নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
কে যায় কে যায় কে যায়
যেন জলে চলে থল-কমলিনী
ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।
কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে
চমকায় উন্মন চম্পা বনকে
দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে
পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।
অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে
নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে।
মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি
নামিয়া এল বুঝি পথ ভুলি
তাহার অঙ্গ তরঙ্গ বিভঙ্গে
কুলে কুলে নদীজল উথলায়।।
Related Articles
আইল ঋতুরাজ সজনি
আইল ঋতুরাজ সজনি, জ্যোৎস্নাময় মধুর রজনি, বিপিনে কলতান মুরলী উঠিল বাজি। মৃদুমন্দসুগন্ধপবনশিহরিত তব কুঞ্জভবন, কুহু কুহু কুহু ললিততানমুখরিত বনরাজি। পরো সখী পরো নীলাম্বর, পরো সখী ফুলমালা; চলো সখী চলো কুঞ্জে চলো, বিরহবিধুরা বালা। করিগে চলো কুসুমচয়ন, রচি গে চলো পুষ্পশয়ন, ফিরিবে তব নাথ সজনি, হৃদয়ে তব আজি।
আঁধার রাতে একলা পাগল যায় কেঁদে
আঁধার রাতে একলা পাগল যায় কেঁদে। বলে শুধু, বুঝিয়ে দে, বুঝিয়ে দে, বুঝিয়ে দে ॥ আমি যে তোর আলোর ছেলে, আমার সামনে দিলি আঁধার মেলে, মুখ লুকালি– মরি আমি সেই খেদে ॥ অন্ধকারে অস্তরবির লিপি লেখা, আমারে তার অর্থ শেখা। তোর প্রাণের বাঁশির তান সে নানা সেই আমারই ছিল জানা, আজ মরণ-বীণার অজানা সুর নেব […]
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥ তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?। অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা। অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা। আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে– tomar-duar-kholar-dhwani ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥

