-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকি
আমি যেন মেঘে জলে মেশা কোনো আত্মহারা পাখি।
বলতো কী পাখি ?
-যতক্ষন পাশে থাকো,যতক্ষন ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা
উলাক্র স্ফুলিঙ্গ দিয়ে অন্ধকারে দীর্ঘ ছবি আঁকা ।
বলতো কী ছবি?
-যতক্ষন কথা বলো,হাসো ও ঝরাও ধারাজল
বীজ থেকে জেগে ওঠে অফুরন্ত গাছ,বনতল।
বলতো কী গাছ?
-যতক্ষন পাশে থাকো ভুমিকম্প,সুখের সন্ত্রাস
পৌঁছে যাই সেইখানে,যেখানে বসন্ত বারোমাস।
বলতো কী দেশ?
Related Articles
পুজারিনী
এত দিনে অবেলায়- প্রিয়তম! ধূলি-অন্ধ ঘূর্ণি সম দিবাযামী যবে আমি নেচে ফিরি র”ধিরাক্ত মরণ-খেলায়- এ দিনে অ-বেলায় জানিলাম, আমি তোমা’ জন্মে জন্মে চিনি। পূজারিণী! ঐ কন্ঠ, ও-কপোত- কাঁদানো রাগিণী, ঐ আখি, ঐ মুখ, ঐ ভুর”, ললাট, চিবুক, ঐ তব অপরূপ রূপ, ঐ তব দোলো-দোলো গতি-নৃত্য দুষ্ট দুল রাজহংসী জিনি’- চিনি সব চিনি। তাই আমি এতদিনে […]
বল্লেন যাহা জম্বুবান
দাম্পত্য…তুমি সহজে বিষয় থেকে বিষয়হীনতায় চলে যাও ক্ষমতা…তুমি অনায়াসে জনপ্রতিনিধি তছরূপকারী আর খুনের আসামি শিল্প…তুমি বোধ ও অবোধকে একই বর্ণের আস্তরণে সাজিয়ে রেখেছ প্রতিরোধ…তুমি আছ বলে কলিংবেল ডাকছে কথামৃত…তুমিও তো রূপ ও অরূপকে হোমিওপ্যাথির আড়ালে জেনেছ লাউকুমড়ো…ফলন্তের কেন যে এমন ফলের মাথায় ফুল এনেছ নিত্যসিদ্ধ…তুমি আগেভাগে ঈশ্বর টের পেয়ে তবু সাধনায় মেতেছ প্রেমিকা…মাঝরাতে মর্ষকামী তুমি […]
আমূল বদলে দাও আমার জীবন
পরিপূর্ণ পাল্টে দাও আমার জীবন, আমি ফের বর্ণমালা থেকে শুরু করি- আবার মুখস্ত করি ডাক-নামতা, আবার সাঁতার শিখি একহাঁটু জলে; তুমি এই অপগণ্ড বয়স্ক শিশুকে মেরেপিটে কিছুটা মানুষ করো, কেতে দাও আলুসিদ্ধ দুটি ফেনা ভাত। আবার সবুজ মাঠে একা ছেড়ে দাও তাকে, একটু করিয়ে দাও পরিচয় আকাশের সাথে খুব যত্ন করে সব বৃক্ষ ও ফুলের […]

