ওইখানে ওই বাগানে তার ফুল ফুটেছে কতো
জানতে পারি, ওর মধ্যে কি একটি দেবার মতো?
একটি কিম্বা দুটির ইচ্ছে আসতে আমার কাছে
তাহার পদলেহন করতে সমস্ত ফুল আছে।
সব ফুলই কি গোষ্ঠীগত, সব ফুলই কি চাঁদের
একটি দুটি আমায় চিনুক, বাদবাকি সব তাঁদের
গাছ তো তাঁহার বাগানভর্তি, আমার রোপণ ছায়া–
প্রবীণ তাঁদের ভালোবাসা, আমার বাসতে চাওয়াই।
Related Articles
বিপ্লব
মনজুর এলাহীর বাগানে, ছায়াচ্ছন্ন সন্ধ্যায় বসেছিলাম আমরা কয়েকজন। কথা হ’লো, অনেক ধরনের কেউ বললেন বঙ্গবন্ধুর কথা, সেই প্রসঙ্গে নিহত এ্যালেন্দে এবং চিলিতে সামরিক উত্থানের ইতিহাসও উল্লেখ করলেন কেউ কেউ। বলা বাহুল্য ইরাক ইরানের কথাও উঠলো। ক্যাস্ট্রোর পর কিউবার অনিশ্চিত ভবিষ্যত বিশ্বব্যাপী অসৎ বণিকদের দাপট, এবং বাংলার বিপন্ন মানুষ নিরন্ন আজীবন- এইসব কথা বলাবলি করলাম আমরা […]
নিশির ডাক
নিশির ডাক শুনে মাঝরাত্তিরে যারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিল, এখন আবার খুব শান্ত আর খুব সুন্দর এই সকালবেলায় একে-একে সেই ছেলেগুলো যে যার ঘরে ফিরে আসছে। ওদের ছেঁড়া জামাকাপড়, ওদের রক্তাক্ত হাত-পা, আর সেইসঙ্গে ওদের ভাষাহীন চাউনি দেখেই বোঝা যায় যে, যা পাবে বলে ওরা রাস্তায় গিয়ে নেমেছিল, তা ওরা পায়নি। মাথা নিচু করে ওরা […]
ফুলদানি
যেকোনো বাগান থেকে যেটা ইচ্ছে সেই ফুল, যেকোনো সময় আমি তুলে নিয়ে যদি কভু তোমার খোঁপায়, আহা, অজগর তোমার খোঁপায় সাজাবার সুজোগ পেতাম–; তাহলে দেখতে লীলা, তোমার শরীর ছুঁয়ে লাবণ্যের লোভন ফুলেরা উদ্বেল হৃদয়ে নিত্য বিপর্যস্ত হতো, মত্ত মমতায় বলতো আশ্চর্য হয়ে, হতো বলতেইঃ ‘খোঁপার মতন কোনো ফুলদানি নেই৷’

