ডাইনে বাঁয়ে দুইদিকে দুই বাংলা আমার
আপন স্বজন দুজন মাতা।
ভালোবাসার সাঁকোর ওপর পা টলমল পা টলমল
পা বাড়ালেই পদ্মা নদী
হাত বাড়ালেই পদ্ম পাতা
এবার পাবো।
আজান-বাজান ভাটিয়ালীর কন্ঠনালীর ছন্দগাথা
প্রবহমান নদীনালায় গুনতে যাবো।
পাঁজর পোড়া গর্ত খোঁড়া হাটের মাঠের ঘরের ঘাটের
সব দরজা জানলা খুলে খুঁজতে যাবো
অগ্নিবরণ ভোরবেলাতে আমরা কজন আবহমান
ভগ্নি-ভ্রাতা।
ডাইনে বাঁয়ে দুই দিকে দুই বাংলা আমার
আপন স্বজন দুজন মাতা।
Related Articles
আজি এ বসন্তে
বানর ছিলাম। সর্ব গাছে গাছে লম্ফে চড়িতাম কী অবলীলায় বসন্তে বসন্তকালে কত স্নেহভরে ভাই পুষ্প ‘পরে বুলাইতাম ল্যাজ স্বীয় ল্যাজখানি! তবু কী নিমিত্ত ধোঁকা দিল হে আমারে ভগবান উলটো বুঝলি রাম! তোমার সেবক আমি, দেখি বাপা একবার তোর মুখখানি। তুলারাম, খেলারাম, আজি এ বসন্তে আমি গেলাম গেলাম কিন্তু কাঁহা যাব ভাই? কাজে গেলে ডর লাগে, […]
বাবরের প্রার্থনা
এই তো জানু পেতে বসেছি, পশ্চিম আজ বসন্তের শূণ্য হাত – ধ্বংস করে দাও আমাকে যদি চাও আমার সন্ততি স্বপ্নে থাক। কোথায় গেল ওর স্বচ্ছ যৌবন কোথায় কুরে খায় গোপন ক্ষয়। চোখের সমুখে এই সমূহ পরাভব বিষায় ফুসফুস ধমনী শিরা। জাগাও শহরের প্রান্তে প্রান্তরে ধূসর শূণ্যের আজান গান; পাথর করে দাও আমাকে নিশ্চল আমার সন্ততি […]
মাধবীর অবিশ্বাস্য স্মৃতি
মাধবী কাল চ’লে যাবে। ওর হাতে ফুলগুলো তুলে দিয়ে বললাম ‘তুমিও কি ফুল হয়ে ঝ’রে যাবে?’ ও নির্বাক উদাসীন। ওর কাকের পাখার মতো কালো চোখ মুহূর্তে জলে ভ’রে এলো মৃদু কাঁপলো পাপড়িগুলো। সদ্য কেনা জ্যামিতি বকসের চকচকে পিঠের মতো ওর চোখ জ্বলজ্বল কোরে উঠলো লাল পেড়ে শাড়ির মতো ওর ঠোঁট ও কথা বলতো গানের মতো […]

