-ইলাস্ট্রেটেড উইকলিতে তোমার তিনটে কবিতা ছাপা হল
আমায় কিন্তু বলনি।
মধুমিতার সঙ্গে দেখা এলিয়াসে,সেই আমাকে বলল।
শুনে এমন রাগ হল যে ভেবেছিলাম বন্ধ করব দেখা।
তুমি কোথায় কী লিখেছো তা শুনতে হবে হাটের লোকের মুখে ?
সেই রাগেতেই চিঠির জবাব লিখেও তাকে কবর দিয়ে এলাম
লেপ-তোশকের নীচে।
-উপরে কাঁটা নীচে কাঁটা উঠতে বসতে লাথি-ঝাঁটা
এমনি আমার ভাগ্য।
তমার কাছেই পেয়েছিলাম শুকনো পাতায় প্রথম বৃষ্টিজল
তুমিই প্রথম শুনিয়েছিলে সেই বাঁশি যা ক্ষতের মুখে মলম।
তেমনি আজও তমার মুখেই শুনছি প্রথম
ইলাস্ট্রেটেড উইকলিটার কথা,
এ পর্যন্ত চোখের দেখাও দেখিনি।
রাগের মেঘটা সরিয়ে দিয়ে এবার একটু প্রসন্ন মুখ তুলুন।
Related Articles
মেশোমশায় পর্ব
যুধিষ্ঠির আববে পাণ্ডবের বাচ্চা যুধিষ্ঠির বহুতল বাড়ি থেকে নেবে আয় গলির মোড়েতে নিয়ায় ল্যাংবোট কৃষ্ণ ভীম বা নকুল কে কে আছে পেটো হকিস্টিক ক্ষুর সোডার বোতল ছুরি সাইকেল চেন বলেদে দ্রৌপদীকে আলসে থেকে ঝুঁকে দেখেনিক আমার সঙ্গে আজ কেউ নেই কিছু নেই ধৃষ্টদ্যুম্ন দুর্যোধন নেই তোদেরই অঙ্গুলিহেলনে কেটে তর্জনীও দিয়েছি শৈশবে দাঁড়াচ্ছি পা-ফাঁক করে দন্তস্ফূট […]
তীর্থ
২৩. তীর্থ কেন নাড়া দিলে? নাড়ালেই নড়ে না অনেক কিছু তবু কেন এমন নাড়ালে? পৃথিবীর তিন ভাগ সমান দু’চোখ যার তাকে কেন একমাস শ্রাবণ দেখালে! এক ওভাবে নাড়ালে? যেটুকু নড়ে না তুমুলভাবে ভেতরে বাহিরে কেন তাকে সেটুকু নাড়ালে? ভয় দেখালেই ভয় পায় না অনেকে, তবু তাকে সে ভয় দেখালে? যে মানুষ জীবনের সব ক’টি শোক-দ্বীপে […]
কাছের মানুষ
কালো রাতের জানলার ফাঁকে একফালি নাগরিক আকাশ আমার একমাত্র অবকাশ। রংবেরঙের কিছু স্মৃতি শুধু রইল পড়ে রইল দুধে-আলতা বিকেল বেলা অনিদ্রিত স্বপ্নমাখা সে এক রাত কিছু কবিতা, অনেক গান পুরনো কয়েকটা বই। আলো আঁধারে প্রতিক্ষণে যখন রক্তক্ষরণ ঘটে প্রাণে তখন সেই স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বেড়াই কাছে দূরে, নীলাভ আকাশের সবুজ ছায়ায় মুহূর্তের নিঃসঙ্গ স্তব্ধতা।

