এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারা
কাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান,
না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা,
কাকে ছুঁড়ে ফেলে।
এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই,
মূর্তি ভাঙে, উন্মত্ত উল্লাসে মাতে
এমনকি ফেলে না চোখের জল
যার জন্য প্রকৃতই হাজার বছর কাঁদবার কথা;
বিশ শতক শেষের এই পৃথিবীকে আজ
বড়ো অবিম্বাসী বলে বোধ হয়,
মানুসের কোনো মহৎ কীর্তি আর ত্যাগের স্বাক্ষর
ধারণ করে না এই কুটিল সময়-
আজ সে কেবল শূন্যতাকে গাঢ় আলিঙ্গন করে,
পৃথিবীর এই আদিম আঁধারে বুঝি যায়, সবই অস্ত যায়।
Related Articles
প্রলেতারিয়েত
যতক্ষণ তুমি কৃষকের পাশে আছো, যতক্ষণ তুমি শ্রমিকের পাশে আছো, আমি আছি তোমার পাশেই। যতক্ষণ তুমি মানুষের শ্রমে শ্রদ্ধাশীল যতক্ষণ তুমি পাহাড়ী নদীর মতো খরস্রোতা যতক্ষণ তুমি পলিমৃত্তিকার মতো শস্যময় ততক্ষণ আমিও তোমার। এই যে কৃষক বৃষ্টিজলে ভিজে করছে রচনা সবুজ শস্যের এক শিল্পময় মাঠ, এই যে কৃষক বধূ তার নিপুণ আঙুলে ক্ষিপ্র দ্রুততায় ভেজা […]
পলাতকা
কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশীর ডাক শুনেছিস্ ওরে চখা? ওরে আমার পলাতকা! তোর প’ড়লো মনে কোন্ হারা-ঘর, স্বপন-পারের কোন্ অলকা? ওরে আমার পলাতকা! তোর জল ভ’রেছে চপল চোখে, বল্ কোন্ হারা-মা ডাকলো তোকে রে? ঐ গগন-সীমায় সাঁঝের ছায়ায় হাতছানি দেয় নিবিড় মায়ায়- উতল পাগল! চিনিস্ কি তুই চিনিস্ ওকে রে? যেন বুক-ভরা ও গভীর স্নেহে ডাক […]
কথোপকথন-২২
তেরোই জুলাই কথা দিয়েছিলে আসবে । সেই মত আমি সাজিয়েছিলাম আকাশে ব্যস্ত আলর অজস্র নীল জোনাকি। সেই মত আমি জানিয়েছিলাম নদীকে প্রস্তুত থেকো,জলে যেন ছায়া না পড়ে মেঘ বা গাছের।তেরোই জুলাই এলে না। জ্বর হয়েছিল? বাড়িতে তো ছিল টেলিফোন। জানালে পারতে।থার্মোমিটার সাজাতাম। নীলিমাকে ছুঁয়ে পাখি হতো পরিতৃপ্ত

