তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম, যা কিছু নিজের ছিল
দিয়েছিলাম,
যা কিছুই অর্জন-উপার্জন !
এখন দেখ না ভিখিরির মতো কেমন বসে থাকি !
কেউ ফিরে তাকায় না।
তোমার কেন সময় হবে তাকাবার ! কত রকম কাজ
তোমার !
আজকাল তো ব্যস্ততাও বেড়েছে খুব।
সেদিন দেখলাম সেই ভালবাসাগুলো
কাকে যেন দিতে খুব ব্যস্ত তুমি,
যেগুলো তোমাকে আমি দিয়েছিলাম।
Related Articles
বৃষ্টি
এরকম এই দিনে চেতনায় ও খরার প্রদাহ নির্বাচনে হেরে যাওয়া প্রার্থী যেন বিরক্ত, বিব্রত, এরকম দুঃসময়ে এলো বৃষ্টির শব্দের মতো সুখকর এই পত্র, প্রাগের প্রাচীর থেকে উড়ে। কূপিত বিব্রতকর এই রোদে খামটি খুলিনি আমি তো অপেক্ষা জানি, এই খররৌদ্রে কখনো নাকি প্রিয় বান্ধবীর চিঠি খোলা চলে। অতএব রেখে দেই যত্ন করে ড্রয়ারে রাতে অকস্মাৎ বৃষ্টি […]
রবীন্দ্রনাথ তোমার কবিতা উয়িদড্র করো
রবীন্দ্রনাথ তোমার কবিতা তুমি ফিরিয়ে নাও। বড্ড বেশি মিথ্যে কথা ফেলেছো লিখে তোমার কবিতা তুমি ফিরিয়ে নাও। মানস সুন্দরী বলে কাউকে তো দেখি না কোথাও কোনো খানে… ওরা মানস সুন্দরী নয়-ওরা ফানুস ভালবাসা নয় ওরা কসমেটিকসের জঘন্যতম পুজারী ও কবিতা ফিরিয়ে নাও রবীন্দ্রনাথ। যেতে নাহি দেবো বলে না তো কেউ ঘৃণার নৃশংস কন্ঠে বলছে সবাই […]
তমসা নদীর তীরে
দিন আসে, দিন যায়। গড়াতে-গড়াতে দিন যায়। রাত্রি আসে, রাত্রি যায়। সপ্তা, মাস, ক্রমিক ঋতুর অবিরল রেলোয়ে চলেছে। শুধু আমি জন্মহীন মৃত্যুর দিকে যাচ্ছি, অনিবারণীয়। পর-পর মলিন ও উজ্জ্বল আভায় ভ’রে যাচ্ছে চারপাশ। কেবল আমারই অর্কেস্টার সাত সুর নিভে আসছে সময়ের তীক্ষ্ম আঁচড়ে। কখন অজ্ঞাতে একটি-দুটি রুপা জাগছে চুলের শিখরে। কিন্তু গাছে-গাছে ঘুরে-ঘুরে আসে যায় […]

