যাকে চেয়েছিলাম তাকে পেলাম না
যে-ঘাট ছাড়ে নৌকা তাতে গেলাম না
কপাল আমার মন্দ তাতে সন্দেহ কি
চোখ বুজলে প্রিয় কেবল তোমায় দেখি।
ফুলগাছে জল দিলাম তাতে ধরেছে ফল
যে-ঘরে পৌঁছুলাম দেখি ভাঙা আগল
অমূল্য রাখবো না বলেই গেলাম না
যাকে চেয়েছিলাম তাকে পেলাম না।
সারা জীবন সন্ধে-সকাল করেও ফাঁকি
কপাল আমার মন্দ তাতে সন্দেহ কি
প্রিয়কে পথ দিয়েও বুঝি দিলাম না
যাকে চেয়েছিলাম তাকে পেলাম না!
Related Articles
মৃত্যুর আগে
আমরা হেঁটেছি যারা নির্জন খড়ের মাঠে পউষ সন্ধ্যায়, দেখেছি মাঠের পারে নরম নদীর নারী ছড়াতেছে ফুল কুয়াশার কবেকার পাড়াগার মেয়েদের মতো যেন হায় তারা সব আমরা দেখেছি যারা অন্ধকারে আকন্দ ধুন্দুল জোনাকিতে ভরে, গেছে; যে মাঠে ফসল নাই তাহার শিয়রে চুপে দাঁড়ায়েছে চাঁদ — কোনো সাধ নাই তার ফসলের তরে; আমরা বেসেছি যারা অন্ধকারে দীর্ঘ […]
কঙ্কাল ও শাদা বাড়ি
শাদা বাড়িটার সামনে আলো-ছায়া-আলো, একটি কঙ্কাল দাঁড়িয়ে এখন দুপুর রাত অলীক রাত্রির মতো, অররণা রয়েছে খুব ঘুমে- যে-রকম ঘুম শুধু কুমারীর, যে ঘুম স্পষ্টত খুব নীল; যে স্তনে লগৈনি দাঁত তার খুব মৃদু ওঠপড়া তলপেটে একটুও নেই ফাটা.দাগ, এ শরীর আজও ঋণী নয় এই সেই অরুণা ও রুনি নাম্মী পরা ও অপরা সুখ ও আসুখ […]
স্নান করে উঠে কতক্ষণ
স্নান করে উঠে কতক্ষণ ঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা মন্দিরের পিছনে পুরনো বটগাছ। ঝুরি। ফাটধরা রোয়াকে কুকুর। অনেক বছর আগে রথের বিকেলে নৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি যে-দস্যি ছেলেটা এতক্ষণে, জল থেকে সে ওঠে, দৌড় মারে, ঝুরি ধরে খুব দোল খায় সারা গা শ্যাওলায় ভরা, একটা চোখ মাছে খেয়ে গেছে কেউ তাকে দেখতে […]

