একদিন চিনে নেবে তারে,
তারে চিনে নেবে
অনাদরে যে রয়েছে কুন্ঠিতা ॥
সরে যাবে নবারুণ-আলোকে এই কালো অবগুন্ঠন–
ঢেকে রবে না রবে না মায়াকুহেলীর মলিন আবরণ,
তারে চিনে নেবে ॥
আজ গাঁথুক মালা সে গাঁথুক মালা,
তার দু:খরজনীর অশ্রুমালা ।
কখন দুয়ারে অতিথি আসিবে,
লবে তুলি মালাখানি ললাটে ।
আজি জ্বালুক প্রদীপ চির-অপরিচিতা
পূর্ণ প্রকাশের লগন-লাগি–
তারে চিনে নেবে ॥
Related Articles
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়, কী আছে শেষে! এত কামনা, এত সাধনা কোথায় মেশে। ঢেউ ওঠে পড়ে কাঁদার, সম্মুখে ঘন আঁধার, পার আছে গো পার আছে– পার আছে কোন্ দেশে। আজ ভাবি মনে মনে মরীচিকা-অন্বেষণে হায় বুঝি তৃষ্ণার শেষ নেই। মনে ভয় লাগে সেই– হাল-ভাঙা পাল-ছেঁড়া ব্যথা চলেছে নিরুদ্দেশে ॥ পথের শেষ কোথায়, শেষ কোথায়
প্রতিদিন আমি হে জীবনস্বামী
প্রতিদিন আমি হে জীবনস্বামী, দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। করি জোড়কর, হে ভুবনেশ্বর, দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার অপার আকাশের তলে বিজনে বিরলে হে– নম্র হৃদয়ে নয়নের জলে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার বিচিত্র এ ভবসংসারে কর্মপারাবারপারে হে, নিখিলজগৎজনের মাঝারে দাঁড়াব তোমারি সম্মুখে। তোমার এ ভবে মোর কাজ যবে সমাপন হবে হে, ওগো রাজরাজ, […]
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি ওই গো বাজে হৃদয়মাঝে ॥ তোমার ঘরে নিশি-ভোরে আগল যদি গেল সরে আমার ঘরে রইব তবে কিসের লাজে?। অনেক বলা বলেছি, সে মিথ্যা বলা। অনেক চলা চলেছি, সে মিথ্যা চলা। আজ যেন সব পথের শেষে তোমার দ্বারে দাঁড়াই এসে– tomar-duar-kholar-dhwani ভুলিয়ে যেন নেয় না মোরে আপন কাজে ॥

