আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায়
বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়।
ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে-
মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা।
কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে
নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ
কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই
নাচের ছন্দে মহা আনন্দে জগৎ কাঁপিয়ে কারা ছন্দে গন্ধে
একি আনন্দে বৃষ্টির বোল তুলে আকাশে উড়িয়ে কেশবাস গেল
প্রলয়ে মেতেছে নারী উড়েছে তাহার শাড়ীর আঁচল নারী নয় তরবারি।
ধ্বনির দাপটে কি জানি কি ঘটে নূপুর বাজছে পায়ে
চারিদিকে বেজে উঠে কলরোল, নাচের মুদ্রা তুলে নৃত্যর তালে বাতাসের পালে
বেজেছে নৃত্য কাঁপায়ে ভৃত্য যেন উল্লাসে মাতোয়ারা
নিজের সঙ্গে নিজেই মাতাল কে যেন আত্মহারা
বলছে প্রলয় আর কিছু নয় আমি ছন্দের রাজা—
ওরে তোরা সবে ঢাকঢোল নিয়ে বাজা সংগীত বাজা।
Related Articles
বোম্বাগড়ের রাজা
কেউ কি জানো সদাই কেন বোম্বাগড়ের রাজা— ছবির ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখে আমসত্ত্ব ভাজা? রানীর মাথায় অষ্টপ্রহর কেন বালিশ বাঁধা? পাউরুটিতে পেরেক ঠোকে কেন রানীর দাদা? কেন সেথায় সর্দি হলে ডিগবাজি খায় লোকে? জোছনা রাতে সবাই কেন আলতা মাখায় চোখে? ওস্তাদেরা লেপ মুড়ি দেয় কেন মাথায় ঘাড়ে? টাকের ’পরে পণ্ডিতেরা ডাকের টিকিট মারে? রাত্রে কেন ট্যাক […]
কাটাকুটি
চোখ ধাঁধিয়ে তিরতিরিয়ে কাঁপছে ভীষণ রেলের পাটি। দুই শালিকে ঠোঁট নাড়িয়ে চিল চীৎকার ঝগড়াঝাঁটি। লাল মোরামের ভ্রান্ত পথের ক্লান্ত পথিক ছোটাছুটি। শাল পিয়ালের গহন বনে মেঘ কালো মেয়ে রূপরেখাটি। তপ্ত দুপুর মাটির দাওয়ায় ভাত ঘুমের ওই শীতলপাটি। তন্দ্রা চোখে পেঁজা তুলোর স্বপ্ন ফেরী কাটাকুটি।
ক্যালগেরি
আমার জন্ম বাংলাদেশে কিন্তু বার্লিন একদিন আমি খুব পছন্দ করেছিলাম, বার্লিনই আমার প্রথম দেখা পশ্চিম প্রথম প্রেমের মতো প্রথম দেখা সব কিছুই সুন্দর, বার্লিন, তোমাকে আমি ভুলিনি; আমার এখনো মনে পড়ে তোমার মেয়েদের শীতকাল শীতের উদ্ভিদের মতো মসৃণ ঊরু, উষ্ণ ঠোঁট লাল গণ্ডদেশজুড়ে পাকা আপেলের মাদকতা, আমি সেসব কিছুই ভুলিনি, তোমার অশ্রু, তোমার ভালোবাসা তোমার […]

