এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা
কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান,
না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা,
কাকে ছুঁড়ে ফেলে।
এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই,
মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে
এমনকি ফেলে না চোখের জল
যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা;
বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ
বড়ো অবিম্বাসী বলে বোধ হয়,
মানুসের কোনো মহৎ কীর্তি আর ত্যাগের স্বাক্ষর
ধারণ করে না এই কুটিল সময়-
আজ সে কেবল শূন্যতাকে গাঢ় আলিঙ্গন করে,
পৃথিবীর এই আদিম আঁধারে বুঝি যায়, সবই অস্ত যায়।
Related Articles
যদি একবার
——————————————–♥* অনিচ্ছুক সূর্যকে জোর করে টেনে তুলেছ মেঘে ঢাকা ভোরের অন্ধকার আকাশে! হয়তো হবে সকাল, কি করে পাবে সোনারোদ মাখা বাতাসে নৌকোর ভরা পাল? জোয়ারের টানে উজানে যেতে পথ ভুলেছো! ফারাও’এর মত নিজেকে ঈশ্বর ভেবে ভেবেছো যা চাও তা-ই পাবে, কিংবা হয়ে যাও বললেই হয়ে যাবে? ভেবেছ তোমার হাতে যাদুর কাঠি? উল্টে গেলে দুধের বাটি […]
ময়ূর-আনন্দে মাতো
বর্ষণে আনন্দে যাও মানুষের কাছে— নিরন্তর ঝ’রে যাও অঝোর ধারায়; করুণায় আর্দ্র হয়ে মানবমণ্ডলে মিশে যেতে বাঞ্ছা হলে পূত ধারাজলে সিক্ত হতে হয়—হও অবিচল-মনে; (দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগবে জানি নাগরিক জন!) তোমার জল্লাদ-মন দ্রবীভূত হবে— করুণায় হবে সিক্ত নবধারাজলে! আর্দ্র হবে পোড়োজমি বর্ষণে-বর্ষণে, খরার প্রকোপ আছে ভূ-বাঙ্গালা জুড়ে— উর্বরতা নিঃশেষিত জরায়ু-প্রান্তরে। চতুর্দিকে পরিব্যাপ্ত খরা, শুধু খরা! বর্ষায় […]
বোবা পঙক্তি ! নিরক্ষর অনুভূতি !
রাত, তোমার বুকের কলঙ্ক ছুঁয়ে নিষিদ্ধ হওয়া হয় না । ভুলে গ্যাছো রাত, স্ট্রীট-ল্যাম্পের স্বাদ ! ভুলেছি আমি, বয়ঃসন্ধি অপরাধ ! রাত; প্রিয় সুখশূন্যতার রাত- তোমার উন্নত-নিটোল ভ্রমরে বেঁচে থাকা হয় না, ক্লান্তি শয্যাশয়ী; অ্যামেচার যুগ বিদায় দিয়েছি- স্লিপিং ট্যাবলেটে খুঁজে পাওয়া এক ভিন্ন রাত । রাত, আমার কষ্টখরার রাত- আলিঙ্গনের নেশায় শরীর মিশিয়ে নির্ঘুম […]

