তোমার হাতের জল পেলে শুধু এই তৃষ্ণা যাবে
না হলে যাবার নয় এই তৃষ্ণা, এই গ্রীষ্মকাল।
তোমার হাতের জল ছাড়া ভিজবে না পোড়া জমি
এই পোড়ামাটির মানুষ; তোমার হাতের জল
পেলে তাই ফিরে পাবো এ জীবনে ফের সুসময়
সমস্ত অসুখ থেকে আবার উঠবো হয়ে ভলো।
তোমার হতের জল ছাড়া এই চারা কিসে বাঁচে,
কিসে পল্লবিত হয় বলো এই শষ্ক ডালপালা?
তোমার হাতের জল পেলে মেলে অপর্থিব সুখ
মুহূর্তেই হয়ে উঠি পরিপূর্ণ সবুজ, সতেজ।
এমন বর্ষণে তবু ভেজৈ নাই দেখো এই বুক
সমুদ্র সামান্য যেন তোমার হাতের জল ছাড়া;
তোমার হাতের জল একফোঁটা শুধু যদি পাই,
কাঁটার বিরুদ্ধে আমি অনায়াসে বুনে যাবো ফুল।
Related Articles
হে স্তন্যদায়িনী
তোমার দুধের মধ্যে এত জল কেন ? তোমার দুধের মধ্যে এত ঘন বিশৃঙ্খলা কেন ? রক্ত ঝরে না ভেজালে কোনো সুখ দরজা খোলে না | ময়ূরও নাচে না তাকে দু-নম্বরী সেলামী না দিলে | হাতুড়ির ঘায়ে না ফাটালে রাজার ভাঁড়ার থেকে এক মুঠু খুদ খেতে পায় না চড়ুই | স্বপ্নে যারা পেয়ে গেছে সচেতন ফাউন্টেন […]
উৎকৃষ্ট মানুষ
উৎকৃষ্ট মানুষ তুমি চেয়েছিলে এই যে এঁকেছি। এই তার রক্ত-নাড়ি, এই খুলি এই তার হাড় এই দেখ ফুসফুসের চতুদিকে পেরেক, আলপিন সরু কাঁটাতার। এইখানে আত্মা ছিল গোল সূর্য, ভারমিলিয়ন ভাঙা ফুলদানি ছিল এরই মধ্যে ছিল পিকদানি পিকদানির মধ্যে ছিল পৃথিবীর কফ, থুতু, শ্লেষ্মা, শ্লেষ অপমান, হত্যা ও মরণ। উৎকৃষ্ট মানুষ তুমি খুঁজেছিলে এই যে এঁকেছি! […]
নির্জনতা ভালো
নির্জনতা ভালো, কিন্তু কতটুকু ভালো? বনের ভিতর যাও, থাকো কিছুদিন ঘাস পাতা খাও, কিছু ফুল খাও শুয়ে থাকো হিম অন্ধকারে, ঘুমঘোরে শিকড়ের পরে—- দিন যাবে। কিন্তু, তা কী করে যাবে? দিনরাত্রি নেই— এই বন স্থির হয়ে বহুক্ষণ আছে। কিছুদূর থেকে ঐ কোলাহল ভেসে আসে কানে ঝর্না ভেঙে পড়ে থাকে বাতাসের গানে— নির্জনতা ভালো, কিন্তু কতটুকু […]

