দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি।
দেখা তো হয়েছে ক্রূর যমের সহিত,
তাকে বলা গেছে, আমি একাকীই যাবো।
গঙ্গার তরঙ্গভঙ্গে নিভে যাবে আলো,
আমি যাবো, সঙ্গে নিয়ে যাবো না কারুকে
একা যাবো
দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি!

দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি।
দেখা তো হয়েছে ক্রূর যমের সহিত,
তাকে বলা গেছে, আমি একাকীই যাবো।
গঙ্গার তরঙ্গভঙ্গে নিভে যাবে আলো,
আমি যাবো, সঙ্গে নিয়ে যাবো না কারুকে
একা যাবো
দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি!
দু’চোখে কলমির ফুল যেন তুমি বৃষ্টির সে বনঘ্রাণ পেয়ে গেছো, সকালে, সুন্দর বহুকাল বাদে যেন মাছস্পর্শ পাও দাঁতের মাড়ির মধ্যে, নেবুগাছ গন্ধের মতন তীব্র ছেলেখেলা আর মিথ্যে মিথ্যে কথা! বয়স হয়েছে, তবু বৃদ্ধ, তুমি নিজেকে হারাও! অদ্ভূত দুঃখের গন্ধ তোমার শরীরে— বৃদ্ধ, মনঃ ছিলো নাকি তোমার শরীরে বড়ো কষ্ট, বৃদ্ধ, আজ তোমার শরীরে অতিস্বাভাবিকতার হাওয়া […]
এই মুহূর্তে, এক্ষুনি আমার একটু প্রেম দরকার। একটু আগেই কলমটা একগাদা নোংরা বমি করল। শুরুতেই ‘বিবর্ণ ধুসর প্রান্তর’। আমি দুহাত দিয়ে আপ্রান চেপে ধরলাম নীপটাকে। ফস্কে গেল, ছড়াত! কালি ছড়িয়ে পরল খাতার মধ্যিখানে। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো এক নিকষ অন্ধকার, এবার সেই অন্ধকার ধীরে ধীরে হয়ে উঠল ‘রক্তস্রাব’। ঘিনঘিনে পোকাগুলো কিলবিলিয়ে সাঁতরাতে লাগল তার ওপর। […]
আধখানা মুখ বাইরে রেখো, আধখানা মুখ অন্ধকারে, দূর থেকে যেন সবাই তোমায় দেখতে পারে। ঘুম যদি পায় রাত্রিবেলা, শীতের জটিল অন্ধকারে, জ্বেলে নিয়ো তাপ উড়কি পাতায়, শুকনো খড়ে। দূর থেকে তাপ দেখতে পাব, আগুনের জ্বালা অন্ধকারে, হঠাৎ পথে কী দস্যুতা রে! কেড়ে নিয়ে যায় ঝরনার মতো ছুটে চলে যায় অন্ধকারে নিয়ে যায় সব অস্থি-মজ্জা-মাংস কেড়ে। […]
