আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায়
বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়।
ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে-
মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা।
কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে
নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ
কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই
নাচের ছন্দে মহা আনন্দে জগৎ কাঁপিয়ে কারা ছন্দে গন্ধে
একি আনন্দে বৃষ্টির বোল তুলে আকাশে উড়িয়ে কেশবাস গেল
প্রলয়ে মেতেছে নারী উড়েছে তাহার শাড়ীর আঁচল নারী নয় তরবারি।
ধ্বনির দাপটে কি জানি কি ঘটে নূপুর বাজছে পায়ে
চারিদিকে বেজে উঠে কলরোল, নাচের মুদ্রা তুলে নৃত্যর তালে বাতাসের পালে
বেজেছে নৃত্য কাঁপায়ে ভৃত্য যেন উল্লাসে মাতোয়ারা
নিজের সঙ্গে নিজেই মাতাল কে যেন আত্মহারা
বলছে প্রলয় আর কিছু নয় আমি ছন্দের রাজা—
ওরে তোরা সবে ঢাকঢোল নিয়ে বাজা সংগীত বাজা।
Related Articles
নির্জন স্বাক্ষর
তুমি তা জানো না কিছু, না জানিলে- আমার সকল গান তবুও তোমারে লক্ষ্য ক’রে! যখন ঝরিয়া যাব হেমন্তের ঝড়ে, পথের পাতার মতো তুমিও তখন আমার বুকের ‘পরে শুয়ে রবে? অনেক ঘুমের ঘোরে ভরিবে কি মন সেদিন তোমার! তোমার এ জীবনের ধার ক্ষয়ে যাবে সেদিন সকল? আমার বুকের ’পরে সেই রাতে জমেছে যে শিশিরের জল, তুমিও […]
বিলাপ
যদি যেতো এইসব উপখ্যান ঐখানেই ছেড়ে আসা হতো যেখানে তার সৃষ্টি! সৃষ্টি, কখনও থামেনা পথ বানায়, তাড়িয়ে বেড়ায় পরিণতি চায়, কখনও হারায় না পরিণতি, শুদ্ধ কি অশুদ্ধ কি আসে যায় প্রত্যুষের ধূপকাঠি, বেলা শেষে আগ্নেয়গিরি অনুভূমিক! নদী বৃষ্টির এই দেশ, এই মন দহনে, ক্ষরণে ও ধারণে আজ ক্রন্দসী অরণ্য.. মানিতা মিতু ঢাকা, মে […]
বাড়িদখল
দরোজায় লাথি মেরে বেহায়া চিৎকার তুলছি মাঝরাত্তিরে যারই বাড়ি হোক এটা খুলতে হবেই নাতো ভেঙে ঢুকে যাব সামলাও নিজস্ব স্ত্রীলোক বাঁদি সোনাদানা ইষ্টদেবতা ফেরেবের কাগজপত্তর নথি আজ থেকে এবাসা আমার ভোর হলে রাস্তায় সমস্ত আসবাব ছুঁড়ে ফেলে দোব শষ্যের গ্রীষ্মবর্ষা পাপোশের নারিকেলসারি-ছায়া পোশাকের মেঘলা দুপুর গয়নার ভালোবাসা বাসনের দিনান্তের খিদে সদর দরোজা দিয়ে ধাক্কা মেরে […]

