এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা
কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান,
না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা,
কাকে ছুঁড়ে ফেলে।
এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই,
মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে
এমনকি ফেলে না চোখের জল
যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা;
বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ
বড়ো অবিম্বাসী বলে বোধ হয়,
মানুসের কোনো মহৎ কীর্তি আর ত্যাগের স্বাক্ষর
ধারণ করে না এই কুটিল সময়-
আজ সে কেবল শূন্যতাকে গাঢ় আলিঙ্গন করে,
পৃথিবীর এই আদিম আঁধারে বুঝি যায়, সবই অস্ত যায়।
Related Articles
আবার সন্ধ্যা হয় চারিদিকে
আবার সন্ধ্যা হয় চারিদিকে । নিথর দেহ হারিয়ে যায় রাত্রির অতলে কোথাও বেচে থাকে একটা শকুনের ডাক ! বেচে থাকার ব্যকুলতায় কি অভিশাপ ! নিদ্রাহীন – রাত্রিদিন এই অস্তাচলে, আবার সন্ধ্যা হয় চারিদিকে । ফিস ফিস করে কথা বলে; শ্মশানের মরাগুলো – বাতাশের গুঞ্জনে – হারিয়ে যাওয়া মুখগুলো । কোথাও পরে থাকে একটা মায়াবী […]
ষড়ব্যঞ্জন
কিছু চোখে শ্রাবণ মানায় না কিছু চোখ শুধু আকাশ দেখুক, জানালা খুলে, পর্দার আড়ালে যে বিশাল আকাশ রয়েছে সেটা হোক তার স্বপ্ন আঁকার ক্যানভাস । হৃদয়ের মসৃণতায় যদি মরচে ধরায় কালিক বসন্ত কিছু চোখে যেন বর্ষার আস্তরণ না পড়ে, কিছু চোখে শান্তি থাকুক, স্বাধীনতা থাকুক সঙ্গমের কামনা থাকুক ।। কিছু হাতে রিক্ততা মানায় না কিছু […]
এবার হয়েছে সন্ধ্যা
এবার হয়েছে সন্ধ্যা। সারাদিন ভেঙেছো পাথর পাহাড়ের কোলে আষাঢ়ের বৃষ্টি শেষ হয়ে গেলো শালের জঙ্গলে তোমারও তো শ্রান্ত হলো মুঠি অন্যায় হবে না – নাও ছুটি বিদেশেই চলো যে কথা বলনি আগে, এ-বছর সেই কথা বলো। শ্রাবনের মেঘ কি মন্থর! তোমার সর্বাঙ্গ জুড়ে জ্বর ছলোছলো যে কথা বলনি আগে, এ-বছর সেই কথা বলো। এবার হয়েছে […]

