কেউ যদি অপেক্ষায় থাকে তাহলে সে-ই জানে অপেক্ষার
শীতকালগুলি কী দীর্ঘ,
অপেক্ষা মানে শত শত বন্ধ ঘড়ি
পৃথিবীর রেলস্টেশনগুলি সব নিঃশব্দ,
এ অপেক্ষার চেয়ে দুঃখ আর কিছু নেই, এই
অপেক্ষার চেয়ে সুখ আর কিছু নেই;
তুমি যদি অপেক্ষা করতে না জানো তাহলে
ভালোবাসতে যেও না,
ভালোবাসতে হলে আগে অপেক্ষা করতে শিখতে হয়
যদি অপেক্ষা করতে না পারো তাহলে ফুল ফুটবে কীভাবে,
বসন্ত আসবে কীভাবে,
সহস্র অপেক্ষার শীতবর্ষা পেরিয়ে একটি
পহেলা ফাল্গুন
অপেক্ষা খুব কষ্টের অপেক্ষা খুব আনন্দের।
মহাদেব সাহা
(জন্ম: ৫ আগস্ট ১৯৪৪) বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালের একজন অন্যতম প্রধান কবি।১৯৪৪ সালের ৫ আগস্ট পাবনা জেলার ধানঘড়া গ্রামে পৈতৃক বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম বগদাধর সাহা এবং মাতা বিরাজমোহিনী।তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৯৩ টি।
কাব্যগ্রন্থ
এই গৃহ এই সন্ন্যাস (১৯৭২),
মানব এসেছি কাছে,
চাই বিষ অমরতা,
কী সুন্দর অন্ধ,
তোমার পায়ের শব্দ,
তবু স্বপ্ন দেখি,
সোনালী ডানার মেঘ,
পৃথিবী তোমাকে আমি ভালোবাসি,
কে পেয়েছে সব সুখ, সবটুকু মধু,,
শুকনো পাতার স্বপ্নগাঁথা,
দুঃসময়ের সঙ্গে হেঁটে যাই,
দুঃখ কোন শেষ কথা নয়,
ভালোবাসা কেন এতো আলো অন্ধকারময়,
লাজুক লিরিক-২,
দূর বংশীধ্বনি,
অর্ধেক ডুবেছি প্রেমে - অর্ধেক আধারে,
কালো মেঘের ওপারে পূর্ণিমা,
সন্ধ্যার লিরিক ও অন্যান্য,
মহাদেব সাহার রাজনৈতিক কবিতা (কাব্য-সংকলন),
মহাদেব সাহার প্রেমের কবিতা (কাব্য-সংকলন),
মহাদেব সাহার কাব্যসমগ্র (কাব্য-সংকলন) - ১ম খণ্ড, ২য় খন্ড, ৩য় খন্ড, ৪র্থ খন্ড,
মহাদেব সাহার শ্রেষ্ঠ কবিতা (কাব্য-সংকলন),
প্রেম ও ভালবাসার কবিতা (কাব্য-সংকলন),
নির্বাচিত ১০০ কবিতা (কাব্য-সংকলন),
নির্বাচিত একশ (কাব্য-সংকলন),
প্রকৃতি ও প্রেমের কবিতা(কাব্য-সংকলন),
প্রবন্ধ
আনন্দের মৃত্যু নেই
মহাদেব সাহার কলাম
কবিতার দেশ ও অন্যান্য ভাবনা
মহাদেব সাহার নির্বাচিত কলাম
শিশুসাহিত্য
টাপুর টুপুর মেঘের দুপুর
ছবি আঁকা পাখির পাখা
আকাশে ওড়া মাটির ঘোড়া
সরষে ফুলের নদী
আকাশে সোনার থালা
মহাদেব সাহার কিশোর কবিতা
পুরস্কার ও সম্মাননা
---------------------------------
মহাদেব সাহা তাঁর কাব্য প্রতিভার জন্য অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি ১৯৮৩ সালে কবিতায় বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়াও অন্যান্য পুরস্কার ও সম্মননার মধ্যে ১৯৯৫ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে বগুড়া লেখকচক্র পুরস্কার, ২০০২ সালে খালেদদাদ চৌধূরী স্মৃতি পুরস্কার এবং ২০০৮ সালে জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার অন্যতম।
Related Articles
ভয়ের চোটে
অঙ্ক নিয়ে বসলে আমার কখন কী যে হয় টেবিলটাও পর হয়ে যায় বইগুলো সব ভয়। ভয়ের চোটে ভাবতে থাকি শহর ভেঙে কেউ দালান কোঠা বিছিয়ে দিয়ে তোলে খেতের ঢেউ। রাস্তাগুলো নদী এবং গলিরা সব খাল ইলেকট্রিকের খাম্বাগুলো পাল্টে হলো তাল। মোটরগাড়ি গরুর পালে হাম্বা তুলে হাঁটে পুলিশগুলো গুলিস্তানে নিড়ানি ঘাস কাটে। আব্বা হলেন কাকতাড়ুয়া আম্মা […]
রাশিয়ার চিঠি-১২
ব্রেমেন জাহাজ তুর্কোমেনদের কথা পূর্বেই বলেছি, মরুভূমিবাসী তারা, দশ লক্ষ মানুষ। এই চিঠি তারই পরিশিষ্ট। সোভিয়েট গবর্মেণ্ট সেখানে কী কী বিদ্যায়তন-স্থাপনের সংকল্প করেছে তারই একটা ফর্দ তুলে দিচ্ছি। Beginning with October 1st, 1930, the new budget year, a number of new scientific institutions and Institutes will be opened in Turcomenia. namely : 1. Turcomen Geological […]

