ভালোবাসা যদি এ-রকমই হয় রক্তমাংস, কাম
লালনেও মিছে লজ্জা পাবো কি, সঙ্কোচে লিখি নাম?
মানুষ লিখেই কতোবার কাটি, মানুষের বেশি নই
কামে-প্রেমে তাই এতো ভার বহি, এমন যাতনা সই!
মানুষে যদি বা মাহাত্ম্য নেই পাষাণেই দেখা হবে
তোমাতে আমাতে আজকাল বাদে এটুকু তো সম্ভবে।
প্রেমের মূল্যে আমাকে ছেড়েছো ঘৃণার মূল্যে দিও
তুমিও জানো না আমিও জানি না কোনখানে স্মরণীয়
প্রিয়ায় আসেনি হিয়ায় এসেছো, কন্যায় কামনায়
চাইনা বলেও যতোবার ভাবি না চাওয়াও কিছু চায়।
Related Articles
রাবণের চোখ
শৈশবের কথা। সদ্যপ্রসূত কালো ছাগলির গা থেকে রক্ত-ক্বাথ পুঁছে দিতে-দিতে বলেছিল কুলসুম আপা, ‘এ ভাবেই প্রাণ আসে পৃথিবীতে ; আমরাও এসেছি একইভাবে’। হাঁস-মুর্গির ঘরে নিয়ে গিয়ে আপা আমার বাঁ-হাতখানা নিজের তপ্ত তুরুপে চেপে বলেছিল, ‘মানুষ জন্মায় এই সিন্দুকের ডালা খুলে’। রাবণের দশ জোড়া চোখে আমি ও-সিন্দুক আতঙ্কিত রুদ্ধশ্বাসে দ্রুত খুলে বন্ধ করে দিই ।
এই ভালো এই তবে ভালো
তোমার সময় যদি সদাশয় হে ঈশ্বর হয় আমাদের ঘরে এসো একবার দু’এক মিনিট। লাবণ্যের চুল আজও সুবাসিত তেলে গন্ধময়— যদিও দালান ভাঙা, কী নির্মল হাসে ন্যাংটো ইট। তবুও যখন তুমি পূর্ণিমার চাঁদ তুলে ধরো, যখন মাখিয়ে দাও পৃথিবীর আননে মাখন— তখন যদিও শ্বাস বন্ধপ্রায়, প্রাণ মরো-মরো, আমার মাটির থালা হয়ে ওঠে সোনার বাসন, ভরে যায় […]
তাহারে খুঁজিয়া বেড়াই
আমি তাহারে খুঁজিয়া বেড়াই আনমনে, তাহার আঁখি প্রাঙ্গণে তবু সে বুঝিতে পারে না, তাহারে বুঝিতে দেই না আমি আপন হৃদয়ে কেবল তাহারই বসবাস, তাহারই পদচারণায় মুখরিত স্মৃতির সহবাস । ভুবন ভুলিয়া, তাহার চুম্বন ওষ্ঠে মাখিয়া খুঁজিয়াছি আমি সিন্ধুমালায়, নীল অতলে… তব তাহার রূপ-যৌবনের দ্বিতীয়া নাহি অতৃপ্ততার হৃদ-সাগরে ।। চন্দ্রিমার সীমা চৌচির্ণ করিয়া মধু খুঁজিয়া বেড়াই […]

