আকাশের কোলে মেঘের স্তম্ভ বিদ্যুৎ চমকায়
বুঝি ওই আসে কাল বৈশাখী দমকে গমকে ধবংসের গরিমায়।
ঝরো বৃষ্টির ঘূর্নি উঠেছে-
মাথা খুঁটে গাছপালা, বাজে ধমকে গমকে কাঁপছে আমার বুকের জ্বালা।
কালো হয়ে আসে মেঘের স্তম্ভ, নাচের মুদ্রা তুলে
নাচে নটরাজ দু’পায়ে আওয়াজ হাত দুটি তুলে ঐ
কারা যেন বলে আমি তো এখানে ঝনজা কেহ নই
নাচের ছন্দে মহা আনন্দে জগৎ কাঁপিয়ে কারা ছন্দে গন্ধে
একি আনন্দে বৃষ্টির বোল তুলে আকাশে উড়িয়ে কেশবাস গেল
প্রলয়ে মেতেছে নারী উড়েছে তাহার শাড়ীর আঁচল নারী নয় তরবারি।
ধ্বনির দাপটে কি জানি কি ঘটে নূপুর বাজছে পায়ে
চারিদিকে বেজে উঠে কলরোল, নাচের মুদ্রা তুলে নৃত্যর তালে বাতাসের পালে
বেজেছে নৃত্য কাঁপায়ে ভৃত্য যেন উল্লাসে মাতোয়ারা
নিজের সঙ্গে নিজেই মাতাল কে যেন আত্মহারা
বলছে প্রলয় আর কিছু নয় আমি ছন্দের রাজা—
ওরে তোরা সবে ঢাকঢোল নিয়ে বাজা সংগীত বাজা।
Related Articles
কাটাকুটি
চোখ ধাঁধিয়ে তিরতিরিয়ে কাঁপছে ভীষণ রেলের পাটি। দুই শালিকে ঠোঁট নাড়িয়ে চিল চীৎকার ঝগড়াঝাঁটি। লাল মোরামের ভ্রান্ত পথের ক্লান্ত পথিক ছোটাছুটি। শাল পিয়ালের গহন বনে মেঘ কালো মেয়ে রূপরেখাটি। তপ্ত দুপুর মাটির দাওয়ায় ভাত ঘুমের ওই শীতলপাটি। তন্দ্রা চোখে পেঁজা তুলোর স্বপ্ন ফেরী কাটাকুটি।
অথচ
তোমাকে দেখে অবাক হয়ে যাই বারবার। এত আক্রমণ পরস্পরবিরোধী এত শোকমিছিলের মধ্যেও কী অনায়াসে বুনে যাচ্ছ লাল পশমের শৃঙ্খলা। উদ্ভিদের চেয়ে নীরব, ছাপানো মহাভারতের চেয়ে উদাসীন। অথচ পিছনের দেয়ালেই রক্তছাপ অথচ বুকের শাড়ি সরালেই অনাবৃষ্টির চৌচির।
ভিখারি বানাও কিন্তু তুমি তো তেমন গৌরী নও
আমাকে কি নিতে চাও? কত জরি ছড়াও সুন্দরী দুই হাতে ঝরাও ঝালর আমাকে কি নেবে তুমি? কখনো দেখিনি আগে চোখে এত নিরুপম ভালোবাসা তোমার মেদুর হাসি ধরেছি বিশ্বের পাশাপাশি আণবী ছটায় জ্বলে ঠোঁট আমাকে কি নিতে চাও? নেবে কোন শূন্য মাঠ থেকে? হায় তুমি অন্নপূর্ণা আজ! চাও শুধু সমর্পণ, একে একে সব নাও খুলে মেদ […]

