ভালোবাসা সবই খায় – এঁটো পাতা, হেমন্তের খড়
রুগ্ন বাগানের কোণে পড়ে থাকা লতার শেকড়
সবই খায়, খায় না আমাকে
এবং হাঁ করে রোজ আমারই সন্মুখে বসে থাকে।
আমি একটু একটু করে তাকে অবসন্ন হাওয়া দিতে পারি
একটু এনে দিতে পারি আমরুলের পাতার প্রকৃতি
স্মৃতির কাঁথায় তার স্পর্শ – যিনি উপস্থিত নেই
এইসব – দিতে পারি, এতে কি শ্রীমুখ ফেরাবে?
আমার ভিতরে কোনো গোলযোগ নেই, প্রেম নেই
অন্যমনস্কতা লেগে আমার ভিতরে হয়ে হয়ে নেই
কিছু বা পাথর, নেই ফুটোফাটা, ফেলে রাখা ধুলো
আমার ভিতরে আছে সর্বাঙ্গে রঙীন পথগুলো
এতে সবই হবে।
Related Articles
কথোপকথন-১৭
-নন্দিনী,তুমি একটুখানি তো জল অথচ ভাসাও স্রোতের কলস্বরে । -তুমিও তো মিহি বাতাস,শুভঙ্কর অথচ কী করে কাঁপাও সুখের ঝড়ে ?
ময়ূর-আনন্দে মাতো
বর্ষণে আনন্দে যাও মানুষের কাছে— নিরন্তর ঝ’রে যাও অঝোর ধারায়; করুণায় আর্দ্র হয়ে মানবমণ্ডলে মিশে যেতে বাঞ্ছা হলে পূত ধারাজলে সিক্ত হতে হয়—হও অবিচল-মনে; (দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগবে জানি নাগরিক জন!) তোমার জল্লাদ-মন দ্রবীভূত হবে— করুণায় হবে সিক্ত নবধারাজলে! আর্দ্র হবে পোড়োজমি বর্ষণে-বর্ষণে, খরার প্রকোপ আছে ভূ-বাঙ্গালা জুড়ে— উর্বরতা নিঃশেষিত জরায়ু-প্রান্তরে। চতুর্দিকে পরিব্যাপ্ত খরা, শুধু খরা! বর্ষায় […]
আমি কবি নই
অনেক যুগ কবিতা লিখিনা ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে কালির দোয়াত, কাগজের পাতা সন্ধিকাল পেড়িয়ে হুট করেই বুড়িয়ে গেছে গতরাত; তবু কবিতা লিখতে পারিনি বহুকাল ওরা এখন আর আসে না, একঘেয়ে কবিতা সাজাতে সাজাতে ওরা ক্লান্ত, আমি ছন্দ-প্রতিবন্ধী ।। কী দোষ আমার ? পুরোটা জীবন যে হাতে তুলে নিয়েছি কলম সেই হাত যখন তুলে নেয় অস্ত্র, […]

