেন! বুঝি না আমার রক্তে কি আছে নেশা- দেবদারু-চুলে উদাসী বাতাস মেখে স্বপ্নের চোখে অনিদ্রা লিখি আমি, কোন বেদনার বেনোজলে ভাসি সারাটি স্নিগ্ধ রাত? সহজেই আমি ভালোবেসে ফেলি, সহজে ভুলিনা কিছু- না-বলা কথায় তন্ত্রে তনুতে পুড়ি, যেন লাল ঘুড়ি একটু বাতাস পেয়ে উড়াই নিজেকে আকাশের পাশাপাশি। সহজে যদিও ভালোবেসে ফেলি সহজে […]
দেখা হবে
ভ্রূ-পল্লবে ডাক দিলে, দেখা হবে চন্দনের বনে- সগন্ধের সঙ্গে পাবো, দ্বিপ্রহরে বিজন ছায়ায় আহা, কি শীতল স্পর্শ হৃদয়-ললাটে, আহা, চন্দন চন্দন দৃষ্টিতে কি শান্তি দিলে, চন্দন, চন্দন আমি বসে থাকবো দীর্ঘ নিরালায় প্রথম যৌবনে আমি অনেক ঘুরেছি অন্ধ, শিমূলে জরুলে লক্ষ লক্ষ মহাদ্রুম, শিরা-উপশিরা নিয়ে জীবনের কত বিজ্ঞাপন তবুও জীবন জ্বলে, সমস্ত অরণ্য-দেশ জ্বলে ওঠে […]
অমাবস্যা চিরে যাক
কী কথা তাহার সাথে? তার সাথে? প্রশ্ন প্রেমিকের যখন প্রেমিকা তার কথা বলে অপরের সাথে। ওটি কি কাব্যেই শুধু? ওই ভাষা- জীবনানন্দের। এখনও কি তরুণ প্রেমিক তার প্রমিত ভাষায়? পথ চলতে থেমে যাই!- ওর লগে তুই কি করোস? কিয়ের প্যাচাল এত? উত্তরে সে, তুই কি জেলাস? দিন পরে দিন যায়, সরোদের টংকারে খরজ। বানরের হাতে […]

