আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায়
বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়।
ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে-
মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা।
কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে
নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ
কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই
নাচের ছন্দে মহা আনন্দে জগৎ কাঁপিয়ে কারা ছন্দে গন্ধে
একি আনন্দে বৃষ্টির বোল তুলে আকাশে উড়িয়ে কেশবাস গেল
প্রলয়ে মেতেছে নারী উড়েছে তাহার শাড়ীর আঁচল নারী নয় তরবারি।
ধ্বনির দাপটে কি জানি কি ঘটে নূপুর বাজছে পায়ে
চারিদিকে বেজে উঠে কলরোল, নাচের মুদ্রা তুলে নৃত্যর তালে বাতাসের পালে
বেজেছে নৃত্য কাঁপায়ে ভৃত্য যেন উল্লাসে মাতোয়ারা
নিজের সঙ্গে নিজেই মাতাল কে যেন আত্মহারা
বলছে প্রলয় আর কিছু নয় আমি ছন্দের রাজা—
ওরে তোরা সবে ঢাকঢোল নিয়ে বাজা সংগীত বাজা।
Related Articles
প্রিয় রোকোনালী
স্ত্রীকে না বলিলে গুরুদ- হইবে ভাবিয়াই তাহাকে খুলিয়া বলিলাম, রোকোনালী আমার প্রিয় । স্ত্রী আমাকে নিশ্চুপ থাকিতে বলিয়া জানালা খুলিয়া দেখাইলেন, এবং বলিলেন, কার্জন হলের মাথার উপর চন্দ্র উঠিয়াছে, এবং কালো গাউন পরিহিত কিছু লোক এই দিকেই আসিতেছেন। তাকাইয়া দেখি, আমার প্রিয় মাতুল রোকোনালীও সঙ্গে আছেন তাহাদের। সকলেই আমার গৃহে প্রবেশ মাত্রই জানাইলেন, হালিম মিয়া, […]
পালের নাও
পালের নাও, পালের নাও, পান খেয়ে যাও – ঘরে আছে ছোট বোনটি তারে নিয়ে যাও। কপিল-সারি গাইয়ের দুধ যেয়ো পান করে’ কৌটা ভরি সিঁদুর দেব কপালটি ভরে’! গুয়ার গায়ে ফুল চন্দন দেব ঘসে’ ঘসে’, মামা-বাড়ীর বলব কথা শুনো বসে বসে! কে যাওরে পাল ভরে’ কোন্ দেশে ঘর পাছা নায়ে বসে আছে কোন্ সওদাগর? কোন্ দেশে […]
রাত্রি
রাত্রি যতো বাড়তে থাকে, ততো আত্মমগ্ন হ’তে থাকি। ততোই সুড়ঙ্গ কেটে যেতে থাকি নিজের ভিতরে। হারানো টুকরোগুলো খুঁজে পাই। ততোই একাকী। আত্মা অব্দি কেঁদে ওঠে অদ্ভূত করুণ কন্ঠস্বরে। আশ্চর্য মধুর শব্দে হেসে ওঠে। কিন্তু জানি, পৃথিবীতে হাসা অসম্ভব। হাসি আনন্দের জন্যে নয়__প্রকৃতির চলিষ্ণুতায় ফুল ফোটে। রাত্রি যতো বাড়তে থাকে, হ’তে থাকি গভীর নীরব। ___কেন জন্ম […]

