নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
কে যায় কে যায় কে যায়
যেন জলে চলে থল-কমলিনী
ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।
কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে
চমকায় উন্মন চম্পা বনকে
দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে
পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।
অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে
নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে।
মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি
নামিয়া এল বুঝি পথ ভুলি
তাহার অঙ্গ তরঙ্গ বিভঙ্গে
কুলে কুলে নদীজল উথলায়।।
Related Articles
শ্রাবণের গগনের গায়
শ্রাবণের গগনের গায় বিদ্যুৎ চমকিয়া যায়। ক্ষণে ক্ষণে শর্বরী শিহরিয়া উঠে, হায়॥ তেমনি তোমার বাণী মর্মতলে যায় হানি সঙ্গোপনে, ধৈরজ যায় যে টুটে, হায়॥ যেমন বরষাধারায় অরণ্য আপনা হারায় বারে বারে ঘন রস-আবরণে তেমনি তোমার স্মৃতি ঢেকে ফেলে মোর গীতি নিবিড় ধারে আনন্দ-বরিষণে, হায়॥ Shraboner Gogoner Gay
আমার প্রিয়ার ছায়া
আমার প্রিয়ার ছায়া আকাশে আজ ভাসে, হায় হায়! বৃষ্টিসজল বিষণ্ন নিশ্বাসে, হায়॥ আমার প্রিয়া মেঘের ফাঁকে ফাঁকে সন্ধ্যাতারায় লুকিয়ে দেখে কাকে, সন্ধ্যাদীপের লুপ্ত আলো স্মরণে তার আসে, হায়॥ বারি-ঝরা বনের গন্ধ নিয়া পরশ-হারা বরণমালা গাঁথে আমার প্রিয়া। আমার প্রিয়া ঘন শ্রাবণধারায় আকাশ ছেয়ে মনের কথা হারায়। আমার প্রিয়ার আঁচল দোলে নিবিড় বনের শ্যামল […]
পরবাসী, চলে এসো ঘরে
পরবাসী, চলে এসো ঘরে অনুকূল সমীরণ-ভরে॥ ওই দেখো কতবার হল খেয়া-পারাবার, সারিগান উঠিল অম্বরে॥ আকাশে আকাশে আয়োজন, বাতাসে বাতাসে আমন্ত্রণ। মন যে দিল না সাড়া, তাই তুমি গৃহছাড়া নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে॥ রাগ: ইমনকল্যাণ তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২২ মাঘ, ১৩৩২ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬ স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার

