-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকি
আমি যেন মেঘে জলে মেশা কোনো আত্মহারা পাখি।
বলতো কী পাখি ?
-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা
উলাক্র স্ফুলিঙ্গ দিয়ে অন্ধকারে দীর্ঘ ছবি আঁকা ।
বলতো কী ছবি?
-যতক্ষন কথা বলো,হাসো ও ঝরাও ধারাজল
বীজ থেকে জেগে ওঠে অফুরন্ত গাছ,বনতল।
বলতো কী গাছ?
-যতক্ষন পাশে থাকো ভুমিকম্প,সুখের সন্ত্রাস
পৌঁছে যাই সেইখানে,যেখানে বসন্ত বারোমাস।
বলতো কী দেশ?
Related Articles
কথোপকথন-২২
তেরোই জুলাই কথা দিয়েছিলে আসবে । সেই মত আমি সাজিয়েছিলাম আকাশে ব্যস্ত আলর অজস্র নীল জোনাকি। সেই মত আমি জানিয়েছিলাম নদীকে প্রস্তুত থেকো,জলে যেন ছায়া না পড়ে মেঘ বা গাছের।তেরোই জুলাই এলে না। জ্বর হয়েছিল? বাড়িতে তো ছিল টেলিফোন। জানালে পারতে।থার্মোমিটার সাজাতাম। নীলিমাকে ছুঁয়ে পাখি হতো পরিতৃপ্ত
শিল্প
জমি কেড়ে নেওটাই কাজ ঘর ছাড়া করাটাই কাজ আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তাড়াও, তারপর তৈরি করো আমাদেরই বুকের উপরে উঁচু শিল্প, উদ্ধত সমাজ | সঙ্গে কিন্তু পুলিশকেও চাই নাহলে কি করে ছলে ব’লে আমার হাড়গোড় ভাঙবে, ভাই! গণতন্ত্র আজ থেকে এটাই গণতন্ত্র আজ থেকে এটাই |
বন্ধুর জন্য বিজ্ঞাপন
আমি একটি বন্ধু খুঁজছিলাম যে আমার পিতৃশোক ভাগ করে নেবে, নেবে আমার ফুসফূস থেকে দুষিত বাতাস ; বেড়ে গেলে শহরময় শীতের প্রকোপ তার মুখ মনে হবে সবুজ চয়ের প্যাকেট, এখানে ওখানে দেখা দিলে সংক্রামক রোগ, ক্ষয়কাশ উইয়ে-খাওয়া কারেন্সি নোটের মতো আমার ফুসফুসটিকে তীক্ষ্ণ দাঁতে ছিদ্র করে দিলে, সন্দেহজনকভাবে পুলিশ ঘুরলে পিছে, ডবল ডেকার থেকে সে […]

