আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায়
বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়।
ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে-
মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা।
কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে
নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ
কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই
নাচের ছন্দে মহা আনন্দে জগৎ কাঁপিয়ে কারা ছন্দে গন্ধে
একি আনন্দে বৃষ্টির বোল তুলে আকাশে উড়িয়ে কেশবাস গেল
প্রলয়ে মেতেছে নারী উড়েছে তাহার শাড়ীর আঁচল নারী নয় তরবারি।
ধ্বনির দাপটে কি জানি কি ঘটে নূপুর বাজছে পায়ে
চারিদিকে বেজে উঠে কলরোল, নাচের মুদ্রা তুলে নৃত্যর তালে বাতাসের পালে
বেজেছে নৃত্য কাঁপায়ে ভৃত্য যেন উল্লাসে মাতোয়ারা
নিজের সঙ্গে নিজেই মাতাল কে যেন আত্মহারা
বলছে প্রলয় আর কিছু নয় আমি ছন্দের রাজা—
ওরে তোরা সবে ঢাকঢোল নিয়ে বাজা সংগীত বাজা।
Related Articles
পরানের গহীর ভিতর-১১
কি আছে তোমার দ্যাশে? নদী আছে? আছে নাকি ঘর? ঘরের ভিতরে আছে পরানের নিকটে যে থাকে? উত্তর সিথানে গাছ, সেই গাছে পাখির কোটর আছে নাকি? পাখিরা কি মানুষের গলা নিয়া ডাকে? যখন তোমার দ্যাখা জানা নাই পাবো কি পাবো না, যখন গাছের তলে এই দেহ দিবে কালঘুম, যথন ফুরায়া যাবে জীবনের নীল শাড়ি-বোনা তখন কি […]
হুলিয়া
আমি যখন বাড়িতে পৌঁছলুম তখন দুপুর, আমার চতুর্দিকে চিকচিক করছে রোদ, শোঁ শোঁ করছে হাওয়া। আমার শরীরের ছায়া ঘুরতে ঘুরতে ছায়াহীন একটি রেখায় এসে দাঁড়িয়েছে৷ কেউ চিনতে পারেনি আমাকে, ট্রেনে সিগারেট জ্বালাতে গিয়ে একজনের কাছ থেকে আগুন চেয়ে নিয়েছিলুম, একজন মহকুমা স্টেশনে উঠেই আমাকে জাপটে ধরতে চেয়েছিল, একজন পেছন থেকে কাঁধে হাত রেখে চিত্কার করে […]
পথ যদি
বিষয়টি আপাতত বিবেচনাধীন জানাবো সময় হলে। অপেক্ষায় থাকতে থাকতে একুশ গিয়ে, তেইশ পেরিয়ে, দিনগুলো যখন চব্বিশের সীমান্ত হারিয়ে পঁচিশের পথে, তখনো হলো না জানা বিবেচনাধীন নথিটির ছাড়পত্র আদৌ পাওয়া যাবে কি না। নিশ্চুপ, কিছু না জানিয়ে দেখিয়ে দিলেন পথ। পথ যদি কিছু বলে, নিশ্চয়ই আমাকে জানাবে বাতাস।

