তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু নিজের ছিল
দিয়েছিলাম,
যা কিছুই অর্জন-উপার্জন !
এখন দেখ না ভিখিরির মতো কেমন বসে থাকি !
কেউ ফিরে তাকায় না।
তোমার কেন সময় হবে তাকাবার ! কত রকম কাজ
তোমার !
আজকাল তো ব্যস্ততাও বেড়েছে খুব।
সেদিন দেখলাম সেই ভালবাসাগুলো
কাকে যেন দিতে খুব ব্যস্ত তুমি,
যেগুলো তোমাকে আমি দিয়েছিলাম।
Related Articles
বৈশাখের সূর্যমুখী
চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে সূর্যমুখী! স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে আমারই সেদিকে ফিরে থাকে। চড়াই-উতরাই বাঁকে প্রতি পা ফেলায়— সে আমার দিকেই তাকায়। কবিতার শব্দধ্বনি দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি, ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার— স্বপ্ন সাধ উল্লাস বিষাদ সবকিছু নিয়ে এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।
আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মানে
সেদিন ছিল শনিবার আমার মনে ঘুংঘুর বেজে উঠল হঠাৎ তুমি তাহলে নিশ্চয়ই আসছো । তুমি মেজেন্টা ভালোবাস, শাড়িতে সেই রঙ তুমি বর্ষা দেখতে পাগল,তাই চোখের চার পাশে কাজল পরা মেঘ । বিছানা একটু নরম না হলে লাগবে তাই আচলের ঘের কমিয়ে তুলতুলে দুটো বালিশ এভাবে দ্বিকবিদ্বিক জেগে বসে চাঁদ চলে গেল দখিনের পথে তাঁর মুচকি […]
আপন-পিয়াসী
আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আপনার, আমি শুনি যেন তার চরণের ধ্বনি আমারি তিয়াসী বাসনায়।। আমারই মনের তৃষিত আকাশে কাঁদে সে চাতক আকুল পিয়াসে, কভু সে চকোর সুধা-চোর আসে নিশীথে স্বপনে জোছনায়।। আমার মনের পিয়াল তমালে হেরি তারে স্নেহ-মেঘ-শ্যাম, অশনি-আলোকে হেরি তারে থির-বিজুলি-উজল অভিরাম।। আমারই রচিত কাননে বসিয়া পরানু পিয়ারে মালিকা […]

