এসো, সময়ে-অসময়ে যখন তখন এসে পড়ো।
এসো, বলো, মা কেন বাড়ি নেই আজ। এসো, সাবধান
করো আমায়,
বলো, এক্ষুনি বেরোলেই কেন বৃষ্টির মুখে পড়ব।
যদিও তোমার আমি কেউ নই,
যদিও তোমার বিবাহদিন স্থির হয়ে গেছে,
যদিও তোমার ব্যর্থ প্রেমিক হবার যোগ্যতাও
আমার কখনো ছিলো না, তবু বরাবরের মতো
পরের বাড়ি যাওয়ার আগে নিজের পাড়ার জন্যে,
সই-সখীদের জন্যে, কিংবা ফিরিয়ে দেওয়া
ছেলেটির জন্যে মন খারাপ করলে, আমার এই জড়ো করা
হাতে
দু-ফোঁটা চোখের জল ফেলে দ্যাখো হালকা লাগে কি না।
আমি বলছি, আজকের দিনে এতে কেউ কিছু মনে করবে
না!
Related Articles
মে-দিনের কবিতা
প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য ধ্বংসের মুখোমুখি আমরা, চোখে আর স্বপ্নের নেই নীল মদ্য কাঠফাটা রোদ সেঁকে চামড়া। চিমনির মুখে শোনো সাইরেন-শঙ্খ, গান গায় হাতুড়ি ও কাস্তে, তিল তিল মরণেও জীবন অসংখ্য জীবনকে চায় ভালবাসতে। প্রণয়ের যৌতুক দাও প্রতিবন্ধে, মারণের পণ নখদন্তে; বন্ধন ঘুচে যাবে জাগবার ছন্দে, উজ্জ্বল দিন দিক্-অন্তে। শতাব্দীলাঞ্ছিত আর্তের কান্না প্রতি […]
ব্যস্ততা
তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু নিজের ছিল দিয়েছিলাম, যা কিছুই অর্জন-উপার্জন ! এখন দেখ না ভিখিরির মতো কেমন বসে থাকি ! কেউ ফিরে তাকায় না। তোমার কেন সময় হবে তাকাবার ! কত রকম কাজ তোমার ! আজকাল তো ব্যস্ততাও বেড়েছে খুব। সেদিন দেখলাম সেই ভালবাসাগুলো কাকে যেন দিতে খুব ব্যস্ত তুমি, যেগুলো তোমাকে আমি দিয়েছিলাম।
প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার
( ১৯৬৩ সালে রচিত এবং ১৯৬৪ সালে ‘হাংরি বুলেটিন’-এ প্রকাশিত এই কবিতাটির জন্য মলয় রায়চৌধুরী গ্রেপ্তার হন– সাহিত্যে অশ্লীলতা ও সমাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে । তাঁর বিরুদ্ধে ৩৫ মাস ব্যাপী মকদ্দমা চলে চলে। কলকাতার নিম্ন আদালতে তাঁর সাজা হলেও উচ্চ আদালতে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন। মলয়ের পক্ষে আদালতে সাক্ষী ছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, তরুণ সান্যাল, জ্যোতির্ময় […]

