-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকি
আমি যেন মেঘে জলে মেশা কোনো আত্মহারা পাখি।
বলতো কী পাখি ?
-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা
উলাক্র স্ফুলিঙ্গ দিয়ে অন্ধকারে দীর্ঘ ছবি আঁকা ।
বলতো কী ছবি?
-যতক্ষন কথা বলো,হাসো ও ঝরাও ধারাজল
বীজ থেকে জেগে ওঠে অফুরন্ত গাছ,বনতল।
বলতো কী গাছ?
-যতক্ষন পাশে থাকো ভুমিকম্প,সুখের সন্ত্রাস
পৌঁছে যাই সেইখানে,যেখানে বসন্ত বারোমাস।
বলতো কী দেশ?
Related Articles
কবি ও কৃষ্ণচুড়া
চৈত্রে হয়তো ফোটেনি কৃষ্ণচুড়া তাতে ক্ষতি নেই; তোমার ঠোঁটেই দেখি এসেছে আবার কৃষ্ণচুড়ার ঋতু তুমি আছে তাই অভাব বুঝিনি তার; না হলে চৈত্রে কোথায়ইবা পাবো বলো কৃষ্ণচুড়ার অযাচিত উপহার, বর্ষায় সেই ফুটবে কদম ফুল তোমার খোঁপায় চৈত্রেই আনাগোনা। তাই সন্দেহে চোখ মেলে কেউ কেউ তাকায় কোথায় ফুটেছে কৃষ্ণচুড়া, কেউ খোঁজে এই নিরিবিলি ফুলদানি; চৈত্রে কোথাও […]
রাবণের চোখ
শৈশবের কথা। সদ্যপ্রসূত কালো ছাগলির গা থেকে রক্ত-ক্বাথ পুঁছে দিতে-দিতে বলেছিল কুলসুম আপা, ‘এ ভাবেই প্রাণ আসে পৃথিবীতে ; আমরাও এসেছি একইভাবে’। হাঁস-মুর্গির ঘরে নিয়ে গিয়ে আপা আমার বাঁ-হাতখানা নিজের তপ্ত তুরুপে চেপে বলেছিল, ‘মানুষ জন্মায় এই সিন্দুকের ডালা খুলে’। রাবণের দশ জোড়া চোখে আমি ও-সিন্দুক আতঙ্কিত রুদ্ধশ্বাসে দ্রুত খুলে বন্ধ করে দিই ।
মৃত্তিকার ঘন অন্ধকারে
মৃত্যুপরে মৃত্তিকায় এই দেহ প্রোথিত ফসল, অন্তিম প্রার্থনা শেষে ফিরে যায় সকল স্বজন চল্লিশ কদম দূরে পৌঁছুতে না পৌঁছুতে তখন— বলা হয় ফেরেশতা কবরে নামে সংখ্যায় দুজন— সম্ভবত সেই তারা যারা ছিল কাঁধের ওপরে যখন জীবিত ছিল এই লোক, কাঁধের ওপরে যারা প্রতি মুহূর্তের পাপপুণ্য যা কিছু সে করে সব লিখে রাখে তারা বিবরণ বিশ্বস্ত […]

