ভালোবাসা যদি এ-রকমই হয় রক্তমাংস, কাম
লালনেও মিছে লজ্জা পাবো কি, সঙ্কোচে লিখি নাম?
মানুষ লিখেই কতোবার কাটি, মানুষের বেশি নই
কামে-প্রেমে তাই এতো ভার বহি, এমন যাতনা সই!
মানুষে যদি বা মাহাত্ম্য নেই পাষাণেই দেখা হবে
তোমাতে আমাতে আজকাল বাদে এটুকু তো সম্ভবে।
প্রেমের মূল্যে আমাকে ছেড়েছো ঘৃণার মূল্যে দিও
তুমিও জানো না আমিও জানি না কোনখানে স্মরণীয়
প্রিয়ায় আসেনি হিয়ায় এসেছো, কন্যায় কামনায়
চাইনা বলেও যতোবার ভাবি না চাওয়াও কিছু চায়।
মহাদেব সাহা
(জন্ম: ৫ আগস্ট ১৯৪৪) বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালের একজন অন্যতম প্রধান কবি।১৯৪৪ সালের ৫ আগস্ট পাবনা জেলার ধানঘড়া গ্রামে পৈতৃক বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম বগদাধর সাহা এবং মাতা বিরাজমোহিনী।তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৯৩ টি।
কাব্যগ্রন্থ
এই গৃহ এই সন্ন্যাস (১৯৭২),
মানব এসেছি কাছে,
চাই বিষ অমরতা,
কী সুন্দর অন্ধ,
তোমার পায়ের শব্দ,
তবু স্বপ্ন দেখি,
সোনালী ডানার মেঘ,
পৃথিবী তোমাকে আমি ভালোবাসি,
কে পেয়েছে সব সুখ, সবটুকু মধু,,
শুকনো পাতার স্বপ্নগাঁথা,
দুঃসময়ের সঙ্গে হেঁটে যাই,
দুঃখ কোন শেষ কথা নয়,
ভালোবাসা কেন এতো আলো অন্ধকারময়,
লাজুক লিরিক-২,
দূর বংশীধ্বনি,
অর্ধেক ডুবেছি প্রেমে - অর্ধেক আধারে,
কালো মেঘের ওপারে পূর্ণিমা,
সন্ধ্যার লিরিক ও অন্যান্য,
মহাদেব সাহার রাজনৈতিক কবিতা (কাব্য-সংকলন),
মহাদেব সাহার প্রেমের কবিতা (কাব্য-সংকলন),
মহাদেব সাহার কাব্যসমগ্র (কাব্য-সংকলন) - ১ম খণ্ড, ২য় খন্ড, ৩য় খন্ড, ৪র্থ খন্ড,
মহাদেব সাহার শ্রেষ্ঠ কবিতা (কাব্য-সংকলন),
প্রেম ও ভালবাসার কবিতা (কাব্য-সংকলন),
নির্বাচিত ১০০ কবিতা (কাব্য-সংকলন),
নির্বাচিত একশ (কাব্য-সংকলন),
প্রকৃতি ও প্রেমের কবিতা(কাব্য-সংকলন),
প্রবন্ধ
আনন্দের মৃত্যু নেই
মহাদেব সাহার কলাম
কবিতার দেশ ও অন্যান্য ভাবনা
মহাদেব সাহার নির্বাচিত কলাম
শিশুসাহিত্য
টাপুর টুপুর মেঘের দুপুর
ছবি আঁকা পাখির পাখা
আকাশে ওড়া মাটির ঘোড়া
সরষে ফুলের নদী
আকাশে সোনার থালা
মহাদেব সাহার কিশোর কবিতা
পুরস্কার ও সম্মাননা
---------------------------------
মহাদেব সাহা তাঁর কাব্য প্রতিভার জন্য অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। তিনি ১৯৮৩ সালে কবিতায় বাংলা একাডেমী পুরস্কার এবং ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন। এছাড়াও অন্যান্য পুরস্কার ও সম্মননার মধ্যে ১৯৯৫ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৭ সালে বগুড়া লেখকচক্র পুরস্কার, ২০০২ সালে খালেদদাদ চৌধূরী স্মৃতি পুরস্কার এবং ২০০৮ সালে জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার অন্যতম।
Related Articles
কাইয়ুমের জন্যে
চলে যাচ্ছো? যেয়ো না, দাঁড়াও। দাঁড়াবে না? যাবেই তাহলে। চিত্রপটে শেষ টান দিয়ে যাও। যা ছিলো বলার যাও বলে। নৌকোর গলুই চোখে জল ফিরে তুমি দেখবে না আর? আজ মাটি খুঁড়ছে শাবল, পরে নিচ্ছো কাফন তোমার। মাটিতেই ফিরে যাও তবে_ একে তুমি ভালোবেসেছিলে, এরই রঙ রেখার বৈভবে পট পরে পট এঁকেছিলে। এখন যে নিয়েছো কাফন, […]
নীরার পাশে তিনটি ছায়া
নীরা এবং নীরার পাশে তিনটি ছায়া আমি ধনুকে তীর জুড়েছি, ছায়া তবুও এত বেহায়া পাশ ছাড়ে না এবার ছিলা সমুদ্যত, হানবো তীর ঝড়ের মতো– নীরা দু’হাত তুলে বললো, ‘মা নিষাদ! ওরা আমার বিষম চেনা!’ ঘূর্ণি ধুলোর সঙ্গে ওড়ে আমার বুক চাপা বিষাদ– লঘু প্রকোপে হাসলো নীরা, সঙ্গে ছায়া-অভিমানীরা ফেরানো তীর দৃষ্টি ছুঁয়ে মিলিয়ে গেল নীরা […]

