নীলাম্বরী শাড়ি পরি নীল যমুনায়
কে যায় কে যায় কে যায়
যেন জলে চলে থল-কমলিনী
ভ্রমর নূপুর হয়ে বোলে পায় পায়।
কলসে কঙ্কনে রিনিঠিনি ঝনকে
চমকায় উন্মন চম্পা বনকে
দলিত অঞ্জন নয়নে ঝলকে
পলকে খঞ্জন হরিণী লুকায়।
অঙ্গের ছন্দে পলাশ মাধবী অশোক ফোটে
নূপুর শুনি বনতুলসীর মঞ্জরী উলসিয়া ওঠে।
মেঘ বিজড়িত রাঙা গোধূলি
নামিয়া এল বুঝি পথ ভুলি
তাহার অঙ্গ তরঙ্গ বিভঙ্গে
কুলে কুলে নদীজল উথলায়।।
Related Articles
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি
দিয়ে গেনু বসন্তের এই গানখানি– বরষ ফুরায়ে যাবে, ভুলে যাবে জানি॥ তবু তো ফাল্গুনরাতে এ গানের বেদনাতে আঁখি তব ছলোছলো, এই বহু মানি॥ চাহি না রহিতে বসে ফুরাইলে বেলা, তখনি চলিয়া যাব শেষ হবে খেলা। আসিবে ফাল্গুন পুন, তখন আবার শুনো নব পথিকেরই গানে নূতনের বাণী॥ diyegenu ei bosonter ei gan khani
নূরজাহান! নূরজাহান!
নূরজাহান! নূরজাহান! সিন্ধু নদীতে ভেসে, এলে মেঘলামতীর দেশে ইরানী গুলিস্তান।। নার্গিস লালা গোলাপ আঙ্গুর-লতা শিরিঁ ফরহাঁদ সিরাজের উপকথা এনেছিলে তুমি তনুর পেয়ালা ভরি’ বুলবুলি দিলরুবা রবাবের গান।। তব প্রেমে উন্মাদ ভুলিল সেলিম, সে যে রাজাধিরাজ- চন্দন সম মাখিল অঙ্গে কলঙ্ক লোক-লাজ। যে কলঙ্ক লয়ে হাসে চাঁদ নীল আকাশে, যাহা লেখা থাকে শুধু প্রেমিকের ইতিহাসে, দিবে […]
আজি কোন সুরে বাঁধিব দিন-অবসান বেলারে
আজি কোন সুরে বাঁধিব দিন-অবসান বেলারে দীর্ঘ ধূসর অবকাশে সঙ্গীজনবিহীন শূন্য ভবনে ।। সে কি মূক বিরহস্মৃতিগু্ঞ্জরণে তন্দ্রাহারা ঝিল্লিরবে । সে কি বিচ্ছেদরজনীর যাত্রী বিহঙ্গের পক্ষধ্বনিতে ।। সে কি অবগুন্ঠিত প্রেমের কুন্ঠিত বেদনায় সমবৃত দীর্ঘশ্বাসে । সে কি উদ্ধত অভিমানে উদ্যত উপেক্ষায় গর্বিত মঞ্জীরঝঙ্কারে ।

