বাদল দিনে মনে হয়ে যায় উড়ূউড়ূ
ছেঁড়া আকাশ বৃষ্টি বোনে অঝোর ধারায়,
এখন আমি ভিজবো বলে ঘর ছেড়েছি
কদম ফুলের গন্ধে মাতাল মনটা হারায়।
সব জানালা খোলা আমার মনের ঘরে
জলপরীরা যখন-তখন দিচ্ছে উঁকি,
আমার ভেতর নষ্টপ্রহর দিচ্ছে নাড়া,
কেমন করে সেই আহ্বান একলা রুখি?
জলের সাথে ছিলো আমার জানাশোনা,
হাত বাড়ালেই মাছ হবো এই মাছের পোনা।
Related Articles
যা ছিল অনন্ত মধুর
জীবনে যা ছিল খুব অনন্ত মধুর যা ছিল নিকট খুব, যা ছিল সুদূর, কাম্য যা ছিল এই মর্ত্যে, সংসারে লুকানো শব্দের বীজ আলোয় আঁধারে; আজ তাকে খুঁজি, পাই না কোথাও যা আছে তোমার তুমি তার কাছে যাও। তাকে দাও ভালোবাসা, তাকে দাও ছায়া সে অদৃশ্য বিমূর্ত হবে অপরূপ কায়া, তাই নিয়ে মেতে থাকো, বাঁধো ভাঙা […]
টেলিফোনে প্রস্তাব
আমি জানি, আমাদের কথার ভিতরে এমন কিছুই নেই, অনর্থ করলেও যার সাহায্যে পরস্পরের প্রতি আমাদের দুর্বলতা প্রমাণ করা সম্ভব। আমিও তো তোমার মতোই অসম্পর্কিত-জ্ঞানে এতদিন উপস্থাপন করেছি আমাকে। তুমি যখন টেলিফোন হয়ে প্রবেশ করেছো আমার কর্ণে- আমার অপেক্ষাকাতর হৃৎপিণ্ডের সামান্য কম্পনও আমি তোমাকে বুঝতে দিই নি। দুর্বলতা ধরা পড়ে যায় পাছে। তুমিও নিষ্ঠুর কম নও, […]
গৃহত্যাগী জোছনা
প্রতি পূর্নিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই। গৃহত্যাগী হবার মত জোছনা কি উঠেছে? বালিকা ভুলানো জোছনা নয়, যে জোছনায় বালিকারা ছাদের রেলিং ধরে ছুটোছুটি করতে করতে বলবে, ও মাগো! কি সুন্দর চাঁদ! নব দম্পতির জোছনাও নয়, যে জোছনা দেখে স্বামী গাড় স্বরে স্ত্রীকে বলবে; দেখো দেখো, চাঁদটা তোমার মুখের মতই সুন্দর। কাজলা দিদির স্যাঁতস্যাঁতে জোছনা […]
