-ইলাস্ট্রেটেড উইকলিতে তোমার তিনটে কবিতা ছাপা হল
আমায় কিন্তু বলনি।
মধুমিতার সঙ্গে দেখা এলিয়াসে,সেই আমাকে বলল।
শুনে এমন রাগ হল যে ভেবেছিলাম বন্ধ করব দেখা।
তুমি কোথায় কী লিখেছো তা শুনতে হবে হাটের লোকের মুখে ?
সেই রাগেতেই চিঠির জবাব লিখেও তাকে কবর দিয়ে এলাম
লেপ-তোশকের নীচে।
-উপরে কাঁটা নীচে কাঁটা উঠতে বসতে লাথি-ঝাঁটা
এমনি আমার ভাগ্য।
তমার কাছেই পেয়েছিলাম শুকনো পাতায় প্রথম বৃষ্টিজল
তুমিই প্রথম শুনিয়েছিলে সেই বাঁশি যা ক্ষতের মুখে মলম।
তেমনি আজও তমার মুখেই শুনছি প্রথম
ইলাস্ট্রেটেড উইকলিটার কথা,
এ পর্যন্ত চোখের দেখাও দেখিনি।
রাগের মেঘটা সরিয়ে দিয়ে এবার একটু প্রসন্ন মুখ তুলুন।
Related Articles
বাড়িদখল
দরোজায় লাথি মেরে বেহায়া চিৎকার তুলছি মাঝরাত্তিরে যারই বাড়ি হোক এটা খুলতে হবেই নাতো ভেঙে ঢুকে যাব সামলাও নিজস্ব স্ত্রীলোক বাঁদি সোনাদানা ইষ্টদেবতা ফেরেবের কাগজপত্তর নথি আজ থেকে এবাসা আমার ভোর হলে রাস্তায় সমস্ত আসবাব ছুঁড়ে ফেলে দোব শষ্যের গ্রীষ্মবর্ষা পাপোশের নারিকেলসারি-ছায়া পোশাকের মেঘলা দুপুর গয়নার ভালোবাসা বাসনের দিনান্তের খিদে সদর দরোজা দিয়ে ধাক্কা মেরে […]
জলের সামনে
ব্রিজের অনেক নিচে জল, আজ সেইখানে ঝুঁকেছে মানুষ কখনো মানুষ হয়ে উঠি আমি, কখনো মানুষ নই, তবুও সন্ধ্যায় ব্রিজের খিলান ধরে ঝুঁকে থেকে মনে হয় অবিকল মানুষেরই মতো মানুষের জল দেখা, জলের মানুষ দেখা পরস্পর মুখ; মানুষ দেখেছে জল বহুদিন মানুষ দেখেছে অশ্রজল মানুষ দেখেছে মুখ অশ্রুভেজা ব্রিজের অনেক নিচে হিম কালো জলে কালো জল […]
অথচ
তোমাকে দেখে অবাক হয়ে যাই বারবার। এত আক্রমণ পরস্পরবিরোধী এত শোকমিছিলের মধ্যেও কী অনায়াসে বুনে যাচ্ছ লাল পশমের শৃঙ্খলা। উদ্ভিদের চেয়ে নীরব, ছাপানো মহাভারতের চেয়ে উদাসীন। অথচ পিছনের দেয়ালেই রক্তছাপ অথচ বুকের শাড়ি সরালেই অনাবৃষ্টির চৌচির।

